২৬

(৫ replies, posted in ভিন্ন জগত)

big hug  big hug

হোক শুরু বাঘের গর্জন,বাংলাদেশ করুক বিশ্বকাপ অর্জন।

উৎসাহিত হলাম

ধন্যবাদ

dr.shamim wrote:

'''এতদিন পর এই রাত্রি বেলায় কী যে আনন্দ পাইলাম , তাহা আমি বোঝাইতে পরিলাম না, বত্স ।
মনে হইল আমি যেন রবীন্দ্রনাথ এর সেই হৈমন্তি পরিলাম।'''


অসাধারণ সুন্দর হয়েছে।


ধন্য হলাম ভাইটি

‘‘হরন করেছি বাক্
চিরকাল চুপ্ থাক্
ওরে হতভাগার দল-
স্বেচ্ছা অন্ধ সাজিতে চোখে ঠুলি দিয়ে রাখ’’।
এই যদি হয় তোর কর্ম
পালন করিবে কে তবে মনুষ্য ধর্ম
রে মূক-
বুঝবিনা কি সৃষ্টিসেরা হওয়ার মর্ম?

চেয়ে দেখ-
অচেতন-জড় যেইখানে আছে যত
ইট বালি পাথরের মত
কখনই করিবেনা ’’উঁহ্’’ আঘাত কর যত শত ।
মন নাই মুখ নাই যেথা
প্রকাশ ক্ষমতা বড় অনুপসিতে সেথা
রে বধির-
ক্লীবের বড় হওয়ার আশা বড়ই বৃথা।

ভেবে দেখ-
ছোট শিশু দুঃখে কাঁদে,সুখে হাসে
ভয়ের ভেতর চমকিয়া ওঠে ত্রাসে
পশু অশ্ব-
খোশ মেজাজে যাহাকে লয়ে ছোটে
বিরক্তিতে লাথি মারে তাহারই পেটে।

আর মানুষ!
আশরাফুল মাখলুখাত নামে হয়ে ভূষিত
সজ্ঞানে অজ্ঞানে করিছে আপন মহিমা ভূলুন্ঠিত
আপন স্বার্থের জন্যে
মিথ্যাকে তারা সত্য বলে মানে
রে অধম-
চলবিনা কি পথ হৃদয়ের টানে?

মনের ভিতর আছে যাহা
সত্বর প্রকাশ কর তাহা
ওরে পথভ্রষ্ট-
সত্যের বাঁধন করি আল্গা বলিস্নে মিথ্যে ডাহা।
জানি কঠিন সত্য বলার দায়ে হবে তোর শাস্তি
তিরষ্কার,লাঞ্ছনা-গঞ্জনা হবে নিত্য প্রাপ্তি
তবুও চেয়ে দেখ
মোহাম্মদ হয়েছে মনুষ্য শ্রেষ্ঠ ব্যাক্তি।

মন হতে ঝেড়ে ফেল আছে যত হীনতা
হৃদয় রাজ্যে ফোটা অসীম পুষ্প কোমল উদারতা
ওরে সুকুমার পরাভূত কর সকল ব্যর্থতা ।

হুংকারে লাফায়ে
তরবারি হাতে লয়ে
রচনা কর অত্যাচারীর দেহের মর্গ
ওরে বিপ্লবী দেখবি তবে
খোদা বানায়াছে তোর লাগি সসুজ্জিত স্বর্গ।।

                                           এফ এইচ রিগ্যান

হক কথা

আচ্ছা দোয়া করলাম

ধন্যবাদ উপল

আমি দেখেছি -
অসীম শূন্য কোন এক বিন্দু থেকে
বিশ্ব স্রষ্টা গড়িছে পৃথিবী
মহা অগ্নিকুন্ডের মহা বলয় ছিঁড়ে।
কত সমারোহ,কত আয়োজন
সাজালেন সব কিছু যেইখানে যাহা প্রয়োজন ।

কেহ দেখিল না,জানিল না,
বুঝিল শুধু প্রতিটি অণু-পরমাণু
সৃষ্টির সেরা হবে সৃষ্টি এইখানে,
ভয়ে রবে সব নতজানু।

আমি দেখেছি -
নক্ষত্রে নক্ষত্রে যোজন যোজন দুরত্ব সদা বাড়িছে
সব ছাড়ি কি এক মায়ার টানে রহিলো প্রভু
সদ্যগড়া সেই গ্রহ মাঝে।
আমি দেখেছি -
লাখো বছরের অপেক্ষা
আর প্রভুর উদ্বেলিত চিত্তে
স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র চালনার উৎফুল্লতা
কোন এক
বিশাল বৃত্তে ঘুরিতেছে সব
হর্ষ-বিষাদের ছড়াছড়ি, মহা কলরব

হায় ! হেসেছিনু সেদিন, শুনেছিনু যবে
কলরব শেষে চিড়িয়াদের হিসাবের দিন শুরু হবে

পাপ আর পূণ্যে কত মাখামাখি
প্রভুর পেয়াদা সব খুলে আছে
হিসাবের মস্ত খাতাখানি

সৃষ্টিগুরুর ইচ্ছায় সৃষ্টি নড়ে
তবুও তার হিসাব হবে
একি ভীষণ কথা
কত শ্রেণী কত গোত্র
কত জাতি আর উপজাতি
কেউ হলো গৃহহারা কেউ বা গৃহপতি।

