আসুন আমরাও কুকুর ধরে তার লেজ কামড়াই আর বিনা খরচে নিজের দাতের যত্ন নিই।  tongue

দরকারি পোস্ট।  thumbs up

২ জনের কাউকেও তো চিনলাম না।  tongue  tongue

Apon Ahamed wrote:

sirial numbar pacci na.....please give me sirial numbar     recoverir

আপনার গোপন বার্তা চেক করেন।

sawontheboss4 wrote:

ঘুরিয়ে কান ধরে কী লাভ?

লাভ এইটাই যে 1 GBর একটি ফাইল বিআইটিটরেন্ট দিয়ে ডাউনলোড করতে লাগে 24 ঘণ্টা আর IDM দিয়ে লিচ করে লাগে 14 ঘণ্টা।  big hug

সাইফ দি বস ৭ wrote:

আচ্ছা লিংক কি আজীবন রিজিউমএবল?

কোন লিমিটেশনের কথা দেখি নাই,তবে আমি ৪ দিন পর্যন্ত রিজিউমেবল পেয়েছি।

dr.shamim wrote:

কি বেপার এটা তো আড্ডা তে দেখেছি।

আমি এটা একটি ইংরেজি ট্রিপস & ট্রিকস সাইটে পেয়েছিলাম যা ডকুমেন্ট ফাইলে সেভ করে রেখেছিলাম,যাই হোক যে ব্যক্তি ওখানে দিয়েছে সেও মনে হয়.........  winking

তার চেয়ে পেনড্রাইভে করে Advanced System Care বহন করলেই তো হয় বা এই জাতীয় কোন টুল।  big hug
তবে যাদের কাছে Microsoft Security Essential  পছন্দ তাদের কথা আলাদা।

প্রতিনিয়তই আমরা টরেন্ট থেকে কিছু না কিছু ডাউনলোড করছি।যেহেতু টরেন্ট ফাইল ডাউনলোড SEED এবং PEER এর উপর নির্ভর করে তাই ডাউনলোডের সময় HTTP ফাইল ডাউনলোডের চেয়ে অনেক বেশি সময় লাগে(স্পীড ভেরি করে)।সাধারণত 10-20 MB এর ফাইল হলে তেমন কোন সমস্যা হয় না।কিন্তু একটু বড় সাইজের ফাইল ডাউনলোডের সময় বিরক্তির শেষ থাকে না।
আর তাই http://www.torrific.com/ সাইটের মধ্যমে আপনি টরেন্ট ফাইল লিচ করে IDM বা অন্য কোন HTTP ডাউনলোড ম্যানেজার দিয়ে খুব সহজেই দ্রুত টরেন্ট ফাইল ডাউনলোড করতে পারবেন আর এতে রিজিউম সুবিধাও রয়েছে।
প্রথমে http://www.torrific.com/  সাইটে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন(সাইন আপ) করুন।তারপর কোন ফাইল ডাউনলোডের জন্য নিচের স্ক্রীনশটগুলো অনুসরণ করুন।

http://i1116.photobucket.com/albums/k566/upolbd/DownloadtorrentsfromtheIDM1.jpg


http://i1116.photobucket.com/albums/k566/upolbd/DownloadtorrentsfromtheIDM2.jpg


http://i1116.photobucket.com/albums/k566/upolbd/DownloadtorrentsfromtheIDM3.jpg


http://i1116.photobucket.com/albums/k566/upolbd/DownloadtorrentsfromtheIDM4.jpg

ছবির কোয়ালিটি তো দেখছি মারাত্মক!! tongue

maruf002 wrote:

আর  Browsing করতে?

এই ক্ষেত্রে কোন সমস্যা নেই।

১৬০

(১ replies, posted in ৪৯ তম ব্যাচ)

আমাদের ২২ এপ্রিল থেকে ।  sad

টাইম ম্যাগাজিনের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় শীর্ষস্থানটি দখল করেছেন মিসরের ৩০ বছর বয়সী ইন্টারনেট কর্মী ওয়ায়েল গোনিম। প্রেসিডেন্ট হোসনি মুবারকের বিরুদ্ধে গণআন্দোলনে জনগণকে ফেসবুকের মাধ্যমে একত্রিত করার কৃতিত্ব তার। জনপ্রিয় তারকাদের সঙ্গে মিসরের গণআন্দোলনের অখ্যাত এ নেতাও উঠে এসেছেন। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এ তালিকায় আরও
আছেন জাপানের একজন চিকিত্সক। সম্প্রতিক ভূমিকম্প ও সুনামি বিপর্যস্ত মানুষদের ফেলে রেখে আসতে অসম্মত হওয়া জাপানি চিকিত্সক তাকেশি কানো আছেন এ তালিকায়। আরো রয়েছেন জনপ্রিয় সঙ্গীত তারকা জাস্টিন বিবের ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব অপরাহ উইনফ্রে। আছেন ফুটবল তারকা লিওনেল মেসি ও ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। টাইমের বিবেচনায় ২০১১ সালের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকা প্রকাশ করা হয়।
তালিকায় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের মধ্যে রয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন, ফরাসি প্রেসিডেন্ট নিকোলাস সারকোজি, জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেল, ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট দিলমা রোউসেফ, মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থী আন্দোলনের নেত্রী অং সান সুচি, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন, অ্যারিজোনায় গুলিবর্ষণ থেকে বেঁচে যাওয়া কংগ্রেস সদস্য গ্যাব্রিয়েল গিফোর্ড, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। এমন কি ইরাকের মুকতাদা আল-সদরও এ তালিকায় রয়েছেন।
এ তালিকায় আরও রয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গীতশিল্পী রেইন এবং কারাগারে আটক চীনা শিল্পী আই ওয়েইওয়েই। তৃতীয়বারের মতো অনলাইন ভোটে ‘দি পিপল’স চয়েস’ খেতাবটি জিতে নিয়েছেন রেইন।
প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকা : ওয়ায়েল গোনিম, যোসেফ স্টিগলিটজ, রিড হেসটিঙ্গস, এমি পোয়েহলার, জেফরি কানাডা, মার্ক জুকারবার্গ, পিটার ভেস্টারবাকা, এঞ্জেলা মার্কেল, জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ, রন ব্রুডার, লামিদো সানুসি, কোলিন ফার্থ, এমি চুয়া, জো বাইডেন, জেনিফার ইগান, কিম ক্লিস্টারস, আহমেদ সুজা পাশা, অং সান সুচি, করি বুকার, গ্র্যাবরিল গিফোর্ডস, কাতসুনোবু সাকুরাই, মিশেল ওবামা, পল রায়ান, অ্যাই ওয়েইওয়েই, রব বেল, ফাথি টার্বিল, ডিলমা রোওসেফ, টম ফোর্ড, লিয়াঙ্গ জুয়াঙ্গিল, সু সাভেজ রামবাও, তাকেশি কানো, নিকোলাস সারকোজি, মিশেল ব্যাচম্যান, সাদ মোহসেনি, খ্রিস ক্রিস্টি, ম্যাথু ওয়েনার, লিজা জ্যাকসন, জঁ-ক্লদ থ্রিশে, জাস্টিন বিয়েবার, প্রিন্স উইলিয়াম ও কেট মিডলটন, জো স্কারবোরাফ, ব্লেক লাইভলি, হিলারি ক্লিনটন, মুক্তদা আল-সদর, আনোয়ার আল-আওলাকি, কিম জং উন, সাইফ আল-ইসলাম গাদ্দাফি, হাসান নাসরাল্লাহ, নাথান উলফি, অপরাহ ইউনফ্রে, সারজিও মারশিওন, মাহেন্দ্র সিং ধোনি, ফেলিসা উলফে-সিমন, এসথার ডাফলো, রেইন, ল্যারি পেজ, মিয়া ওয়াসিকোস্কা, ডেভিড ক্যামেরন, জন ল্যাসেটার, মারিয়া বশির, মুকেশ আম্বানি, খ্রিস কোলফার, মেজর জেনারেল মার্গারেট উডওয়ার্ড, ব্রুনো মার্স, ডেভিড অ্যান্ড চার্লস কোচ, হুং হুয়াং, জেনারেল ডেভিড পেট্রায়ুস, ম্যাট দামোন অ্যান্ড গেরি হোয়াইট, সেসিল রিচার্ডস, জর্জ আর আর মার্টিন, মেরিন লে পেন, গ্র্যান্ট আশাটজ, ফয়সাল আব্দুল রউফ, এল জেনেহাল, জেমি ডিমোন, হেইডি মুরকোফ, স্টিং, জোনাথন ফ্রানজেন, ভিএস রামচন্দ্রন, মিশেল রী, মার্ক ওয়াহলবার্গ, রেবেকা ইটোন, জি জিনপিং, ক্যাথি গিয়ুসতি, আরিয়ানা হাফিংটন, বারাক ওবামা, লিওনেল মেসি, আজিম প্রেমজি, অরুণা রায়, রে চেম্বারস, স্কট রুডিন, জন বোয়েনার, ডিরিক রোসি, হু শুলি, বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু, আয়মান মোহিলদিন, চার্লস চাও, বিনেটা ডিয়োপ, ধার্মা মাস্টার চেং ইয়েন ও প্যাটি স্মিথ।
সুত্র

আমিও ভাবছি ফেসবুকে মারাত্মক টাইপের কিছু করা যায় কিনা।  thinking

দেখাযাক আমাদের ব্রডব্যান্ডএর রেট জুনে কমায় কিনা?

কেমন যেনো মেকি মেকি লাগে।  I don't know

হুমম,দারুন বই মনে হচ্ছে,পড়ে ডাউনলোড করে রিভিউ দিবো।  thumbs up

maruf002 wrote:

Mozilla - তে কি অনেক addons install রাখলে কোন সমস্যা আছে?

ব্রাউজার কিছুটা স্লো হয়ে যায়-ওপেন হতে।

পরে দেখবো।

হুমম,অনেকেরই উপকারে আসবে।তবে পিসিতে জাঙ্ক ফাইল জমতে না দিলে এবং ফ্র্যাগমেণ্টেড ফাইল না থাকলে পিসি অনেক ফাস্ট থাকে।

যাইহোক,খুজছিলাম এবং আজ পেয়ে গেলাম।  big grin

ভালো পোস্ট।

আমি সেইঅর্থে কখনও সীরাত গ্রন্থ পড়িনি,এইবার মনে হচ্ছে সেই ইচ্ছা পূরণ হলো।ইলিয়াস ভাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ।  সাথে রেপু ফ্রি।  thumbs up

tazkianur wrote:

তবে আমি আপাতত এই সব মানুষদের ভাব দেখতে দেখতে বিরক্ত।আর কত?

আহারে,বেচারী।  sad

sawontheboss4 wrote:

আমার পহেলা বৈশাখ এর সাজ :

মি।ব্যাকা!!! winking

এইসব ইফেক্ট কেনো যেনো আমার ভালো লাগে না। তবে যাদের প্রিয় তাদের জন্য একটি ভালো পোস্ট।  thumbs up

এটা কতি?সাথে কে?

আজ থেকে ২০ বছর আগে আগস্ট,১৯৯১ সালে ২১ বছর বয়সী ফিনল্যান্ডের কম্পিউটার সায়েন্সের ছাত্র Linus Torvalds একটি ছোট্ট অপারেটিং সিস্টেমের বানাতে চেয়েছিলেন যা ফ্রিতে যেকোনো প্রয়োজনে ব্যবহার করা যাবে, ইচ্ছেমতো পরিবর্তন করা যাবে, ইচ্ছেমতো অন্যের সাথে শেয়ার করা যাবে- আর আজ সেই ছোট্ট অপারেটিং সিস্টেমটি লিনাক্স নামে আমাদের সবার কাছে পরিচিত। প্রতিদিন আমরা নানান কাজে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে লিনাক্সের সার্ভিস ব্যবহার করছি।
বর্তমানে  ফেসবুক, আমাজন, টুইটার, ইবে,আইবিএম গুগলসহ বড় বড় প্রতিষ্ঠান লিনাক্সকে তাদের অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে ব্যবহার করছে।
আপনি কি জানেন পৃথিবীর ৯৫% সুপার কম্পিউটার চলে লিনাক্সে?
২০ বছর পূর্তি উপলক্ষ লিনাক্স ফাউন্ডেশন একটি ভিডিওচিত্র প্রকাশ করেছে যেখানে লিনাক্সের ইতিহাস সংক্ষিপ্ত আকারে তুলে ধরা হয়েছে।

একই সাথে তারা একটি তথ্যচিত্রও প্রকাশ করেছে:
http://8.mshcdn.com/wp-content/uploads/2011/04/linux-infographic.png

সুত্র: লিনাক্স ফাউন্ডেশন

এডিস মশার কামড় থেকে সৃষ্ট ডেঙ্গুজ্বর একটি মারাত্মক ব্যাধি। এর প্রতিষেধক এখনও আবিষ্কার হয়নি। তাই এ রোগে আক্রান্ত হলে রক্তে প্লাটিলেটের পরিমাণ কমে যায়। চিকিত্সকরা বাইরে থেকে রক্ত দিয়ে রোগীর দেহে প্লাটিলেটের মাত্রা ঠিক রেখে রোগীকে বাঁচাতে চেষ্টা করেন। এমন আশার কথা শুনিয়েছেন থাইল্যান্ডের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ভিরাচাই ভিরামিটিকুল।

http://www.amardeshonline.com/img/news/Lp_dengujor-nirmuler.jpg

তিনি বলছেন, তারা গবেষণার মাধ্যমে ডেঙ্গু প্রতিরোধ করতে পারে—এমন টিকার সন্ধান পেয়েছেন, যা হয়তো এ রোগ বিস্তার বন্ধ করতে সহায়ক হবে। গবেষণাগারে ইঁদুরের ওপর টিকাটির পরীক্ষা চালিয়ে দেখা যায় ডেঙ্গুর ভাইরাস প্রায় ৮০ শতাংশ নির্মূল করা সম্ভব হয়েছে। ভিরাচাই ভিরামিটিকুল জানান, ডেঙ্গুজ্বর প্রতিরোধে এটি নিঃসন্দেহে বড় একটি সাফল্য। গত ২০-৩০ বছর ধরে আমাদের
বিজ্ঞানী, গবেষক এবং চিকিত্সকরা এ নিয়ে গবেষণা করছেন।
অবশ্য টিকাটি এখনও পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে। প্রতিবছর সারা বিশ্বে প্রায় ৫ কোটি মানুষ ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়। আর এতে মারা যায় প্রায় ২৫ হাজার মানুষ।
আফ্রিকা ছাড়াও আমেরিকা, ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের পূর্বদিক, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিমাঞ্চলে ডেঙ্গুজ্বরের প্রাদুর্ভাব লক্ষ্য করা যায়। এসব অঞ্চলে সব মিলিয়ে প্রায় ১০০টির বেশি দেশে ডেঙ্গুজ্বরের প্রকোপ এবং ডেঙ্গুর ৪টি ভিন্ন ধরনের ভাইরাসের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, প্রতিবছর এসব দেশের প্রায় ৫ কোটি মানুষ ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়।
চিয়াং মাই বিশ্ববিদ্যালয়, ন্যাশনাল সেন্টার ফর জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি এবং মাহিডোল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞরা একটি হাইব্রিড ভাইরাস তৈরি করেছেন, যার নাম শিমেরিক লাইভ অ্যাটেনুয়েটেড ভ্যাকসিন। এটি ডেঙ্গুজ্বরের চার ধরনের ভাইরাসকে প্রতিরোধ করতে সক্ষম হবে বলে জানানো হয়েছে।
এই ভ্যাকসিন বাজারে ছাড়তে প্রয়োজন প্রায় ১০ কোটি ডলার। এ বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতে এগিয়ে এসেছে বায়োটেকনোলজি কোম্পানি বায়ো-নেট এশিয়া। প্রতিষ্ঠানের প্রেসিডেন্ট ভিটুন ভংসাঙ্গুল বলেন, আমরা মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিগুলোর মতো নই। আমরা চাচ্ছি এই ভ্যাকসিন খুব সাধারণ মানুষের হাতে পৌঁছাক।
সুত্র

বায়ো-নেট এশিয়াকে প্রাণ ঢালা শুভেচ্ছা জানাচ্ছি সেই সাথে এই গবেষনার সাথে জড়িত সকল বিজ্ঞানীদের জানাই আন্তরিক সাধুবাদ।  thumbs up