সাকিবকে অভিনন্দন। (y) এখন পর্যন্ত দেখছি বাশারই সফল অধিনায়ক। (y)
You are not logged in. Please login or register.
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ফোরাম → Posts by উপল BD
সাকিবকে অভিনন্দন। (y) এখন পর্যন্ত দেখছি বাশারই সফল অধিনায়ক। (y)
দারুন জিনিস শেয়ার করলেন ইলিয়াস ভাই,ধন্যবাদ। (y) (y)
সবই তো বুঝলাম কিন্তু তোমার পরিচয় কই?
http://banglalyrics.evergreenbangla.com/
এই সাইটে অনেক বাংলা গানের লিরিক পাবেন।
চাইনিজ মুভি,একশন তো হবেই,কালকে ব্রডব্যান্ড নিবো,তারপরে চলবে ডাউনলোড আর ডাউনলোড । (y)
আর পড়ালেখার ক্ষেত্রে পুরানো পার্ফর্মেন্স টাই ধরে রাখতে চাই।
ভাই 1st হওয়া দরকার আপনার।
এসে পড়লো নতুন ইংরেজী বছর ২০১১।প্রত্যেক বছর ঘিরেই আমাদের কিছু না কিছু ইচ্ছা থাকেই,গত বছর যা করতে পারিনি তা এই বছর করার আকাঙ্খাও থাকে।সাথে যোগ হয় নতুন কিছু করার,নতুন কিছু কেনার,নতুন জায়গায় যাওয়ার ইচ্ছা।তাই আসুন ফোরামের সবার সাথে নিজের সেই ইচ্ছা শেয়ার করি।
![]()
১। গোপনীয়(পরে বলবো।
)
২। টাকা পয়সা তেমন নাই,তারপরেও ল্যাপটপ কেনার ইচ্ছা আছে।
৩। প্রথম এসেসমেন্ট পরীক্ষায় প্লেস করা(হাতে চাদ পাওয়ার মত কঠিন কাজ
)
৪।পরীক্ষার পর সুন্দরবনে বাঘ মামার সাথে হ্যাণ্ডশেক করতে যাওয়ার ইচ্ছা।
আপাতত এই কয়টাই মনে হলো,পরে আরও ইচ্ছা জাগলে বলবো। 
ভাই 4th কেনো?আমরা আপনাকে প্রথম দেখতে চাই। (y)
আমাদের জীবন থেকে পার হয়ে গেলো ঘটনাবহুল আরও একটি বছর,আসলে জীবন কখনও থেমে থাকার নয়,তা এগিয়ে যাবেই,আর তাইতো আমরা আজ বরণ করে নিলাম নতুন বছর ২০১১।আশা করি আমাদের অতীতের সকল গ্লানি ধুয়ে মুছে জীবন সংগ্রামে জয়ী হওয়ার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবো ।নতুন বছরে ফোরামে বেশ কিছু পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে,আশা করি সবাই আরএমসি ফোরামের সাথে থাকবেন এবং ফোরামটিকে আরও এগিয়ে নিতে সাহায্য করবেন।সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা।
তবে সবচেয়ে গরিব ছিল ওদের মার্সিডিজ গাড়ির চালকটি!
সেন্স অব হিউমার তো মারাত্মক। :অবাক:
৩৪-৩৫ কেবিপিএস
পুরা জটিল,কালকে নিবো । :ইয়াহু: :ইয়াহু:
নিচের লিংকে ক্লিক করে বিস্তারিত জানতে পারবেন।বেসরকারি মেডিকেলে এখনও আসন সংখ্যা পূরণ না হওয়ায় ওয়েটিং এ থাকা ও যারা শুধু সরকারি মেডিকেলের ঘরে টিক চিহ্ন দিয়েছিলেন তারা এখন বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে ভর্তি হতে পারবেন।
http://nasmis.dghs.gov.bd/dghs_new/dmdo … ission.jpg
সরি,কোথাও পেলাম না। 
দুর্দান্ত জিনিস শামীম ভাই। + থাকলো আপনার জন্য।
ডাউনলোড ও আপলোড স্পীড একই ।
হে হে বলেছিলাম না,তা ডাউনলোড স্পীড কত পাচ্ছেন?