আমি দেখেছি -
অপার বিস্ময়ে
উচ্ছৃঙ্খল পুতুলের দল মগ্ন বিভীষিকা সৃষ্টিতে
আর অননুমোদিতরা দেয় অনুমোদন
কি ঘটিবে জগতে
ভ্রম্যমান প্রভু দেখে আর পুলকিত হয়
কি এক অর্থহীন হাসিতে

আমি দেখেছি -
ধর্ষিতার গায়ে দোররা মারা
মাতবর গাহে শান্তির গান
ধর্মের পিঠে অধর্ম যেথা খুঁজে ফেরে প্রাণ।

প্রভু দেখে আর মিটিমিটি হাসে
আর বুক মোর ভরে ওঠে ক্ষোভ আর ত্রাসে

কি আর করা ! প্রকৃতির খেলা
চোখ বুঁজে চেয়ে থাকি কেটে যায় বেলা।

আমি দেখেছি -
আমার অস্তিত্বহীন সত্বার ভয়াল কম্পন
শুনেছি যেদিন
খুনি, ধর্ষক, অসীম বিশৃঙ্খলাকারী,
ইহাদের বিচারে হবে আলাদা নাটক মঞ্চায়ন

কি দরকার ছিল
প্রমাণিত পাপির অগ্নিকুন্ডে নিক্ষেপন
ঈশ্বর আদেশে পৃথিবীখানা করিছে যে শাসন ?

আমি দেখেছি- সবশেষে
আমার নিস্তেজ দেহখানা
জিঞ্জির দিয়ে দেয়া আছে যা জিঞ্জিরটানা

হঠাৎ কোন এক শব্দে সম্বিত ফিরে দেখি
আমার আমি মহাশূণ্য
সাধ্য কার অস্পৃশ্য মোরে বাঁধে গোলামীর জন্য।

FH. RIGAN
08.02.10

দারুণ

বাহবা

চমৎকার

হে হে ঢোরা সাপ

ভাল

মনের মধ্যে আজাইরা কথা আসেন না কেন ??? chatterbox  chatterbox  chatterbox  chatterbox  chatterbox  chatterbox  chatterbox  chatterbox  chatterbox

sawontheboss4 wrote:

নিছক মজার জন্য বলি " আপনি posterior comissure এবং Forchette" intact আছে কিনা দেখতে পারেন!  I don't know  পরীক্ষার খাতায় তো তাই লিখলাম! অবশ্য আমি নিজেও জানিনা ঠিকমত !

শব্দগুলোর মানে যদি ব্যাখ্যা করতেন :n_n  :n_n  :n_n

he he good job

ঠিক কথা,সত্যচারীতা নাই যেখানে সেখানে আর কি বাঁকী থাকে ?

