আপনাকে ফোরামে স্বাগতম  :খুশি:

big grin

মাথায় রাখলাম ,ভবিষ্যতে কাজে লাগবে।

ভালো পোস্ট । থ্যাংকু।

ভালো লাগল তবে আরো ভালো হতে পারত   I don't want to see

নাই মামার চেয়ে কানা মামা ভালো  big grin

rolling on the floor  rolling on the floor

ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানেজার -ই  বস্।  =D

শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।

এত গুলো কৌশল এগুলোই তো মনে থাকবে না ।  :rotfl:  :rotfl:  :rotfl:

উপল BD wrote:

মোনলিসাকে আমার ভালো লাগতো,বিয়ে হয়ে যাচ্ছে শুনে খুব খারাপ লাগলো। sad   sad   sad

সত্যি কথা বলছ। মনটা খারাপ হয়ে গেলো। sad  sad  sad

অস্ট্রেলিয়ার এরকম পতন বিস্ময়কর   happy  happy

:thumbsup:  :thumbsup:

খুবই ভালো লাগলো। আরো লিখবেন আশা করি।

শাওন ভাইয়া ও উপল ভাইয়াকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। :goodvibes:

আমরা সকলেই কম্পিউটারকে ভাইরাসের হাত থেকে বাচানোর জন্য এন্টি ভাইরাস ব্যবহার করে থাকি ।কিন্তু
এন্টি ভাইরাসটি ঠিকমত কাজ করছে কিনা তা জানার কি কোন উপায় আছে? হ্যা এন্টি ভাইরাস পরীক্ষার জন্য খুবই
সহজ ও দ্রুত একটি উপায় রয়েছে । এই পরীক্ষাকে বলা হয় EICAR test যা যে কোন  এন্টি ভাইরাসে কাজ করবে।
করতে সক্ষম । পদ্ধতি:

১. প্রথমেই নোটপ্যাড চালু করতে হবে ও নিচের কোডটি কপি করতে হবে ।

X5O!P%@AP[4\PZX54(P^)7CC)7}$EICAR-STANDARD-ANTIVIRUS-TEST-FILE!$H+H*

২.এবার ফাইলটির নাম পরিবর্তন করে myfile.com করতে হবে ।

৩.সাধারণত ফাইলটি  সেভ করার সাথে সাথে এন্টি ভাইরাস ফাইলটি ভাইরাস হিসেবে ধরে ফেলবে এবং এর দ্বারা
বুঝা যাবে এন্টি ভাইরাসটি ঠিকমত কাজ করছে ।

৪.এছাড়াও ফাইলটি কোন ZIP or RAR file এ সেভ করে  এন্টি ভাইরাস দ্বারা স্ক্যান করে দেখা যেতে পারে
যে এন্টি ভাইরাসটি compressed ফাইল থেকে ভাইরাসটি ধরতে পারে কিনা ।

এই পরীক্ষা করার ফলে কম্পিউটারে কোন সমস্যা হয় না তাই খুব সহজেই আমরা এ পরীক্ষার মাধ্যমে এন্টি ভাইরাস
ঠিকমত কাজ করছে কিনা তা বুঝতে পারব ।

EICAR =  European Institute of Computer Antivirus Research.

:crackup:  :crackup:

জটিল লাগলো :crackup:

১৯

(৩ replies, posted in রসের হাঁড়ি)

এক বন্ধু, তার বান্ধবীর জন্মদিনের উপহার হিসেবে দশ হাজার টাকার একটি চেক দেবে। অন্য বন্ধু দেখল, চেকের নিচে বন্ধুর কোন স্বাক্ষর নেই!
আবুলঃ কী ব্যাপার, দশ হাজার টাকার চেক দিচ্ছিস্‌, অথচ চেকের নিচে কোন স্বাক্ষর নেই কেন?
কাবুলঃ আরে, বুঝলি নাঃ ওকে সারপ্রাইজ দেব বলে স্বাক্ষর করিনি! স্বাক্ষর করলে তো আমাকে চিনেই ফেলবে! আমি এতই বোকা?

:applause:

সাকির আহমেদ রনি wrote:

এটি তো মোবাইল বিষয়ক আলোচনায় দেয়া হয়েছিল, দয়া করে পোস্টগুলো পড়বেন এবং ফোরামকে ধন্য করবেন। নিচের লিংকটিতে ক্লিক করুন...
http://www.rmcforum.com/viewtopic.php?id=100

রনি ভাই আপনি যে পোস্ট টি দিয়েছেন তা ১৪ এপ্রিলের কিন্তু আমি পোস্টটি দিয়েছি এপ্রিলের ১ তারিখে।তাই কোন কিছু বলার আগে দেখে বলার অনুরোধ করছি। :/

সাবাস রনি সাবাস , এগিয়ে চলো। :applause:

জটিল পোস্ট। চালিয়ে যাও।  :cloud9:

:applause:  :applause:

http://img594.imageshack.us/img594/5792/acute.jpg

তলপেটে হঠাৎ করে ব্যথা উঠলেই অনেকে মনে করে থাকেন অ্যাপেনডিসাইটিসের ব্যথা। জরুরি ভিত্তিতে অপারেশন দরকার। আসলে কথাটা সঠিক নয়। পেটে ব্যথা অ্যাপেনডিসাইটিস ছাড়াও বহুবিধ কারণে হতে পারে। ওষুধের মাধ্যমেও পেটের ব্যথা থেকে নিরাময় হওয়া যায় অনেক ক্ষেত্রে।

অ্যাপেনন্ডিক্স হচ্ছে ছোট নলাকার একটি অঙ্গ যা বৃহদন্ত্রের সাথে সংযুক্ত থাকে। লম্বায় ২-২০ সে.মি.। কোনো কারণে অ্যাপেনন্ডিক্সের মধ্যে ইনফেকশন হলে এটি ফুলে যায়, প্রদাহ হয়, তখন একে বলা হয় অ্যাপেনডিসাইটিস।

উপসর্গগুলো
সাধারণত প্রথমে ব্যথা নাভির চারপাশে অনুভব হয় এবং কয়েক ঘণ্টা পর ব্যথাটা তলপেটের ডান পাশে চলে আসে। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে পেটের অন্য অংশেও ব্যথা হতে পারে।

১. বমি বমি ভাব হতে পারে;
২. বমিও হতে পারে;
৩. অরুচি হতে পারে;
৪. পাতলা পায়খানা হতে পারে এবং
৫. জ্বর হতে পারে।

এ রোগ সম্পর্কে নিশ্চিত হতে হলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের রোগীর ওপর পরীক্ষা-নিরীক্ষাই বেশি জরুরি। আলট্রাসনোগ্রাম কিংবা রক্ত পরীক্ষা অ্যাপেনডিসাইটিস নির্ণয়ে সহায়ক হতে পারে। তবে এ রোগ নির্ণয়ে চিকিৎসকের অভিজ্ঞতাই গুরুত্বপূর্ণ। পেটের ডান দিকে নিচের অংশে অনেক কারণে ব্যথা হতে পারে, বিশেষ করে মহিলাদের ক্ষেত্রে। তাই এ রোগে অপারেশনের আগে চিকিৎসককে অবশ্যই অন্য কারণগুলো খতিয়ে দেখতে হবে। তবে অ্যাপেনডিসাইটিস হলে সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা হচ্ছে অপারেশন। কারো অ্যাপেনডিসাইটিস হলে যদি অপারেশন করা না হয় তাহলে অ্যাপেনন্ডিক্স ছিদ্র হয়ে যেতে পারে, ইনফেকশন পুরো পেটে ছড়িয়ে পড়তে পারে এবং জীবন বিপন্ন হতে পারে।