হে হে আমি 6.04 প্যাচ সহ নামিয়েছি,আর এখন ব্যবহার করছি 6.03 বেটা।
পুরুষ করতে পারে মহিলা অ্যাটেন্ডেন্স সহ
মহিলা অ্যাটেন্ডেন্স যদি না পাওয়া যায়? 
মেয়েদের ক্যান্সারের সবচেয়ে কমন ক্যান্সার হলো ব্রেস্ট ক্যান্সার,বর্তমানে বাংলাদেশে ওষুধের মাধ্যমে এর কার্যকরী চিকিত্সা শুরু হয়েছে।
ক্যান্সার চিকিত্সায় ব্যাপক উন্নতির অংশ হিসেবে যেসব ওষুধ বাজারে এসেছে তাদের অন্যতম একটি হচ্ছে টাইকার্ব। এখন থেকে বাংলাদেশেও এই ওষুধটি পাওয়া যাবে। এবং এর ফলে বাংলাদেশে স্তন ক্যান্সারের চিকিত্সায় মুখে গ্রহণ করার মতো ওষুধটিও পাওয়া যাবে। গত ১৮ ডিসেম্বর ঢাকার একটি হোটেলে ওষুধটির বাংলাদেশে বাজারজাতকরণের অনুষ্ঠান আয়োজন করে ওষুধটির প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান গ্ল্যাক্সোস্মিথক্লাইন (জিএসকে)। খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক এমএ হাইয়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সিম্পেজিয়ামে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক এমিরেটাস ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক এবিএম করিম এবং সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সার্জন অধ্যাপক মাজহারুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে বিদেশি এবং স্থানীয় বিশেষজ্ঞরা তাদের বৈজ্ঞানিক নিবন্ধ উপস্থাপন করেন। সিম্পোজিয়ামের প্রধান অতিথি অধ্যাপক এবিএম করিম স্তন ক্যান্সার চিকিত্সায় টাইকার্ব সুবিধার কথা উল্লেখ করে বলেন, ইআরবি২ পজিটিভ ব্রেস্ট ক্যান্সারে ঝুঁকি বেশি। এ ধরনের ব্রেস্ট ক্যান্সার দ্রুত বিস্তার লাভ করে। প্রচলিত ট্র্যাসটুজুম্যাবের চিকিত্সায় প্রায় ৫০ ভাগ রোগীর ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যেত। বাকি ৫০ ভাগের ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি চিকিত্সা শুরু করতে হতো। টাইকার্ব এই প্রতিবন্ধকতাকে অতিক্রম করতে পেরেছে বলে মত প্রকাশ করেন ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডা. পারভীন বানু। প্রচলিত ওষুধ ট্র্যাসটুজুম্যাব গ্রহণের পরও চলতে পারে টাইকার্ব, তাতে ফলাফলও বেশ আশানুরূপ। মারাত্মক ধরনের ব্রেস্ট ক্যান্সারের চিকিত্সায় টাইকার্ব রোগের গতিকে যেমন স্থবির করে দিতে পারে, তেমনি বাড়িয়ে দিতে পারে পরিবার-পরিজনের সঙ্গে এই পৃথিবীতে কাটানোর জন্য আরও কিছু সুন্দর সময়। বিশিষ্ট ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডা. কামরুজ্জামান এ প্রসঙ্গে বলেন, এ ধরনের একটি ওষুধ স্তন ক্যান্সারের চিকিত্সাকে সহজতর করবে।
উল্লেখ্য টাইকার্ব, যার জেনেরিক বা বংশগত নাম লাপাটিনিব। টাইকার্ব ইআরবিবি১ (ইজিএফআর) এবং ইআরবিবি২ (এইচইআর২) এই দুই ধরনের ক্যান্সারকেই অবদমিত করতে সক্ষম।
সুত্র:- এখানে
অভিনব সাফল্য,সবাইকেই তথ্যটি জানানো উচিত।
verginity test কী পুরুষ ডাঃ করবে
গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। :চিন্তা: :চিন্তা:
ধারণা করা হচ্ছে, ২০৫০ সাল নাগাদ শুধু উন্নত বিশ্ব নয়, তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতেও হার্টের রোগী এত বাড়বে যে প্রতি তিনজনের মধ্যে একজনের হার্টের সমস্যা থাকবে।
বর্তমানে কার্ডিওভাস্কুলার বা হার্টের সমস্যা বেশি হওয়ার কারণগুলোর অন্যতম হলো
- খাদ্যাভ্যাস
- কায়িক শ্রমের অভাব
- টেনশন বা দুশ্চিন্তা
- মেয়েদের বেশি বয়সে বিয়ে করা ও বাচ্চা নেওয়া
- ধূমপান
- ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ
- জেনেটিক বা বংশগত।
আশার কথা হলো, একমাত্র জেনেটিক বা বংশগত কারণ ছাড়া বাকি সবগুলোকে নিয়ন্ত্রণে রেখে বা পরিবর্তন করে হার্টকে সুস্থ রাখা সম্ভব।হার্টের অসুখগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়_
- করোনারি বা হার্টে রক্ত সরবরাহকারী ধমনিতে ব্লক বা চিকন হয়ে যাওয়ার কারণে উদ্ভূত সমস্যাগুলো, যেমন_মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন, আনস্টেবল এনজিনা, স্টেবল এনজিনা, হার্ট ব্লক, অ্যরিদমিয়া ইত্যাদি।
- হার্টের ভাল্বের (চারটি ভাল্ব রয়েছে) সমস্যা যেমন_মাইট্রাল স্টেনোসিস, অ্যায়োর্টিক স্টেনোসিস, মাইট্রাল রিগারজিটেশন, পালমোনারি স্টেনাসিস ইত্যাদি।
- জন্মগত ত্রুটি। যেমন_পর্দায় ফুটো (অঝউ বা ঠঝউ) টেট্রালজি অব ফ্যাল্ট (ঞঙঋ), পিডিএ ইত্যাদি।
হার্ট ভালো রাখার উপায়গুলো তাই এই তিন আঙ্গিকে বিবেচনা করতে হবে। হার্ট ভালো রাখার উপায় বলতে আমরা সাধারণত হার্ট অ্যাটাক, হার্ট ব্লক ইত্যাদি থেকে মুক্তি পাওয়াকেই বুঝি।যাদের হার্টে এখনো কোনো সমস্যা নেই এবং অন্য কোনো অসুখও নেই
যাদের হার্টে কোনোরূপ সমস্যা নেই ও ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ বা কিডনির সমস্যাও নেই তাদের জন্য হার্ট বিশেষজ্ঞরা হার্ট ভালো রাখতে কয়েকটি পরামর্শ দিয়ে থাকেন। আমেরিকার হার্ট অ্যাসোসিয়েশন থেকেও বলা হয়েছে এ উপায়গুলোর কথা।
চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়া কমানো
কিছু পরিমাণ চর্বি আমাদের শরীরের জন্য প্রয়োজন, কিন্তু চর্বি বেশি খেলে সেই অতিরিক্ত চর্বি হার্টের ধমনির গায়ে জমা হতে হতে তৈরি করতে পারে গুরুতর সমস্যা। স্যাচুরেটেড ফ্যাট সংবলিত খাবার; যেমন_মাংসের চর্বি, বার্গার, মাখন, কুকি, কেক ইত্যাদি বেশি খাওয়া অত্যন্ত ক্ষতিকর। অন্যদিকে পলিআনস্যাটুরেটেড ফ্যাটি এসিড সংবলিত খাবার রক্তের কোলেস্টেরল কমিয়ে দেয়। বাদাম, মাছের তেল, সামুদ্রিক মাছ, সূর্যমুখী তেল ইত্যাদি এজন্য ভালো। আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের মতে সপ্তাহে অন্তত ১০০ গ্রাম বাদাম খাওয়া উচিত।
খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন
ব্যস্তজীবনের কর্মতৎপরতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে ফাস্ট লাইফের সঙ্গে বাড়ছে ফাস্ট ফুড খাবারের প্রতি মানুষের আগ্রহ। কিন্তু এ খাবারগুলো মুখরোচক হলেও হার্টের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। মাঝেমধ্যে খাওয়া যাবে কিন্তু প্রতিদিন খাওয়া চলবে না। এর পরিবর্তে দৈনিক খাদ্য তালিকায় শাকসবজি, ফাইবারযুক্ত খাবার ও অন্তত একটি ফল রাখতে হবে।
ধূমপান পরিত্যাগ
হার্ট অ্যাটাকের ৫০ শতাংশ ব্যক্তিই ধূমপায়ী। ধূমপান অ্যাথেরোসক্লোরোসিসকে সরাসরি প্রভাবিত করে ও ধমনিগুলোকে শক্ত করে দেয়। ধূমপান পরিহার করার সঙ্গে সঙ্গে পান, জর্দা, তামাক ইত্যাদিও কমিয়ে দিন।