আজ আমি এমন একটা ব্যাপার শেয়ার করতে যাচ্ছি যা অতি সাধারণ কিন্তু নির্মম বাস্তব, অনেকেরই এ ব্যাপারে দারুণ জ্ঞান আছে, আমি তাদের কাছে পরামর্শ আশা করছি।
বন্ধুরা আমাকে ডাকে রবীন্দ্র যুগের মানুষ হিসাবে, আমারও শুনতে ভালই লাগে, কিন্ত এখন আর সে অবস্থা নাই, চরম ছ্যাকা খাইছি।
মেয়েটার সাথে প্রথম পরিচয় হয় ট্রেনে তারপর ফোন নং আদানপ্রদান অতঃপর মহব্বতের অফার পেলাম এবং শুরু হল আমার প্রেমিক জীবন। দ্বিতীয়বার দেখা হওয়ার পর তাকে বললাম আমাকে পাওয়ার তিনটা শর্ত, প্রথমত কোন মিথ্যাচারীতা করা যাবে না, দ্বিতীয়ত পূর্বের এমন কোন কথা যা ভবিষ্যতে প্রকাশিত হলে আমি কষ্ট পাব তা এখনই নির্ভয়ে বলতে হবে এবং আমার তিনজন অভিভাবকের অন্তঃত দুইজনের সমর্থন আদায় করতে হবে। আমার প্রস্তাব শুনে সে তো আনন্দে আটখানা, প্রেমই হল না, আগেই অভিভাবকদের সাথে পরিচয় এবং বিয়ের খুশবু !!! তারপরে সে প্রথম প্রস্তাবে রাজী হল,দ্বিতীয় প্রস্তাব পূরণ করতে গিয়ে সে বলল, হাইস্কুলে এক ছেলের সাথে প্রেম ছিল,চিঠি আদানপ্রদানের মধ্যেই তা সীমাবদ্ধ ছিল( আমি আপত্তিজনক কিছু খুঁজে পেলাম না), এরপরে কলেজ জীবনে প্রেম আসে নাই এবং সর্বশেষ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর এক বড় ভাই তাকে খুব পছন্দ করেছিল কিন্তু ছেলেটা সুবিধার না বলে বেশিদুর এগুইনি। আমি হেসে ফেলে বললাম এগুলো ঘটতেই পারে !! এরপরে প্রথম অভিভাবকের সাথে পরিচয় হওয়ার পর সে তার সমর্থন আদায় করতে সক্ষম হল। এরপরই ঘটল আসল ঘটনা
মেয়েটি তার ফোনের মেমরী কার্ড আমাকে দিয়ে বলল তোমার কম্পিঃ থেকে কিছু গান তুলে দিও। আমি সেদিন রাতে অতি আগ্রহ সহকারে কর্তব্য পালনে নিযুক্ত হলাম। কিন্ত তার রেকর্ড করা কথাগুলো যখন চালু করলাম তখনই থলের বেড়াল বেরিয়ে এল, আমার প্রথম ভালবাসা তার এক বড় ভাইয়ের সাথে মেডিকেলে গিয়েছে আর তার প্রাক্তন প্রেমিক এটা শুনে তাকে ভৎসনা করে এটা বলছে যে , "আমার কাছে তোমার তো লজ্জার কিছু নাই, লাইফে তোমার সাথে আমার এমন কি বাঁকি আছে যে আমাকে রেখে তুমি অন্য একজনকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে গেছ ? " এই কথা শুনে আমার বুকের ভেতরে ধড়াস করে উঠল, এর পরের অডিওতে শুনলাম অন্য এক প্রেমিকের সাথে তার হোটেলে রাত কাটানোর এক দ্বিপাক্ষীয় চুক্তি ছিল, সেটা তিনি যত দ্রুত সম্ভব বাস্তবায়ন করতে চান। আমার ভিতরে যেন গ্রেনেড হামলা হল,আমি বিছানায় লুটিয়ে পড়লাম।
আমি প্রেমিকাকে শোকজ করলাম, সে বলল " ১ম ছেলেটার সাথে কয়েকদিন দেখা হয়েছে, আর কিছু হয় নাই" আমার সন্দেহ গেল না, আবার একটু গুতাগুতি পর স্বীকার করল, একদিন হাত ধরে রাস্তা পার হয়েছে মাত্র............তারপর অনেক ঝামেলার পর স্বীকার করল যে ছেলেটার মেস পর্যন্ত তার যাতায়াত ছিল, এমনি কিজ-টিজ, মর্দন হয়েছে এর বেশি কিছু না। আমি চমৎকৃত হলাম, এমন দূর্বল পরিস্থিতিতেও মেয়ে মোটামুটি ঠিক আছে , কিন্তু আমি মুরুব্বীদের পরামর্শমত ক্ষান্ত দিলাম। তবে আমি মাঝেমাঝেই এই প্রস্তাবটা পাই-প্লীজ তুমি আমার ভার্জিনিটি টেস্ট করো। হে হে এত বড় সুপ্রস্তাব !! বন্ধুদের মধ্যে বিভাজন তৈরী হল, কেউ বলে, আহা অবলাকে অবজ্ঞা করোনা আবার কেউ বলে কি দরকার, কৌমার্য বিসর্জন দেয়ার।
আমি এখন কি করব ??????

mahbub.rmc wrote:

খুব মজা পাইছি:-(winking তবে Dost এইটা চলিত ভাষায় লিখলে হতো না,,,,

ধন্যবাদ বন্ধু।

পরছে বানানটি ঠিক করে দিন।
ছন্দটি দারুন লাগল।

প্রথমে সবার উদ্দেশ্যই ভালো থাকে, পরে খারাপ তাতে infiltrate করে। তবে আমার অন্তরের অন্তর স্থল থেকে শুভ কামনা।

এরই মাঝে খারাপ যেখানে ঘেঁষতে পারে না সে সংগঠনই সফলকাম হয়। আমরা সফল হতে চাই।

শিক্ষাবিস্তার এবং দুঃখী মানুষের সেবার উদ্দেশ্যে প্রথমবারের মত রুয়েটে একটি অরাজনৈতিক সংগঠনের জন্ম হতে যাচ্ছে । আমদের প্রাথমিক লক্ষ্যসমূহ-
১। নির্দিষ্ট এলাকার মধ্যে অবস্থিত প্রাথমিক,মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য উৎসাহমূলক ক্লাসের ব্যাবস্থা করা।
২। অমনযোগী এবং বখাটে শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ কাউন্সিলিং-এর ব্যবস্থা করা।
৩। ছিন্নমূল শিশুদের পড়াশুনার সরঞ্জামাদি সরবরাহ করা এবং পড়াশুনায় উৎসাহিত করা।
আমি সন্মানিত ব্লগারদের কাছ থেকে দিকনির্দেশনামূলক পরামর্শ আশা করছি এবং
আপনাদের মধ্যে যাঁরা রাজশাহীতে থাকেন এবং আমাদের সঙ্গে কাজ করতে ইচ্ছুক তাঁদেরকে নিম্নোক্ত ঠিকানায় যোগাযোগ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা গেল।

[email protected]

:তালি: