http://series60.kiev.ua/uploads/posts/2011-01/1295894478_1242954.jpg


ইন্টারনেটে ভিডিও চ্যাট করার জন্য কম্পিউটারে ওয়েবক্যাম থাকতে হয়। ভিডিও চ্যাটে কথা বলার পাশাপাশি একে অন্যের ছবি (ভিডিও) দেখার সুযোগ রয়েছে। ওয়েবক্যামের মাধ্যমে ধারণ করা ভিডিও অন্য প্রান্তের ব্যবহারকারীর কাছে পৌছে। যাঁদের ওয়েবক্যাম নেই, তাঁরা মোবাইলকে ওয়েবক্যাম হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। নকিয়ার যেসব হ্যান্ডসেটে অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে সিমবিয়ান তিন থেকে সংস্করণ পাঁচ পর্যন্ত ব্যবহার করা হয়েছে, সেসব হ্যান্ডসেটে এ সুবিধা পাওয়া যাবে। সুবিধাটি পাওয়ার জন্য 'মবিওলা ওয়েবক্যাম' নামের একটি সফটওয়্যার মোবাইলে ইনস্টল করে নিতে হবে।
http://www.ziddu.com/download/15042142/ … 3.rar.html অথবা http://www.mediafire.com/?1wo064513zm2d3i সাইট থেকে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করা যাবে। কম্পিউটারে ইনস্টল করে মোবাইলের রেজিস্ট্রেশন লাইসেন্স বের করতে হবে। এ জন্য কম্পিউটারে সফটওয়্যারটির 'প্যাচ' ইনস্টল করার পর ইউএসবি কেবল দিয়ে মোবাইলটি কম্পিউটারে সংযুক্ত করতে হবে। তাহলে মোবাইল ফোনটিই কম্পিউটার ওয়েবক্যাম হিসেবে দেখাবে। ভিডিও চ্যাটিংয়ের সময় মোবাইলের ক্যামেরাও চলতে থাকবে।
যাঁরা ইউএসবি কেবল দিয়ে কম্পিউটারের সঙ্গে মোবাইল সংযুক্ত করার ঝামেলায় যেতে চান না, তাঁরা ব্লুটুথের মাধ্যমেও কম্পিউটারের সঙ্গে মোবাইল সংযুক্ত করতে পারেন। এ জন্য www.warelex.com থেকে ওয়্যারলেক্স সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিন।
সুত্রঃ কালেরকন্ঠ

জনপ্রিয় ইন্টারনেট ব্রাউজার ফায়ারফক্স একটি মুক্ত সফটওয়্যার। তাই এর আপডেটও হয় দ্রুত। ফায়ারফক্স বাড়তি সুবিধা পেতে হলে মূল ব্রাউজারের সঙ্গে অতিরিক্ত 'অ্যাড-অনস' যুক্ত করে নিতে হয়।

যাঁরা ফায়ারফক্সে নতুন সংস্করণ ডাউনলোড করেন, তাঁদের ব্রাউজারে পুরনো অ্যাড-অনস সমর্থন করে না। তাই এর নতুন সংস্করণ বাজারে আসার সঙ্গে সঙ্গে অধিকাংশ নির্মাতাই তাঁদের তৈরি অ্যাড-অনস আপডেট করে ফেলেন। তবে যেগুলো আপডেট করা হয় না, সেগুলো ব্যবহার করতে গিয়ে ব্যবহারকারী সমস্যায় পড়েন। যেমন ফায়ারফক্স ৩.৫-এ আগের অ্যাড-অনসগুলো কাজ করে না। এ ক্ষেত্রে ফায়ারফক্সে এএক্সটেনশন চেকিং ফিচারটি বন্ধ করে দিলেই আপডেটেড ফায়ারফক্স নতুন-পুরনো অ্যাড-অনস ব্যবহার করতে পারবেন। এ জন্য ফায়াফক্সে অ্যাড্রেস বারে গিয়ে লিখুন about:config। এরপর Enter বাটন চাপুন। এবার যে পৃষ্ঠাটি আসবে সেখানে I'll carefull, I promise! বাটনে ক্লিক করতে হবে। এবার যেকোনো জায়গায় মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে মেন্যু থেকে New > Boolean এ ক্লিক করতে হবে। New Boolean value থেকে extensions.checkCompatibility - এর নিচে False নির্বাচন করে Enter করুন। এরপর আপনার আপডেটেড ফায়ারফক্সে পুরনো অ্যাড-অনসও ব্যবহার করতে পারবেন।

সুত্রঃ কালেরকন্ঠ

http://www.dailykalerkantho.com/admin/news_images/538/image_538_158647.jpg


রিপন রায়হান

কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য সংযোগের পাশাপাশি ব্রাউজার সফটওয়্যার থাকাও জরুরি। কোনো সফটওয়্যার ছাড়া ওয়েবসাইট দেখা সম্ভব নয়। এটি বেশ সহজলভ্য সফটওয়্যার। সাধারণত অপারেটিং সিস্টেমের সঙ্গে 'ডিফল্ট' একটি ব্রাউজার থাকে। এ ব্রাউজারে কেউ স্বচ্ছন্দ না হলে ইন্টারনেট থেকে পছন্দসই ব্রাউজার ডাউনলোড করেও ব্যবহার করতে পারেন। ব্রাউজারগুলোর মধ্যে মজিলা ফায়ারফঙ্, ইন্টারনেট এঙ্প্লোরার, গুগল ক্রোম, সাফারি ও অপেরা রয়েছে জনপ্রিয়তার শীর্ষে। খুব বেশি প্রচলিত নয় কিন্তু বিশেষ সুবিধার কারণে আলোচিত এমন কিছু ব্যতিক্রমী ব্রাউজারও ইন্টারনেটে পাওয়া যায়।

শিশুদের জন্য কিডরকেট
বিভিন্ন বিষয়ে জানার জন্য ইন্টারনেটে রয়েছে বিশাল তথ্যভাণ্ডার। শিশুদের জানার মতোও অনেক কিছু আছে ইন্টারনেটে। উন্নত দেশগুলোয় তাই শিশুদের খুব কম বয়স থেকেই ইন্টারনেট ব্যবহার করতে দেওয়া হয়। ইন্টারনেটের প্রতি শিশুদের আগ্রহ বাড়াতে তাই তাদের উপযোগী স্বতন্ত্র ইন্টারনেট ব্রাউজারও তৈরি করা হয়েছে! এ ব্রাউজারের নাম 'কিডব্রাউজার'। শিশুদের কাছে যাতে আকর্ষণীয় হয়, সেভাবেই ডিজাইন করা হয়েছে এটি। এতে স্থায়ীভাবে যুক্ত করা হয়েছে বিশেষ 'ড্রয়িং টুলস'। শিশুদের কাছে আকর্ষণীয় ওয়েবসাইটগুলোর বিভিন্ন ফিচারও এতে টুলস আকারে যুক্ত করা হয়েছে। নিকেলোডিওন, পিবিএস কিডস ও বারবির মতো ওয়েবসাইট_যেগুলোর নাম শুনতেই শিশুরা আনন্দে আত্মহারা, সেগুলো পড়া যাবে এসব টুলস থেকেই। শিশুরা যদি ব্রাউজারটি ব্যবহার করতে গিয়ে কোনো বিভাগ বন্ধ করে ফেলতে না পারে, সে জন্য এতে রয়েছে 'লক' অপশন। এর মাধ্যমে একটি মাস্টারপাসওয়ার্ডের মাধ্যমে সেটিংসগুলো নিয়ন্ত্রিত হবে। আপনার শিশুকেও এ ব্রাউজার ইনস্টল করে দিতে পারেন। http://bit.ly/kXaurw  ওয়েবসাইট থেকে এটি বিনা মূল্যে ডাউনলোড করা যাবে।

রকমেল্ট
সামাজিক যোগাযোগ সাইট ফেইসবুকে শেয়ার হওয়া তথ্যের এক-চতুর্থাংশই লিংক। মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটারে লিংক শেয়ারিংয়ের পরিমাণ প্রায় ৮০ শতাংশ। ওয়েবসাইট ভিজিট করার সময়ই ব্যবহারকারীরা বেশির ভাগ লিংক শেয়ার করে থাকে। সে হিসেবে জনপ্রিয় ব্রাউজারগুলো একেবারেই সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং-বান্ধব নয়। আর এ অসুবিধা দূর করতে সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সহায়ক ব্রাউজার হিসেবে 'রকমেল্ট' বেশ কার্যকর। এতে সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং-বান্ধব বেশ কিছু ফিচার রয়েছে। ব্রাউজারটি তৈরি করেছে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফার্ম অ্যান্ড্রিসেন হরোউইজ। রকমেল্ট ব্রাউজার ব্যবহারের অভিজ্ঞতা হবে ঠিক ফেইসবুক ব্যবহারের মতোই। এর সেটিংস, বুকমার্কসগুলোও অনলাইনে সংগৃহীত থাকে। www.rockmelt.com ওয়েবসাইট থেকে ব্রাউজারটি ডাউনলোড করে ব্যবহার করা যাবে। এটি এইচটিএমএল ৫ এবং সিএসএস ৩ সমর্থন করে।

থান্ডারবার্ড!
ই-মেইল পরীক্ষার জন্যও আলাদা ব্রাউজার রয়েছে! অবশ্য একে ব্রাউজার না বলে কেউ কেউ আবার ই-মেইল ক্লায়েন্টও বলেন। সফটওয়্যারটির বড় সুবিধা এতে ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে একসঙ্গে একাধিক ই-মেইল লগ-ইন রাখা যায়। মেইলগুলোকে লোকাল ড্রাইভে সংরক্ষণ করেও রাখা যায়। রয়েছে এক ক্লিকে অ্যাড্রেসবুকে মেইল অ্যাকাউন্ট যুক্ত করার সুবিধা। এর অ্যাটাচমেন্ট রিমাইন্ডার ফিচারটি মেইল লেখার সময় অ্যাটাচমেন্টের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত কোনো শব্দ টাইপ করলে ব্যবহারকারীকে অ্যাটাচমেন্ট যুক্ত করার কথা মনে করিয়ে দেবে। এ ছাড়া দ্রুত কাজের সুবিধার্থে এতে রয়েছে কুইক ফিল্টার টুলবার, ট্যাবস, সার্চ, মেসেজ আর্কাইভ, নিত্যনতুন থিম এবং স্ক্রিনে থান্ডারবার্ডকে সাজানোর সুবিধা।
সফটওয়্যারটির সবচেয়ে আকর্ষণীয় ফিচার হলো এর 'অ্যাড-অন্স' ম্যানেজার। এতে পছন্দসই অ্যাড-অন্স যোগ করে থান্ডারবার্ডকে আরো ব্যবহার উপযোগী করে তোলা যাবে। ফায়ারফঙ্রে মতো থান্ডারবার্ডের জন্যও রয়েছে অসংখ্য প্লাগিন্স। এ ছাড়া রয়েছে জাংক মেইল শনাক্ত করা, রোবাস্ট প্রাইভেসি, ফিশিং প্রটেকশন, অটোমেটিক আপডেটসহ নানা সুবিধা। http://bit.ly/ki1fns  থেকে এটি বিনা মূল্যে ডাউনলোড করা যাবে।

প্রতিবন্ধীদের ব্রাউজার!
প্রযুক্তির অগ্রযাত্রার যুগে প্রতিবন্ধীদের সুবিধার্থে রয়েছে 'ব্রেইলসার্ফ ৪' ব্রাউজার। যারা চোখে দেখতে পারে না বা কম দেখে, তাদের কাজে আসবে ব্রাউজারটি। ব্রাউজারটি ওয়েবের তথ্য একটি টেঙ্ট ফর্মে প্রকাশ করে। এরপর সেটি ব্রেইলবারে প্রদর্শিত হয় অথবা প্রয়োজনীয় যন্ত্রের মাধ্যমে পড়ে দেয়। এ ছাড়া প্রয়োজন অনুসারে এটি প্রয়োজনীয় বার্তাকে টেঙ্টকে উপস্থাপন করে। বিশ্বের কয়েকটি ভাষায় ব্রাউজারটি ব্যবহার করা যায়। ব্রাউজারটি উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে
ব্যবহার করা যায়। প্যারিসের 'পিয়েরে অ্যাট মেরি কুরি' বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল ডেভেলপার এটি তৈরি করেছেন। http://bit.ly/jbReOt  থেকে ব্রাউজারটি ডাউনলোড করা যাবে।
সুত্রঃ কালেরকন্ঠ

http://www.imaging-resource.com/PRODS/D5100/ZURFRONT.JPG


কেউ শখ করে ছবি তোলেন। কারো জীবিকাই ছবি তোলা। ব্যবহারের কারণ যা-ই হোক না কেন, ক্যামেরা কেনার দিকে এখন অনেকেই ঝুঁকছেন। কিন্তু কোনো একটা ক্যামেরা কিনে ফেললেই তো আর হলো না। প্রয়োজনের কথা মাথায় রেখে জেনে-বুঝে কেনাটাই ভালো।

কয়েক বছর আগেও 'এক্সোপোজড ফিল্ম' ক্যামেরায় ভরে ছবি তোলা হতো। ছবি কেমন হলো, তা দেখার জন্য অপেক্ষা করতে হতো স্টুডিওর অন্ধকার ঘরে ফিল্ম 'ডেভেলপ' হয়ে বের হয়ে আসা পর্যন্ত। এখন দিন বদলেছে। বেশির ভাগ মানুষই এখন ডিজিটাল ক্যামেরায় ছবি তোলে। এতে ছবি তোলা খুবই সহজ। লাইভ ভিউয়ের মাধ্যমে ছবি কেমন আসবে, তাও আগে দেখে নেওয়া যায়। রেজ্যুলেশন, পিঙ্লে, মেমোরি কার্ড, এলসিডি ডিসপ্লেসহ সুবিধার ওপর নির্ভর করে ক্যামেরা নির্বাচন করা উচিত। এসব সুবিধার ওপরই নির্ভর করছে ক্যামেরার দাম কত হবে।

চাহিদা বুঝে ক্যামেরা

বসুন্ধরা সিটি শপিং মলের সনি ক্যামেরা বিক্রেতা বদরুদ্দোজা মাহমুদ জানান, পেশাগত নাকি শুধু শখের বশে ছবি তুলতে চান, তার ওপরই নির্ভর করবে কোন ক্যামেরা আপনার প্রয়োজন। যদি শখের বশে হয়, তাহলে 'পয়েন্ট অ্যান্ড শ্যুট' ক্যামেরাই যথেষ্ট। বর্তমানে যেসব মধ্যম সারির পয়েন্ট অ্যান্ড শ্যুট পাওয়া যায় তাতে ফিঙ্ড লেন্সে ডিএসএলআরের কিছু সুবিধাও যোগ করা হয়েছে। ক্যামেরাগুলো দামে বেশ সস্তা, ওজনেও বেশ হালকা। বাড়তি লেন্সের ঝামেলা নেই। তাই এটি নিয়ে সহজেই ঘুরে বেড়ানো যায়। এমনকি পকেটে পুরেও! সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য তাই পয়েন্ট অ্যান্ড শ্যুট ক্যামেরাই উপযোগী। যাঁরা পেশাগত কাজে ক্যামেরা কিনতে চান, তাঁদের প্রয়োজন সর্বোচ্চ সুবিধাসম্পন্ন ডিজিটাল ক্যামেরার। যেটাতে ম্যানুয়াল ও অটোমেটিক_দুই মুডেই ছবি তোলার সুযোগ থাকবে; শাটার স্পিড, অ্যাপারচার, ফোকাস_এসব থাকবে। সাধারণত ডিজিটাল এসএলআর ক্যামেরায় এসব সুবিধা আছে।

মেগাপিক্সেল গুরুত্বপূর্ণ নয়
ফটোগ্রাফার মেসবাহ উদ্দিন ফাহাদ জানান, মেগাপিক্সেল যত বেশি হয়, ক্যামেরায় ছবির মানও তত ভালো হয়_এমনটিই মনে করে বেশির ভাগ মানুষ। তবে মেগাপিক্সলর সঙ্গে ছবির মানের সম্পর্ক খুব একটা নেই। ক্যামেরার মেগা্পিক্সেল বেশি হওয়া মানে ওই ক্যামেরার ছবির সাইজ বেশি বড় আসবে। মাত্র পাঁচ মেগাপিক্সলর ক্যামেরায়ই ১২ বাই ১৮ ইঞ্চি মাপের ছবি প্রিন্ট নেওয়া যায়। তাই পাঁচ মেগাপিক্সলর ক্যামেরাকেই স্ট্যান্ডার্ড বলা যায়। ক্যামেরা কেনার সময় তাই মেগাপিক্সলর দিকে চোখ না দিয়ে ক্যামেরায় অন্য কী সুবিধা আছে, সেদিকে নজর দেওয়া উচিত।

দেখে নিন আইএসও
আলো কম থাকলে, জুম করলে কিংবা হাত কাঁপা অবস্থায় ছবি তুললে তা ঝাপসা হয়ে যায়। আইএসওর গতি বেশি থাকলে এ ঝামেলা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। ক্যামেরা কেনার সময় তাই আইএসওর গতি পরখ করে নেওয়া উচিত।
আইএসওর গতি বেশি হলে কম আলোয়ও ভালো ছবি তোলা যায়। এ ক্ষেত্রে ক্যামেরার শাটার স্পিডও বেশি থাকে। তাই কম আলোয়ও ছবি তুললে ঝাপসা হওয়ার আশঙ্কা কমে যায়।
ক্যামেরার ইমেজ স্ট্যাবিলাইজেশন আরেকটি জরুরি বিষয়। ইমেজ স্ট্যাবিলাইজেশন থাকলে ক্যামেরা হালকা কেঁপে গেলেও ছবি ঝাপসা হয় না। তাই ক্যামেরায় ইমেজ স্ট্যাবিলাইজেশন আছে কি না, তা অবশ্যই দেখে নিতে হবে।

অপটিক্যাল জুম

দূরের বস্তুকে কাছ থেকে দেখার জন্য ক্যামেরায় জুম ব্যবহার করা হয়। দূরের ছবি তোলার জন্য জুম তাই গুরুত্বপূর্ণ। আলোকচিত্রী রাসেল আহমেদ জানান, ক্যামেরায় সাধারণত দুটি জুম থাকে। একটি ডিজিটাল, আরেকটি অপটিক্যাল জুম। অপটিক্যাল জুমই দূরের বিষয়কে ক্যামেরায় কাছে দেখায়। কমপক্ষে ৮ এঙ্ জুম আছে এমন ক্যামেরা কেনা ভালো।

ম্যানুয়াল কন্ট্রোল
ফটোগ্রাফার শ্রাবণ রেজা জানান, এসএলআর ক্যামেরায় ম্যানুয়াল কন্ট্রোল থাকে। এতে শাটার স্পিড (সেন্সরে কতক্ষণ ধরে আলো পড়বে), অ্যাপারচার (সেন্সরে কী পরিমাণ আলো পড়বে), আইএসও স্পিড (সেন্সরের সংবেদনশীলতা), ফোকাস_এসব নিজের মতো বদলানো যায়। পয়েন্ট অ্যান্ড শ্যুট ক্যামেরায় এগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবেই ঠিক হয়।

কেমন হবে ফোকাস?
ফিঙ্ফোকাস ক্যামেরা সস্তা, তবে খারাপ নয়। এগুলোর ফোকাস করার ক্ষমতা স্থির বলে কিছু সীমাবদ্ধতা চলে আসে। অন্যদিকে অটো ফোকাস ক্যামেরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফোকাস করে। জুম লেন্স আছে এমন ক্যামেরায় অটো ফোকাস থাকাটা জরুরি। কিনলে অটো ফোকাসসহ কেনা উচিত।

বাজারদর
দেশের বাজারে 'পয়েন্ট অ্যান্ড শ্যুট' ৬ থেকে ১২ হাজার টাকার মধ্যে কেনা যাবে। যাঁরা একটু দূর থেকে ছবি তুলতে চান, তাঁদের জন্য সুপার জুমিং আছে এমন ক্যামেরাই কেনা উচিত। দেশের বাজারে সর্বনিম্ন ১৫ হাজার টাকায় এ ধরনের ক্যামেরা পাওয়া যায়। পেশাদারির জন্য যাঁরা ক্যামেরা কিনতে চান, তাঁদের জন্য রয়েছে ডিজিটাল এসএলআর ক্যামেরা। এসএলআর ক্যামেরার দাম সর্বনিম্ন ৩৫ হাজার টাকা।

দেখে নিন রিভিউ
ক্যামেরা কেনার আগে ইন্টারনেট থেকে রিভিউ দেখে নিন। একসঙ্গে দু-তিনটি ওয়েবসাইট থেকে নির্দিষ্ট ক্যামেরার রিভিউ দেখলে ক্যামেরার কোয়ালিটি সম্পর্কে অভিজ্ঞদের কাছ থেকে বিস্তারিত জানা যাবে। এখানে পেয়ে যাবেন ব্যবহারকারীদের মন্তব্যও। www.dpreview.com, www.reviews.cnet.com/digital-cameras, www.whatdigitalcamera.com,
www.trustedreviews.com,   www.cameralabs.com, www.pcmag.com/reviews/digital-cameras,
www.digitalcamerainfo.com সাইটগুলো ক্যামেরা রিভিউয়ের জন্য বেশ নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট।

ক্যামেরা কিনবেন কোথা থেকেঃ

আমাদের দেশে শুধু ক্যামেরার জন্য আলাদা কোনো বাজার গড়ে ওঠেনি। তবে কম্পিউটার মার্কেটগুলোতে সাধারণত ক্যামেরা পাওয়া যায়।বাংলাদেশে 'ক্যানন' ক্যামেরার পরিবেশক জেএএন অ্যাসোসিয়েটস। রাজধানীর আগারগাঁওয়ের আইডিবি ভবনে তাদের শোরুম রয়েছে। ক্যানন ক্যামেরার খোঁজখবর এখান থেকেই পাওয়া যাবে। প্যানাসনিকের পরিবেশক এসিআই লিমিটেড। বসুন্ধরা সিটি শপিং মলে তাদের একটি শোরুম আছে। সনি ক্যামেরার পরিবেশক Ranks ইলেকট্রনিক্স। ক্যামেরার খোঁজ পেতে সনির শোরুমে যেতে হবে। এ ছাড়া আইডিবি ভবনের বিসিএস কম্পিউটার সিটির অনেক দোকানে প্রচলিত প্রায় সব ব্র্যান্ডের ক্যামেরাই পাওয়া যাবে। ক্যামেরার জন্য সুনাম আছে এমন কয়েকটি দোকান বসুন্ধরা সিটিতেও রয়েছে। এ মার্কেটের লেভেল ৬-এ রয়েছে সনি ব্রাভিয়া স্টোর। এ ছাড়া বায়তুল মোকাররম, এলিফ্যান্ট রোড ও স্টেডিয়াম মার্কেটে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ক্যামেরা পাওয়া যায়।
এছাড়া রায়ান'স থেকে নিতে পারেন অন্যান্য দোকানের চেয়ে কমে পাবেন। ক্লিকবিডি থেকেও নিতে পারেন ।

সুত্রঃ কালেরকন্ঠ

ভাইরাস আক্রমণ করেছে  thinking

অশরীরী সুর

হুমায়ূন আহমেদ

দুই বছর আগের কথা (জানুয়ারি, ২০০৯)। লেখার টেবিলে বসেছি। টেবিলে A4 সাইজের কাগজ আছে, বলপয়েন্ট আছে, চায়ের কাপ এবং কাপের পাশে সিগারেটের প্যাকেট আছে। সবচেয়ে বড় কথা, মাথায় গল্প আছে। লিখতে বসে দেখি, কলম চলছে না। শরীরের যে মাসলগুলো আঙুল চালায়, তারা আড়ষ্ট।
বাসায় রবি নামের একটি কাজের ছেলে আছে, তার দায়িত্ব শাওনের কুকুরের দেখাশোনা করা। আমার অবস্থা দেখে সে কোলের কুকুর ফেলে ছুটে এল। অনেকক্ষণ হাতে ম্যাসাজ করল। আঙুল টেনে দিল। হাতের আড়ষ্ট ভাব দূর হলো না। নিষাদ তার মাকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে আনন্দিত গলায় বলল, মা! বাবার একটা হাত নষ্ট হয়ে গেছে। একমাত্র শিশুরাই যেকোনো দুর্ঘটনায় আনন্দ পায়।
আমার পাশের ফ্ল্যাটে অন্যপ্রকাশের স্বত্বাধিকারী মাজহার থাকে। আমার ডান হাত অচল শুনে তার মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ল। সামনে বইমেলা। অন্যপ্রকাশের এখন কী হবে? মাজহার করিৎকর্মা মানুষ। আমার অবস্থা দেখে গাড়ি নিয়ে বের হয়ে গেল। এক ঘণ্টারও কম সময়ে ফিরে এল। না, ডাক্তার নিয়ে আসেনি। সে এসেছে একটা মিনি ক্যাসেট রেকর্ডার নিয়ে। ক্যাসেট রেকর্ডার চার ঘণ্টা চলবে।
আমি হাতে না লিখে মুখে মুখে বলব। গল্প বা উপন্যাস রেকর্ড হয়ে যাবে। মাজহারের লোকজন ক্যাসেট প্লেয়ার বাজিয়ে গল্প-উপন্যাস লিখে ফেলবে।
আমি চেষ্টা করলাম। একসময় লক্ষ করলাম, মূল গল্প থেকে সরে আবোলতাবোল কথা বলছি। ক্যাসেট প্লেয়ার বন্ধ করে দেওয়া হলো। বিকেলে গেলাম ডাক্তারের কাছে। তারা X-Ray সহ অনেক কিছু করল। ডাক্তাররা কিছু বের করতে পারল না।
কিন্তু আমি সমস্যা বের করে ফেললাম। মানসিক কোনো ব্যাপার ঘটেছে। ডান হাত দিয়ে আমি দিয়াশলাইয়ের কাঠি জ্বালাতে পারছি, কাগজে আঁকিবুঁকি করতে পারছি; কিন্তু লিখতে পারছি না। অর্থাৎ আমার মস্তিষ্ক চাইছে না যে আমি লিখি। মস্তিষ্ক চাইছে না বলেই সে হাতে লেখার কোনো সিগন্যাল পাঠাচ্ছে না। এর চিকিৎসা অত্যন্ত সহজ। মনকে নির্ভার করতে হবে। নুহাশপল্লীতে টানা কয়েক দিন থাকতে হবে। নুহাশপল্লীর বৃক্ষরাজি আমাকে সুস্থ করে তুলবে।
রাত ১২টায় সবাইকে নিয়ে গাড়িতে উঠলাম। তার আগে ছোট্ট একটা কাজ করলাম, মাজহারের ক্যাসেট রেকর্ডার চালু করে শোবার ঘরের খাটে রেখে দিলাম। শাওন বলল, এর মানে কী?
আমি বললাম, ক্যাসেট রেকর্ডারটা রাত ১২টা থেকে ভোর ৪টা পর্যন্ত আশপাশের সব শব্দ রেকর্ড করবে। অশরীরীরা যদি কোনো কথা বলে, তাও রেকর্ড হয়ে যাবে। ভূত-প্রেতের সঙ্গে এই পদ্ধতিতে যোগাযোগ করাকে বলে EVP (Electronic Voice Phenomena).
EVP নিয়ে পৃথিবীজুড়ে মাতামাতির শুরুটা করেন সুইডেনের একজন অপেরা গায়ক, নাম ফ্রেডরিখ জারগেনসন (Fredrich Jurgenson)। তিনি তাঁর স্টকহোমের বাড়ির জানালায় একটা রেকর্ডার বসান। তিনি চাইছিলেন পাখিদের গান রেকর্ড করবেন। গায়কের বাড়িটি গ্রামে। চারদিকে লোকালয় নেই। অতি নির্জন। গায়ক রেকর্ডার বসিয়ে শহরে চলে এলেন। শহরে নানা ব্যস্ততায় সারা দিন কাটিয়ে সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরলেন। রেকর্ডার চালালেন। সেখানে প্রচুর পাখির গান আছে, তবে তার সঙ্গে অদ্ভুত ব্যাপারও আছে। একটি পুরুষকণ্ঠ বলছে, 'পাখিরা রাতে গান করে।' অপেরা গায়ক হতভম্ব। পুরুষকণ্ঠ কোত্থেকে এল? তিনি দিনের পর দিন রাতের পর রাত শূন্য বাড়িতে ক্যাসেট রেকর্ডারে শব্দ রেকর্ড করতে থাকলেন। পুরুষকণ্ঠ আবারও পাওয়া গেল। সে এবার সরাসরি ফ্রেডরিখ এবং তাঁর কুকুর কেরিনো (carino)-কে উদ্দেশ্য করে কথা বলছে। ফ্রেডরিখ তাঁর অভিজ্ঞতা নিয়ে একটি বই লিখলেন। এই বই পড়ে উৎসাহিত হলেন লেটভিয়ান সাইকোলজিস্ট কনস্টানটিন রোদিভ (Konstantin Ravdive)। তিনি সত্তর হাজারের বেশি ভয়েস রেকর্ড করলেন। একটি বই লিখলেন, নাম Amazing Experiment in Electronic Communication with the dead.
বইটি বেস্ট সেলার হলো। পৃথিবীজুড়েই EVP নিয়ে হৈ চৈ শুরু হলো। নানা EVP সোসাইটি হলো। ইন্টারনেটের মাধ্যমে সোসাইটিরা যুক্ত হলো একে অন্যের সঙ্গে।
ভূতের সঙ্গে যোগাযোগের ব্যাপার ক্যাসেট রেকর্ডারের কারণে অনেক সহজ হয়ে গেল। একটি নির্জন বাড়ি, একটা ক্যাসেট রেকর্ডার।
এখন দেখা যাক বিজ্ঞান EVP নিয়ে কী বলে? EVP-কে সরাসরি ভুয়া বলে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না, কারণ ভূতের কথা তো রেকর্ড করা। বিজ্ঞান বলছে-
১. ক্যাসেট রেকর্ডারের রেডিও সিগন্যাল রিসিভার থাকে। রেকর্ডার মাঝেমধ্যে রেডিও সিগন্যাল রিসিভ করে বলে অশরীরী কণ্ঠ শোনা যায়।
২. ক্যাসেট রেকর্ডারের আশপাশে রাখা কোনো বস্তুও বেতারকেন্দ্রের সিগন্যাল ধরতে পারে। রেডিও সিগন্যাল রিসিভ করার যন্ত্র খুব সাধারণ। দুটি ধাতব বস্তু খুব কাছাকাছি এলেই হলো। সেমি কন্ডাকটার মানেই রেডিও সিগন্যাল রিসিভার। অনেকের দাঁতের ফিলিংও রেডিও সিগন্যাল রিসিভার হিসেবে কাজ করে। দাঁতের ভেতর থেকে রেডিও স্টেশনের কার্যক্রম শোনা যায়।
৩. EVP হিসেবে যেসব রেকর্ডিং পাওয়া যায়, তার সবই অর্থহীন হিজিবিজি শব্দ। মানুষ হিজিবিজি আওয়াজে অর্থ খুঁজে পায়। আকাশের মেঘের স্তূপ দেখে মানুষ কল্পনা করে এটা পাখি, এটা হাতি। শব্দের বেলাতেও একই রকম কল্পনা।
৪. পৃথিবীর আয়ানোস্ফেয়ারের অস্বাভাবিকতায় এক জায়গার শব্দ অন্য জায়গায় চলে যেতে পারে। কিছু কিছু EVP-র ক্ষেত্রে তা-ই হয়তো ঘটেছে।

নুহাশপল্লীতে তিন দিন কাটিয়ে আমি ঢাকায় ফিরলাম। হাত সচল হয়েছে। 'মধ্যাহ্ন' নামের উপন্যাস শুরু করেছি। ক্লান্তিহীন লেখা চলছে।
পাঠকরা নিশ্চয়ই জানতে আগ্রহী আমার অশরীরী কণ্ঠ রেকর্ড এক্সপেরিমেন্টের কী হলো? আমি বলতে চাইছি না। সব কিছু বলতে নেই।
'The ghost of Roger Casement
Is beating on the door.'
W. B. yeats

সুত্রঃ কালেরকন্ঠ

৩৩২

(৩ replies, posted in ভিন্ন জগত)

না এটা ঠিক আছে।

Jet screenshot ইউজ কর।

বেস্ট অফ লাক।

দারুন জিনিস।

৩৩৬

(১১ replies, posted in ই-বুক এলাকা)

Clinical Ophthalmology - 6th Edition - Jack Kanski (CHM Version)

http://allaboutim.webs.com/Clinical%20Ophthalmology%20-%20A%20Systematic%20Approach%20-%206th%20Edition%20-%20Jack%20Kanski.jpg

    SOURCE :
        Clinical Ophthalmology - 6th Edition

    AUTHORS :
        Jack J. Kanski, MD, MS, FRCS, FRCOphth
            Honorary Consultant - Ophthalmic Surgeon - Prince Charles Eye Unit - King Edward VII Hospital - Windsor

    SUMMARY :
        Clinical Ophthalmology has been a trusted reference through five editions for thousands of students and practitioners. Established as one of the world's leading ophthalmic resources it has now been updated for a new generation of readers with online materials including full text, downloadable images and self-assessment tools. These and many additional features ensure its continuing place as a leading textbook in its field.

Download:        Depositefile         6ybh

৩৩৭

(১১ replies, posted in ই-বুক এলাকা)

Ganong's Review of Medical Physiology - 23rd Edition

http://allaboutim.webs.com/Ganong%27s%20Review%20of%20Medical%20Physiology%20-%2023rd%20Edition.jpg


    SOURCE :
        Ganong's Review of Medical Physiology - 23rd Edition

    AUTHORS :
        Kim E. Barrett, PhD
            Professor - Department of Medicine - Dean of Graduate Studies - University of California, San Diego - La Jolla, California
        Susan M. Barman, PhD
            Professor - Department of Pharmacology/Toxicology - Michigan State University - East Lansing, Michigan
        Scott Boitano, PhD
            Associate Professor, Physiology - Arizona Respiratory Center - Bio5 Collaborative Research Institute - University of Arizona - Tucson, Arizona
        Heddwen L. Brooks, PhD
            Associate Professor - Department of Physiology - College of Medicine - University of Arizona - Tucson, Arizona

    SUMMARY :
        We are very pleased to launch the 23rd edition of Ganong's Review of Medical Physiology. The current authors have attempted to maintain the highest standards of excellence, accuracy, and pedagogy developed by Fran Ganong over the 46 years in which he educated countless students worldwide with this textbook.
        At the same time, we have been attuned to the evolving needs of both students and professors in medical physiology. Thus, in addition to usual updates on the latest research and developments in areas such as the cellular basis of physiology and neurophysiology, this edition has added both outstanding pedagogy and learning aids for students.
        We are truly grateful for the many helpful insights, suggestions, and reviews from around the world that we received from colleagues and students. We hope you enjoy the new features and the 23rd edition!
        This edition is a revision of the original works of Dr. Francis Ganong.
        New 4 Color Illustrations
        We have worked with a large team of medical illustrators, photographers, educators, and students to build an accurate, up-to-date, and visually appealing new illustration program. Full-color illustrations and tables are provided throughout, which also include detailed figure legends that tell a short story or describes the key point of the illustration.
        New Boxed Clinical Cases
        Examples of diseases illustrating important physiological principles are provided in boxed Clinical Cases.

Download :  Depositefile           6ybh

৩৩৮

(১১ replies, posted in ই-বুক এলাকা)

Manual of Nephrology - 7th Edition

http://allaboutim.webs.com/Manual%20of%20Nephrology%20-%207th%20Edition.jpg


    SOURCE :
        Manual of Nephrology - 7th Edition

    AUTHORS :
        Robert W. Schrier MD
            Professor of Medicine - Division of Renal Disease and Hypertension - University of Colorado - Health Sciences Center - Aurora, Colorado

    SUMMARY :
        The seventh edition of the Manual of Nephrology continues to focus on the practical clinical aspects of the diagnosis and management of patients with electrolyte and acid-base disorders, urinary tract infections, kidney stones, glomerulonephritis and vasculitis, acute or chronic renal failure, hypertension, hypertension and renal disease in pregnancy, and drug dosing with renal impairment. Because of the growing number of patients with end-stage renal disease (ESRD), separate chapters are now included on treatment by chronic renal replacement therapy with dialysis and kidney transplantation. The Manual of Nephrology should continue to be of excellent clinical value for those caregivers encountering patients with the above disorders. This would include house officers, medical students, primary care physicians, nephrology fellows, nurse practitioners, and busy subspecialists outside of nephrology.
        I am very appreciative of the outstanding contributions by the authors who have made every effort to update each chapter with recent advances in the diagnosis and management of the spectrum of hypertensive and kidney disorders. This includes adding several new authors who are outstanding clinician-educators. The Manual of Nephrology is again dedicated to Professor Hugh de Wardener who has made enormous contributions to the fields of hypertension and nephrology as a clinician, scientist, and educator for over 60 years.

Download:  Depositefile         6ybh

৩৩৯

(১১ replies, posted in ই-বুক এলাকা)

Endocrine Secrets - 5th Edition

http://allaboutim.webs.com/Endocrine%20Secrets%20-%205th%20Edition%20%20.jpg

    SOURCE :
        Endocrine Secrets - 5th Edition

    AUTHORS :
        Michael T. McDermott

    SUMMARY :
        Completing the fifth edition of Endocrine Secrets is immensely satisfying to me. Most of the authors in this edition are the same individuals who wrote these chapters for the first edition in 1995. Their clinical experience, teaching expertise, and sage advice have grown so much richer over these years; this is reflected very clearly in the depth and quality of these present chapters. I am deeply grateful to them for contributing so much time, energy, and talent to the many students, house staff, fellows, and lifelong learners who have benefited from their efforts over the years.
        Michael T. McDermottI have also celebrated the opportunity to welcome new authors with each successive edition, ensuring that the tradition of teaching excellence will be passed on to new generations of equally talented and dedicated professionals. I am equally indebted to them for their generous efforts and valuable contributions. I hope once again that this book not only will instruct us and help us to take better care of our patients but will also highlight for us the privilege it is to provide healthcare to our patients, the honor it is to teach our colleagues-in-training, and the adventure it is to discover new findings that can make life better for us all.

Download:          Depositefile         6ybh

৩৪০

(১১ replies, posted in ই-বুক এলাকা)

Handbook Of Diagnostic Endocrinology

http://allaboutim.webs.com/Handbook%20of%20Diagnostic%20Endocrinology.jpg


    SOURCE :
        Handbook Of Diagnostic Endocrinology

    AUTHORS :
        JANET E. HALL, MD
            Massachusetts General Hospital, Boston, MA
        LYNNETTE K. NIEMAN, MD
            National Institute of Child Health and Human Development, National Institutes of Health, Bethesda, MD

    SUMMARY :
        The aim of the Handbook of Diagnostic Endocrinology is to provide a com- prehensive overview of current approaches to the diagnosis of endocrine disor- ders. Our ability to diagnose patients with diseases of the endocrine systems is expanding exponentially with the development of new and more reliable assay methods and the incorporation of both molecular and genetic approaches into our understanding of the pathophysiology of these diseases. Although the pri- mary focus of this volume is on the diagnosis of endocrine disease, the vast majority of endocrine diseases require long-term management; therefore, many of the chapters also discuss approaches to follow-up in these patients.
        The Handbook of Diagnostic Endocrinology comprises 16 chapters. Immu- noassays have long been the cornerstones of endocrine diagnoses. As an impor- tant background, Sabrina Gill, Frances Hayes, and Patrick Sluss discuss the many methodological advances that have expanded our repertoire of diagnostic tests. With the increased number of tests available for endocrine evaluation, it is incumbent that we understand the factors that affect assay performance and their impact on our ability to use these tools to aid in clinical diagnosis. Joseph Verbalis reviews the regulatory mechanisms underlying water and sodium metabolism and presents a comprehensive approach to disorders of body fluids, which are among the most commonly encountered problems in clinical medicine.
        Mary Lee Vance outlines the diagnosis and long-term followup of patients presenting with pituitary tumors, and Lynnette Nieman provides an approach to the diagnosis and differential diagnosis of Cushing’s syndrome that includes a critical appraisal of available tests. Although endocrine causes of hypertension occur in only 10% of hypertensive subjects, this small fraction represents a large number of patients. Jennifer Lawrence and Robert Dluhy present a thoughtful and efficient approach to the diagnosis of these disorders. Anastassios Pittas and Stephanie Lee then update the approach to the diagnosis of thyroid disease, including an important discussion of currently available assays.
        Regina Castro and Hossein Gharib present a cost-effective approach to evaluation of the com- mon problem of thyroid nodules and discuss the preoperative evaluation and postoperative followup of patients with thyroid cancer. Allison Goldfine pro- vides an overview of the diagnosis of the various forms of diabetes and a com- prehensive discussion of long-term monitoring of the primary disease and its complications. Robert Ratner reviews the important area of gestational diabetes, both its diagnosis and consequences, and John Service presents a clear approach to the diagnosis of hypoglycemia. William Donahoo, Elizabeth Stephens, and Robert Eckel provide a thorough discussion of the modalities that are currently available for the assessment of dyslipidemia and obesity.
        Benjamin Leder and Joel Finkelstein then review calcium metabolism and present a logical approach to the diagnosis of hyper- and hypocalcemia. Patrick Doran and Sundeep Khosla discuss the spectrum of osteoporosis and an approach to diagnosis and long-term followup based on the currently available tools. Margaret Wierman reviews the normal physiology of the hypothalamic–pituitary–testicular axis and the physi- ology of erection, both of which are critical to the approach to evaluation of hypogonadism and erectile dysfunction. Drew Tortoriello and Janet Hall then discuss the physiology of normal menstrual function as a backdrop to their approach to the evaluation and long-term followup of women with disorders of menstrual function. Ricardo Azziz completes this volume with a practical and focused discussion of the evaluation of androgen excess in women.
        In Handbook of Diagnostic Endocrinology we provide the reader with a concise approach to the diagnosis of endocrine disorders that is based on an understanding of their pathophysiology and includes both clinical manifesta- tions and the most current laboratory tests available. This work will serve as a reference for students and fellows in training as well as an update for practicing endocrinologists and internists.

Download:          Depositefile             6ybh

৩৪১

(১১ replies, posted in ই-বুক এলাকা)

Last's Anatomy - 9th Edition - McMinn

http://allaboutim.webs.com/Last%27s%20Anatomy%20-%209th%20Edition%20-%20McMinn.jpg


    SOURCE :
        Last's Anatomy - 9th Edition

    AUTHORS :
        R. M. H. McMinn

    SUMMARY :
        For this edition there has been extensive revision in many areas, with many additions on the clinical and applied aspects of the sbject, and innumberable textual changes throughout in the interests of clarity and accuracy.
        Students with future interests in orthopaedics may not feel disposed to get too excited about the pontine paramedian reticular formation, nor the budding opthalmologist with the axis of inversion and eversion of the foot, but both are part of the rich anatomical tapestry of the body whose normal form and function matter to all.

Download:       Depositefile                   6ybh

৩৪২

(১১ replies, posted in ই-বুক এলাকা)

Williams Hematology - 8th Edition

http://allaboutim.webs.com/Williams%20Hematology%20-%208th%20Edition.jpg


    SOURCE :
        Williams Hematology - 8th Edition

    AUTHORS :
        Kenneth Kaushansky, MD
           
        Ernest Beutler, MD
         
        Uri Seligsohn, MD
           
        Marshall A. Lichtman, MD
           
        Thomas J. Kipps, MD, PhD
           
        Josef T. Prchal, MD
           
    SUMMARY :
        The rate of growth in our understanding of diseases of blood cells and coagulation proteins provides a challenge for the editors of a comprehensive textbook of hematology. The sequencing of individual genomes and the acquisition of knowledge in proteomics, metabolomics, and all the other burgeoning "-omics" fields as applied to hematologic disorders have accelerated the understanding of the pathogenesis of the diseases of our interest. The rate at which basic knowledge in molecular and cell biology and molecular immunology has been translated into improved diagnostic and therapeutic methods is equally impressive. Specific molecular targets for therapy in a myriad of hematological disorders have become reality, and it is not hyperbole to state that hematology has become the poster child for the rational design of therapeutics throughout all of medicine.
        This edition of Williams Hematology includes many changes, we believe, for the better. Each chapter has been extensively revised or rewritten to provide the most current information available. Two new chapters have been added, Chapter 10 entitled Epigenetics and Genomics, to reflect the growing importance of this basic science in hematology, and Chapter 28 entitled Principles of Multipotential Cell Therapy for Tissue Replacement. In addition, several chapters have been divided, most notably the single chapter on non-Hodgkin lymphoma has been split into its constituent diseases, and the chapters on erythrocytosis and thrombocytosis have been divided into the myeloproliferative and reactive forms, to reflect our growing understanding of the pathophysiology of these disorders and more targeted approaches to their therapy. Recognizing that at the heart of hematology is blood and marrow cell morphology, we have incorporated most of the collection of 274 images that appeared in a separate section of color plates in the 7th edition (as well as additional images) into the relevant topics in each chapter, allowing far easier access to highly informative illustrations and cellular morphology.

Download link:        Depositefile                       6ybh

আমি তো লিনাক্স ব্যবহার করি । ওখানে তো লিনাক্স এর কোন কথা নেই।

আমার কাছে ৩২ বিটের টা ছিল সেটা আপলোড করে দিয়েছি। ৬৪ এর টা নেই। symphony বেটারা এটা কি করল?

ফুলে ফুলে বিদায় দিলেন !!! আহা রে

মনে রাখা মুশকিল এতগুলো।

http://www.dailykalerkantho.com/admin/news_images/531/image_531_156511.jpg

সেফটি স্ক্যানার
কম্পিউটারের নিরাপত্তার জন্য মাইক্রোসফটের 'সেফটি স্ক্যানার' টুলটি খুবই কার্যকর। 'সেফটি স্ক্যানার' ব্যবহার করে কম্পিউটার থেকে ভাইরাস, স্পাইওয়্যার এবং ম্যালিসিয়াসের মতো ক্ষতিকর প্রোগাম মুছে ফেলা যায়। প্রচলিত অ্যান্টিভাইরাসের সঙ্গে এর কিছু পার্থক্য আছে। অ্যান্টিভাইরাসগুলো শুধু পিসি স্ক্যান করে, আর সেফটি স্ক্যানার পিসি স্ক্যানের পাশাপাশি অপারেটিং সিস্টেমের বাড়তি নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
টুলটি প্রথমে www.microsoft.com/security/scanner/en-us/default.aspx সাইট থেকে ডাউনলোড করে কম্পিউটারে ইনস্টল ও চালু করতে হবে। এরপর কোন পদ্ধতিতে স্ক্যান করতে চান তা নির্বাচন করে দিলেই হলো।
কম্পিউটারের গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো দ্রুত স্ক্যান করার জন্য Quick Scan-এ ক্লিক করতে হবে। ফাইল, মেমোরি এবং রেজিস্ট্রি স্ক্যান করার জন্য Full scan এবং নির্বাচিত ফোল্ডার বা ড্রাইভ স্ক্যান করার জন্য ক্লিক করতে হবে Custom Scan-এ। স্ক্যান শেষ হলে কোন কোন ফাইলে ত্রুটি ছিল এবং ফাইলগুলো ত্রুটিমুক্ত করতে কী ব্যবস্থা নিতে হবে তা নিচে দেখা যাবে।
একবার ইনস্টল করলে 'সেফটি স্ক্যানার' ১০ দিন পর্যন্ত কার্যকর থাকে। নতুনভাবে ব্যবহার করার জন্য একই ওয়েবসাইট থেকে আপডেটেড স্ক্যানারটি ডাউনলোড করে নিতে হবে। তাই ইন্টারনেট সংযোগ নেই এমন কম্পিউটার পেনড্রাইভে থাকা 'সেফটি স্ক্যানার'-এর মাধ্যমে স্ক্যান করা যাবে।

কে-৯
ওয়েবের পূর্ণ নিরাপত্তা দিতে কন্টেন্ট ফিল্টারিং খুব জরুরি। এ ক্ষেত্রে ফ্রি সফটওয়্যার 'ব্লুকোট কে-৯' বেশ কার্যকর।
ইন্টারনেটে বিভিন্ন ওয়েবসাইট রয়েছে যেগুলো শিশুদের জন্য ক্ষতিকর। আবার ফেইসবুকের মতো সামাজিক যোগাযোগের সাইটগুলো অফিসে কাজের ক্ষতি করে। এসব সাইট বন্ধ রাখতে 'ব্লুকোট কে-৯' ব্যবহার করা যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে যদি জরুরি কোনো সাইট 'ব্লক' হয়ে যায়, তাহলে অ্যাডমিন পাসওয়ার্ড দিয়ে তা খোলা যাবে। 'ব্লুকোট কে-৯' দিয়ে সার্ভিস বেস ফিল্টারিং, ডায়নামিক রিয়েল টাইম রেটিং, অটোমেটিক আপডেট, কার্যকরী ক্যাশিং-এর মতো আরো কিছু সুবিধা পাওয়া যাবে।
www1.k9webprotection.com/get-k9-বিন-protection-free ওয়েবসাইট থেকে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করা যাবে। এরপর et K9 Free for your home ক্লিক করে নাম, ই-মেইল ঠিকানা দিয়ে Request License লেখা বাটনটিতে ক্লিক করতে হবে। এরপর মেইলে একটি ডাউনলোড লিংক এবং পাসওয়ার্ড আসবে। লিংকে ক্লিক করলে কম্পিউটারে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড হবে। এরপর পাসওয়ার্ড দিয়ে এটি কম্পিউটারে ইনস্টল করতে হবে। ইনস্টলেশনের পর একটি অ্যাডমিন প্যানেল আসবে। সেখানে একটি পাসওয়ার্ড দিতে হবে। পাসওয়ার্ডটি মনে রাখুন, কারণ ফিল্টার কন্টেন্টের যেকোনো পরিবর্তন করতে বা সফটওয়্যারটি আনইনস্টল করতে এ পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে।
সফটওয়্যারটি কম্পিউটারের খুবই কম জায়গা দখল করে।

ফ্রি অ্যান্টিভাইরাস
কম্পিউটার নিরাপদ রাখতে অধিকাংশ ব্যবহারকারীই অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করেন। বাজারে এখন নানা ব্র্যান্ডের অ্যান্টিভাইরাস পাওয়া যায়। যাঁরা কেনার ঝামেলায় যেতে চান না তাঁরা ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করে অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করেন। ইন্টারনেটে বিনা মূল্যে পাওয়া যায় এমন অ্যান্টিভাইরাসের মধ্যে আভাস্ট বেশ এগিয়ে। পিসি বুটআপের সময় স্ক্যান করার ক্ষেত্রে এটি কার্যকর ভূমিকা পালন করে। এ ছাড়া এটি স্পাইওয়্যার এবং রুটকিটও ধরতে পারে।
আভাস্ট এন্টিভাইরাসের ভালো দিকগুলো হলো_এতে বিল্টইন অ্যান্টিস্পাইওয়্যার, বিল্টইন অ্যান্টিরুটকিট, অটোমেটিক আপডেট, ওয়েব শিল্ড, নেটওয়ার্ক শিল্ড, অ্যান্টিভাইরাস কার্নেল, সিস্টেম ইন্টিগ্রেশন এবং ৬৪ বিট উইন্ডোজ সাপোর্ট রয়েছে।
এটি ডাউনলোড করার জন্য ww w.avast.com-এ গিয়ে ঋজঊঊ ঝড়ভঃধিৎব ট্যাবে যেতে হবে। এরপর avast! HOME EDITION ডাউনলোড অপশন পাওয়া যাবে। এবার সফটওয়্যারটি ইনস্টল করে কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন। পিসিতে ইন্টারনেট সংযোগ থাকলে অটোমেটিক এটি আপডেট হবে। আর ইন্টারনেট সংযোগ না থাকলে www.avast.com/eng/updates.html থেকে আপডেট ফাইলটি ডাউনলোড করে নিতে হবে।
আভাস্টের ওয়েবসাইট থেকে এর হোম সংস্করণের এক বছরের ফ্রি লাইসেন্স কি পাওয়া যায়। এক বছরের ফ্রি লাইসেন্স কির জন্যww w.avast.com/eng/home-registration.php থেকে avast! Home নির্বাচন করে রেজিস্ট্রেশন করুন। তাহলে আপনার মেইলে লাইসেন্স কি যাবে।
এবার সিস্টেম ট্রের আভাস্ট আইকনে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে About avast!-এ ক্লিক করুন। এবার License key বাটনে ক্লিক করে লাইসেন্স কি লিখে বাটনে ক্লিক করুন।

ফায়ারওয়াল
কমোডো ফায়ারওয়াল মূলত ইন্টারনেটে নিরাপত্তার একটি ফ্রি টুল। ইন্টারনেট থেকে বিভিন্ন ক্ষতিকর প্রোগ্রাম কম্পিউটারে প্রবেশ রোধ করতে এটি বেশ কার্যকর। এটি ইন্টারনেটের ইনকামিং ও আউটগোইং ট্রাফিক ফিল্টার করে হ্যাকারদের আক্রমণ প্রতিরোধ করে এবং কম্পিউটারের সব ধরনের ক্ষতিকারক সফটওয়্যার মুছে ফেলে।
এ ছাড়া এটি কম্পিউটারে ইনস্টল থাকা প্রোগ্রামও মনিটর করে। কোনো প্রোগ্রামের সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড ধরা পড়লে সফটওয়্যারটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে এবং ঝুঁকিপূর্ণ কমান্ড এঙ্ক্মকউশনও প্রতিরোধ করে। সফটওয়্যারটির সাইজ ছোট হওয়ায় এটি কম্পিউটার ধীরগতির করে না। এটি অনলাইন এবং ডেস্কটপ-দুই ধরনের ফায়ারওয়ালের ক্ষেত্রেই কাজ করে। প্রথমে www.personalfirewall.comodo.com/download-firewall.html ঠিকানা থেকে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিন।
সফটওয়্যারটি ইনস্টল শেষে কম্পিউটার রিস্টার্ট করে প্রথমেই নেটওয়ার্ক ডিফেন্স ট্রেইনিং মোডে সেট করুন এবং প্রো-অ্যাক্টিভ ডিফেন্স ডিজেবল করে দিন। এরপর বিরক্তিকর পপ আপ বন্ধ করার জন্য Miscellaneous ট্যাবের Settings Menu থেকে Show the balloon messages অপশনটি বন্ধ করে দিন। সফটওয়্যারটি সেট আপ করার পর প্রথমবার ইন্টারনেটে সংযুক্ত হলে New Network Found সংক্রান্ত একটি উইন্ডো প্রদর্শিত হবে। এখানে Dont detect হবw networks automatically অপশনটি নির্বাচন করতে হবে।

সার্চ অ্যান্ড ডেসট্রয়
ভাইরাস ছাড়াও অনেক সফটওয়্যার আছে যেগুলো ব্যবহারকারীর পছন্দের জিনিস সম্পর্কে গোপনে জেনে নিয়ে তাকে সে-সংক্রান্ত ই-মেইল বিজ্ঞাপন পাঠায়। এগুলো স্পাইওয়্যার নামে পরিচিত। অনেক স্পাইওয়্যার বিপুল পরিমাণ সিস্টেম রিসোর্স ব্যবহার করে কম্পিউটারকে ধীরগতির করে। পপ আপ অ্যাড, অযৌক্তিক এরর মেসেজসহ এ ধরনের বিভিন্ন স্পাইওয়্যার রোধে অনন্য সফটওয়্যার হলো 'স্পাইবট সার্চ অ্যান্ড ডেসট্রয়'। সফটওয়্যারটি www.safer-networking.org/ en/mirrors/index.html লিংক থেকে বিনা মূল্যে ডাউনলোড করা যাবে।

সুত্রঃ আল-আমিন কবির

অনেক সময় অনেকে মিলে একটি কম্পিউটার ব্যবহার করেন। বাসায় কিংবা অফিসে কম্পিউটার সংকট পড়লে এমনটি ঘটে। এ ক্ষেত্রে দেখা যায়, কারো অ্যাডোবি ফটোশপ সফটওয়্যারের কাজ করতে হচ্ছে, আরেক জনের লাগছে মাইক্রোসফট অফিস।
এমন পরিস্থিতিতে সাধারণত একজন অন্য জনের ব্যবহার করা প্রোগ্রাম মিনিমাইজ করে জরুরি কাজ সারেন। ফলে কম্পিউটারে একাধিক প্রোগ্রাম চালু থাকে।
এ রকম পরিস্থিতিতে কম্পিউটার অনেক সময় গোলমেলে কাজ করে। এ সমস্যা থেকে রেহাই দিতে পারে সফটওয়ার 'ওয়াচক্যাট'।
চলন্ত বিভিন্ন উইন্ডো সিস্টেম ক্র্যাশের কারণে অদৃশ্য হয়ে গেলে সেগুলোকে ফিরিয়ে আনা, কোনো প্রোগ্রাম (উইন্ডো) লুকিয়ে রাখা বা নিজের লুকিয়ে রাখা উইন্ডো দৃশ্যমান করা যাবে সফটওয়্যারটি ব্যবহার করে।
এ সময় মূল উইন্ডো টাস্কবার এবং টাস্ক ম্যানেজার থেকে ডাউনলোডের তথ্য, গেইম এবং ওয়েব পেইজও লুকিয়ে রাখা যাবে। কেউ দেখতে না পেলেও টাস্কগুলো ঠিকই কাজ চালিয়ে যাবে।
পিসিতে সফটওয়্যারটি থাকলে সিস্টেম ট্রেতে এর আইকন দেখা যাবে। আইকনের ওপরে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করলে চলন্ত সব প্রোগ্রামই দেখা যাবে। চলন্ত প্রোগ্রামের ওপরে ক্লিক করলে সেই উইন্ডো লুকাবে। আবার ওই প্রোগ্রামের আইকনে ক্লিক করলে তা ফিরে আসবে।
প্রয়োজনে পাসওয়ার্ড দিয়েও প্রোগ্রামগুলো গোপন ও অদৃশ্য রাখা যাবে।
১৪৭ কিলোবাইটের সফটওয়্যারটি http:/ww/w.aplusfreeware.com/ categories/LFWV/files/wcatcur.yip লিংক থেকে ডাউনলোড করা যাবে।
এটি উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের সব সংস্করণেই চলবে।

আল-আমিন কবির

বিশ্বজুড়ে এফএম এবং অনলাইন রেডিওর জনপ্রিয়তা এখন তুঙ্গে। তবে আমাদের দেশে হাতেগোনা কয়েকটি শহরেই শুধু এফএম রেডিও শোনার সুযোগ আছে। তাই এফএম শোনার সুযোগ নেই এমন এলাকায় অনলাইন রেডিও দ্রুত জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। কিন্তু এখানেও ঝক্কি! রেডিও শোনার জন্য তো আর সারাক্ষণ কম্পিউটারের সামনে বসে থাকা যায় না। এ ক্ষেত্রেও উপায় আছে। 'ভার্চুয়াল রেডিও' সফটওয়্যারটি জাভা সমর্থক মোবাইলে ডাউনলোড করে নিলেই হলো। এতে আমাদের দেশের বেশ কয়েকটি বাংলা অনলাইন রেডিও চ্যানেল শোনার সুযোগ রয়েছে। তাই চলতে চলতে, যখন-তখন শুনতে পারবেন এসব চ্যানেল। এ ছাড়া হিন্দি, ইংরেজিসহ অন্যান্য ভাষায় প্রচারিত কয়েক শ রেডিও চ্যানেল শোনার ব্যবস্থা রয়েছে সফটওয়্যরটিতে।

http://www.dailykalerkantho.com/admin/news_images/531/image_531_156507.jpg


মাত্র ৩২ কেবিপিএস স্পিডের ইন্টারনেট সংযোগ থাকলেই সফটওয়্যারটির মাধ্যমে রেডিও শোনা যাবে। মোবাইল অপারেটর দেওয়া ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াও ওয়াইফাই ইন্টারনেটে এটি চালানো যাবে।
সফটওয়্যারটির সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো_এটি জাভা প্লাটফর্মে তৈরি করা। প্রায় সব ধরনের মাল্টিমিডিয়া এবং স্মার্টফোনেই জাভা প্লাটফর্মের স্থায়ী (ডিফল্ট) সমর্থন থাকে। সফটওয়্যারটি ডেটা কমেপ্রস করেও অনেক ভালো মানের শব্দ দিতে পারে। সিমবিয়ান ব্যবহারকারীদের জন্যও এর আলাদা একটি সংস্করণ রয়েছে। জনপ্রিয় রেডিও চ্যানেলগুলো গ্রুপ আকারে সফটওয়্যারটিতে সংগ্রহ করে রাখার সুবিধা রয়েছে। www.getjar.com/mobile/16507/virtualradio-for-nokia- ৭০ থেকে এটি বিনা মূল্যে ডাউনলোড করা যাবে।

সুত্র ঃ কালেরকন্ঠ

http://www.dailykalerkantho.com/admin/news_images/531/image_531_156506.jpg

কোনো কারণে মোবাইল ফোন খোয়া গেলে বড় ঝামেলা হলো_এতে সংগৃহীত ফোন নম্বর, ছবি ও শর্ট ম্যাসেজের মতো তথ্যও খোয়া যায়। তাই এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য কম্পিউটারে ব্যাকআপ নিয়ে রাখা জরুরি। যাঁরা কম্পিউটারে ব্যাকআপ রাখার ঝামেলায় যেতে চান না তাঁরা অপারেটরের দেওয়া 'তথ্য ব্যাকআপ সেবা' ব্যবহার করতে পারেন।
গ্রামীণফোন গ্রাহকরা মোবাইলের এসএমএস, ফটো, ভিডিও, মিউজিক, ক্যালেন্ডার, ইভেন্ট, টাস্ক ইত্যাদি গ্রামীণফোন সার্ভারে ব্যাকআপ হিসেবে রেখে দিতে পারেন। মোবাইল থেকে তথ্য খোয়া গেলে ব্যাকআপ ফাইলগুলো রিস্টোর করে নেওয়া যায়। মোবাইল ব্যাকআপ চালু করতে backup লিখে গ্রামীণফোনের ৬০০০ নম্বরে ঝগঝ করতে হবে অথবা *১১১*২# ডায়াল করে মোবাইল ব্যাকআপ অপশনে যেতে হবে। এরপর ব্যাকআপ সেবাটি চালু হলে হ্যান্ডসেটের তথ্য গ্রামীণফোনের সার্ভারে আপলোড করতে পারবেন।
এসএমএসেই গ্রামীণফোন থেকে বিস্তারিত নির্দেশনা জানিয়ে দেওয়া হবে। এজ (EDGE) সক্রিয় হ্যান্ডসেটের ফোন নম্বর, এসএমএস ফটো, ভিডিও, মিউজিক, ইভেন্ট, টাস্ক ইত্যাদি ব্যাকআপ রাখার জন্য মাসিক সাবস্ক্রিপশন চার্জ ৫০ টাকা। আর এজ ব্যতীত অন্য হ্যান্ডসেটের ফোন নম্বর ব্যাকআপ রাখার জন্য মাসিক সাবস্ক্রিপশন চার্জ দিতে হয় ২০ টাকা।
কোন কোন হ্যান্ডসেট মোবাইল ব্যাকআপ সার্ভিসটি সাপোর্ট করে তা webserv.grammenphone.com/ mobilebackup-এ লগইন করে জেনে নেওয়া যাবে।
এ সেবাটি আনসাবস্ক্রাইব করতে unsub লিখে ৬০০০ নম্বরে sms করলেই হবে।

সুত্রঃ কালেরকন্ঠ