ব্যায়াম করুন
মানুষের শারীরিক শ্রম ও চলাফেরা অনেক কমিয়ে দিয়েছে উন্নত প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহার। এখন প্রায় সব কাজই টেবিল-চেয়ারে বসে সম্পন্ন করতে হয়। কারো সঙ্গে দেখা করতে না গিয়ে মোবাইল ফোনে বা মেইল করে কাজ সেরে ফেলি, অল্প দূরত্বে যেতে হলেও গাড়ি ব্যবহার করি। ফলে চর্বি সঞ্চিত হতে থাকে, যা করোনারি ধমনিতে অ্যাথেরোসক্লেরোসিস করে। অতএব দৈনিক অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটার অভ্যাস করতে হবে, লিফটের পরিবর্তে সিঁড়ি ব্যবহার করতে হবে, অল্প দূরত্বে হেঁটে যেতে হবে ও শিশুদের কম্পিউটার গেমসের পরিবর্তে খেলাধুলায় উৎসাহিত করতে হবে।
টেনশন কমান
উন্নত জীবনযাত্রার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে টেনশন বা দুশ্চিন্তা। এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও হার্টের সমস্যা। জীবনকে পজিটিভ দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে দেখা শুরু করতে হবে, দুশ্চিন্তা থেকে দূরে থাকতে হবে। অবসর সময়ে বই পড়া, বাগান করা, গান শোনা ও সমাজের কল্যাণকর কোনো কাজে ভূমিকা রাখা ইত্যাদি করা যেতে পারে।
বিশ্রাম নিতে হবে
কাজের ফাঁকে পাঁচ-দশ মিনিট বিশ্রাম নিতে হবে। দৈনিক সাত-আট ঘণ্টা ঘুমাতে হবে। সুন্দর দাম্পত্য জীবন বজায় রাখতে হবে। পরিবারের সবার সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে হবে।
সতর্ক থাকুন
যাদের এখনো হার্টের সমস্যা নেই কিন্তু বংশে অল্প বয়সে (৪০-এর নিচে) হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ইতিহাস আছে তাদের সতর্ক থাকতে হবে। অনেক ক্ষেত্রেই কোনো লক্ষণ প্রকাশ ছাড়াই তাদের হার্টের অসুখ দেখা দিতে পারে।যাদের হার্টের সমস্যা আছে এবং শারীরিক অন্য সমস্যাও রয়েছে
- উচ্চ রক্তচাপ থাকলে হার্টকে অতিরিক্ত কাজ করতে হয়, ফলে হার্ট ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে। একসময় বড় হওয়া সত্ত্বেও শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় রক্ত পাম্প করতে না পারায় হার্ট ফেইলিওরে (হার্টের রক্ত পাম্প করার ক্ষমতা নষ্ট হয়ে হার্ট বন্ধ হয়ে যাওয়া) চলে যায়। অতএব, যাদের উচ্চ রক্তচাপ ধরা পড়েছে তাদের উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। নিয়মিত ওষুধ খেতে হবে।
- ডায়াবেটিসকে বর্তমানে হার্টের সমস্যার সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। অতএব যাদের ডায়াবেটিস রোগ ধরা পড়েছে তাদের জীবনযাত্রার পরিবর্তনে ওষুধ বা প্রয়োজনে ইনসুলিন নেওয়ার মাধ্যমে ব্লাডসুগার নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।
- উচ্চ রক্তচাপের ডায়াবেটিক ও হার্টের সমস্যার রোগীরা যা খেতে পারবেন না_
_খাসির মাংস ও চর্বিযুক্ত গরুর মাংস
_মগজ, কলিজা ও ডিমের কুসুম
_চিংড়ি মাছের মাথা
_নারিকেল
_মাখন, ঘি, দুধের সর
_কেক, পেস্টি, সেমাই, পায়েস।
- ধূমপান কার্বন-মনোঙ্াইড তৈরি করে হিমোগ্লোবিনের অঙ্েিজন সংবহন কমিয়ে দেয়। ফলে হার্টের অঙ্েিজনের অভাব দেখা দেয়। যাদের এরই মধ্যে হার্টের ধমনিগুলো সরু হতে শুরু করেছে তাদের ক্ষেত্রে ধূমপান হার্ট অ্যাটাক, হার্ট ফেইলিওর এমনকি আকস্মিক কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট পর্যন্ত হতে পারে।
- ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।
- দৈনিক নিয়ম করে দুই বেলা ৩০-৪০ মিনিট হাঁটতে হবে। প্রথমে আস্তে হাঁটা শুরু করে ধীরে ধীরে হাঁটার গতি বাড়াতে হবে। তবে বুকে ব্যথা বা অস্বস্তি হলে বা মাথা ঘুরলে, অতিরিক্ত ঘাম হলে তৎক্ষণাৎ হাঁটা বন্ধ করে বিশ্রাম নিতে হবে।
- ঘুমের অভাবে রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস বাড়ে, ঘুমাতে হবে আট-দশ ঘণ্টা।
- চিকিৎসকের পরামর্শ অনুসারে নির্দিষ্ট সময় পরপর প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করাতে হবে; যেমন_ইসিজি, ইটিটি বা ইকোকার্ডিওগ্রাম করে জেনে নিতে হবে হার্ট কতটুকু ভালো আছে।যাদের এনজিওপ্লাস্টি, পিসিআই বা বাইপাস সার্জারি হয়েছে
অ্যাথেরোসক্লেরোসিস একটি চলমান প্রক্রিয়া। কাজেই যাদের হার্টে স্টেন্ট বসানো হয় বা বাইপাস করা হয়, তারা চিরদিনের জন্য একটি সুস্থ হার্ট পেয়ে গেছেন_এমন ভাবার কোনো কারণ নেই। বরং আজীবন তাদের নিয়ম মেনে চলতে হবে।
- চর্বিজাতীয় খাবার বর্জন করতে হবে।
- ধূমপান করা যাবে না।
- রক্ত তরলীকরণের ওষুধ যেমন অ্যাসপিরিন ও কোলেস্টেরল কমানোর ওষুধ যেমন অ্যাটোভাস্টাটিন নিয়মিত সেবন করতে হবে
- দৈনিক ৪০ মিনিট হাঁটতেই হবে।
- চিন্তামুক্ত জীবনযাপন করার চেষ্টা করতে হবে।ভাল্বের সমস্যা সাধারণত জন্মগত ও রিউমেটিক ফিভার বা বাতজ্বরের কারণে দেখা যায়। বাংলাদেশে ভাল্বের সমস্যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় মাইট্রাল স্টেনোসিস। ৯৪ শতাংশ ক্ষেত্রেই এর কারণ বাতজ্বর। অথচ এ বাতজ্বরজনিত হার্টের সমস্যার প্রতিরোধ করা যায়।
শিশুর ঘন ঘন জ্বর হলে, গিঁটে ব্যথা হলে, গিরা ফুলে গেলে অবশ্যই চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে হবে। বাতজ্বর ধরা পড়লে পূর্ণ চিকিৎসা করাতে হবে।
মনে রাখতে হবে, বাতজ্বরের চিকিৎসা দীর্ঘমেয়াদি হলেও দেশের সবখানে এর চিকিৎসা নেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে এবং তা খুবই সস্তা। কিন্তু ভাল্ব নষ্ট হয়ে গেলে যে কৃত্রিম ভাল্ব সংযোজন করা হয়, তা অত্যন্ত ব্যয়বহুল।হার্টের জন্মগত ত্রুটি থেকে মুক্ত থাকতে হলে_
- মহিলাদের বেশি বয়সে সন্তান ধারণ করা যাবে না।
- নিকটাত্মীয়, যেমন_আপন খালাতো, মামাতো, চাচাতো ভাইবোনের মধ্যে বিয়ে এড়িয়ে -লতে হবে।
- গর্ভবতী অবস্থায় ডায়াবেটিস ধরা পড়লে তা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।
- গর্ভবতী অবস্থায় চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতীত কোনোরূপ ওষুধ খাওয়া যাবে না।
- রুবেলা ইনফেকশনে বাচ্চার জন্মগত হার্টের ত্রুটি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এর টিকা রয়েছে। তাই প্রত্যেক মাকে এ টিকা নিয়ে নিতে হবে।
- সন্তান ধারণের আগেই এইডস, গনোরিয়া, সিফিলিস ইত্যাদি আছে কি না, তা পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হতে হবে।
- আগে অ্যাবরশন বা বারবার বাচ্চা নষ্ট হওয়ার ইতিহাস থাকলে চিকিৎসককে জানাতে হবে।ডা. চৌধুরী মেশকাত আহমেদ
সহযোগী অধ্যাপক
হৃদরোগ বিভাগ
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়
সুত্র:-এখানে
যাদের হার্টের সমস্যা আছে তারা দৈনিক একটি করে 100mg Aspirin,echospirin খেতে পারেন,তবে খেয়াল রাখতে হবে উনার যেনো কোন ধরনের পেপটিক আলসার বা ডিওডেনাল আলসার না থাকে।যদি থাকে তাহলে সপ্তাহে ৩ দিন একটি করে <80mg খাবে।
শীতে কাশির সমস্যায় ভোগে বহু মানুষ। কিন্তু কাশি হলেই তো আর সব সময় ডাক্তারের কাছে যাওয়া যায় না। অনেক সময় নিজে যত্ন নিলেও ভালো থাকা যায়।
বাড়িতে যা করতে পারেন
ঘরে থাকা সর্দি-কাশির ওষুধ যেমন_ডেসলোর,এঙ্পেকটোরান্ট, হিস্টাসিন, এলাট্রল এগুলো খেতে পারেন। কাশির সঙ্গে যদি সর্দি থাকে তবে যে কাশি হয় তাকে বলে অ্যাকিউট কাশি। সাধারণত অ্যালার্জির সমস্যা থেকে এটি হয়। এ ক্ষেত্রে হিস্টাসিনজাতীয় ওষুধ বেশি কাজ দেবে।
- হালকা গরম পানিতে সামান্য লবণ মিশিয়ে গার্গল করলে কাশিতে সাময়িক সময়ের জন্য উপশম পাওয়া যায়। এর সঙ্গে একটু আদা কুচি মেশাতে পারেন।
- মিন্টযুক্ত মাউথওয়াশ বা চকোলেটও ভালো কাজ দেয়।
- কাশি থাকলে ধুলোবালিমুক্ত পরিবেশে থাকতে হবে। বিশেষ করে যাদের ঘরে কার্পেট আছে, তাদের কার্পেট ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। পর্দা ধুয়ে পরিষ্কার করতে হবে।
- যাদের ধূমপানের অভ্যাস আছে, কাশি হলে তা থেকে বিরত থাকুন।
মেডিক্যাল চিকিৎসা
- যদি এমন কাশি হয় যে, ঘুমাতেও সমস্যা হচ্ছে সে ক্ষেত্রে নারকোটিক ওষুধ দেওয়া হয়।
- যদি ব্যাকটেরিয়া ইনফেকশন থেকে কাশি হয় তবে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয়। তবে ভাইরাস ইনফেকশন হলে অ্যান্টিবায়োটিকে কাজ হয় না। সে ক্ষেত্রে শুধু লক্ষণভিত্তিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
- অনেকের বুকজ্বলা বা এসিডিটির কারণেও কাশি হয়। এমনটি হলে এসিডিটি নিয়ন্ত্রণের জন্য অ্যান্টাসিডজাতীয় ওষুধ খেতে দেওয়া হয়।ডা. এ জেড এম আহসান
বিএসএমএমইউ, ঢাকা
আপনার রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কত? আপনি যদি পাঁচ বছর আগে রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা দেখে থাকেন এবং সেটার পরিমাণ স্বাভাবিক ছিল বলে আনন্দিত হন, তাহলে কিন্তু ভুল হবে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যায়। চিকিৎসকেরা বলেন, যাঁদের বয়স ২০ বছর কিংবা তার চেয়ে বেশি, তাঁদের রক্ত প্রতি পাঁচ বছরে অন্তত একবার পরীক্ষা করে দেখা উচিত।
কারও রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা যদি ২০০ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটারের বেশি হয় কিংবা কম ঘনত্বের লিপোপ্রোটিন কোলেস্টেরলের (ক্ষতিকর কোলেস্টেরল) মাত্রা ১০০ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটারের বেশি হয়, তাহলে এগুলোর পরিমাণ কমানো উচিত। সাধারণত জীবনাচরণ পদ্ধতি পরিবর্তন করে এবং প্রয়োজন হলে ওষুধ সেবন করে ছয় সপ্তাহের মধ্যে এগুলোর পরিমাণ স্বাভাবিক অবস্থায় নামিয়ে আনা যায়।
রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা স্বাভাবিক পর্যায়ে রাখা তেমন কোনো কঠিন কাজ নয়। এ জন্য যে কেউ নিচের ১১টি সহজ কৌশল অনুসরণ করে উপকৃত হতে পারেন।প্রথমে কোলেস্টেরলের কাঙ্ক্ষিত মাত্রা ঠিক করুন
আপনাকে অবশ্যই জানতে হবে আপনার শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা কত এবং আপনি কতটুকু কমাতে চান। এটা অনেকগুলো উপাদানের ওপর নির্ভর করে। যেমন—পরিবারের বাবা-মায়ের হূদরোগের ইতিহাস আছে কি না এবং আপনার হূদরোগ হওয়ার মতো ঝুঁকি রয়েছে কি না, যেমন উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, ধূমপানের অভ্যাস, অতিরিক্ত মেদভুঁড়ি ইত্যাদি। যাঁদের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি, তাঁদের কম ঘনত্বের কোলেস্টেরল বা ক্ষতিকারক কোলেস্টেরলের মাত্রা ৭০ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটারের নিচে থাকা উচিত। আর যাঁদের হূদরোগের কোনো ঝুঁকি উপাদান নেই, তাঁদের ১৬০ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটারের নিচে রাখা যেতে পারে। আজকাল যাঁদের হূদরোগের ঝুঁকি রয়েছে, তাঁদের ক্ষতিকারক কোলেস্টেরল যত শিগগিরই কমানো যায়, ততই মঙ্গল বলে মনে করা হয়।প্রয়োজন হলে ওষুধ সেবন করতে হবে
যাঁদের কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি, তাঁদের অবশ্যই জীবনাচরণ পদ্ধতি পরিবর্তন করতে হবে। কিন্তু যদি হূদরোগের নমুনা থাকে, তাহলে কোলেস্টেরল কমানোর ওষুধ সেবন করতে হবে। এসব ক্ষেত্রে ধূমপান পরিহার করা, ওজন কমানো যেমন জরুরি, তেমনি ওষুধ সেবন করাও দরকারি। জীবনাচরণ পদ্ধতির পাশাপাশি কোলেস্টেরল কমানোর ওষুধ সেবন করলে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে আসে। চিকিৎসকেরা কোলেস্টেরল কমানোর জন্য নানা রকম ওষুধ ব্যবহার করে থাকেন। যেমন—নিয়াসিন, ফাইব্রেটস, স্টেটিনস ইত্যাদি। বর্তমান সময় স্টেটিন-জাতীয় ওষুধ বেশি জনপ্রিয়। স্টেটিন রক্তের ক্ষতিকারক কোলেস্টেরল ২০ থেকে ৫০ শতাংশ কমাতে পারে।হাঁটুন এবং ব্যায়াম করুন
শারীরিক পরিশ্রম এবং ব্যায়াম শুধু রক্তে ক্ষতিকারক কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমায় তা-ই নয়, উপকারী কোলেস্টেরলের পরিমাণ (বেশি ঘনত্বের লিপোপ্রোটিন কোলেস্টেরল) ১০ শতাংশ বাড়ায়। মাঝারি পরিমাণ ব্যায়াম কিংবা জোরে জোরে হাঁটলেও এমন উপকার পাওয়া যায়। এ জন্য সব চিকিৎসকের পরামর্শ, নৈশভোজের পর কমপক্ষে ৪৫ মিনিট হাঁটুন। কেউ যদি প্রতিদিন ১০ হাজার সিঁড়ি বেয়ে ওঠানামা করেন, তাহলে উপকৃত হবেন। আর কেউ যদি অফিসে চাকরি করেন, তাঁর উচিত অন্তত প্রতি ঘণ্টায় পাঁচ মিনিট হাঁটা, চলাফেরা করা। আপনি যে ধরনের ব্যায়াম করুন না কেন, তা নিয়মিত করতে হবে। সপ্তাহে সাত দিন ব্যায়াম করতে পারলে তো খুবই ভালো। অন্যথায় কমপক্ষে পাঁচ দিন ব্যায়াম করতে হবে।চর্বিজাতীয় খাবার পরিহার করুন
কোলেস্টেরল কমানোর একটি সহজ উপায় হচ্ছে ডিমের কুসুম এবং অন্যান্য বেশি কোলেস্টেরলযুক্ত খাবার পরিহার করা। তবে এটাও ঠিক যে খাবারের কোলেস্টেরলই রক্তে কোলেস্টেরল বাড়ানোর জন্য শুধু দায়ী নয়। মানুষের শরীরের মধ্যে প্রতিদিন কোলেস্টেরল তৈরি হয়ে থাকে। যেসব খাবারে সম্পৃক্ত চর্বির পরিমাণ বেশি, সেসব খাবারই রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায়। এ জন্য সম্পৃক্ত চর্বিযুক্ত খাবার যেমন মাখন, চর্বিযুক্ত গরু ও খাসির মাংস ইত্যাদির পরিবর্তে অসম্পৃক্ত চর্বিযুক্ত খাবার যেমন সয়াবিন তেল, সূর্যমুখী তেল, জলপাইয়ের তেল, মাছ ইত্যাদি বেশি খাওয়া উচিত।আঁশযুক্ত খাবার বেশি করে খান
যেকোনো ধরনের সবজি এবং ফলমূল শরীরের জন্য উপকারী। এগুলো রক্তে কোলেস্টেরলও কমায়। বিশেষত দ্রবণীয় আঁশ পরিপাক নালি থেকে স্পঞ্জের মতো কোলেস্টেরল শুষে নেয়। সিম, বার্লি ইত্যাদি খাবারে প্রচুর আঁশ থাকে।বেশি করে মাছ খান
মাছ ও মাছের তেল কোলেস্টেরল কমাতে পারে। এর ভেতর ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড থাকে। এটা খুব সহজে রক্ত থেকে কোলেস্টেরল এবং অন্যান্য ক্ষতিকর চর্বি কমিয়ে ফেলে। প্রত্যেকেরই সপ্তাহে অন্তত দুই থেকে তিনবার মাছ খাওয়া উচিত। অধিকাংশ মাছেই ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড থাকে। যদি কেউ মাছ খেতে না পারেন, তিনি মাছের তেল থেকে তৈরি ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিডসমৃদ্ধ ক্যাপসুল চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেবন করতে পারেন। বিভিন্ন উদ্ভিদজাত খাবারেও ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড পাওয়া যায়। যেমন—সয়াবিন তেল, কাঠবাদামের তেল ইত্যাদি।মদ্যপান পরিহার করুন
অতিরিক্ত অ্যালকোহলযুক্ত পানীয় পান শরীরের জন্য ক্ষতিকর। অতএব, অতিরিক্ত মদ সেবন থেকে বিরত থাকতে হবে।গ্রিন টি সেবন করুন
বিভিন্ন পর্যবেক্ষণে দেখা যাচ্ছে, সবুজ চায়ের (গ্রিন টি) ভেতর রক্তের ক্ষতিকারক কোলেস্টেরল কমানোর উপাদান রয়েছে। সবুজ চা সেবন হূৎপিণ্ডের জন্য উপকারী।বাদাম খান
বিভিন্ন পর্যবেক্ষণে প্রমাণিত হয়েছে, বাদাম খেলে রক্তের কোলেস্টেরল কমে। বিশেষত কাঠবাদাম এবং কাজুবাদাম উপকারী। বাদামে প্রচুর ক্যালরি রয়েছে। এ জন্য পরিমিত পরিমাণে বাদাম খাওয়া উচিত।ধূমপান পরিহার করুন
ধূমপান করলে রক্তে উপকারী কোলেস্টেরল বা বেশি ঘনত্বের কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমে যায়। অতএব, রক্তের কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে অবশ্যই ধূমপান ছেড়ে দিতে হবে।ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখুন
অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। অতএব, রক্তের কোলেস্টেরল কমাতে হলে অবশ্যই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। এ জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ যথাযথভাবে মেনে চলতে হবে।
রক্তে অতিরিক্ত কোলেস্টেরল থাকা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। আমাদের সবার উচিত, কোলেস্টেরল সম্পর্কে জানা।
ওপরের ১১টি সহজ কৌশল মেনে চললে আমরা রক্তের কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারব। প্রয়োজনে আপনার চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।ড.এ আর এম সাইফুদ্দীন একরাম
অধ্যাপক (চলতি দায়িত্ব) ও বিভাগীয় প্রধান, মেডিসিন বিভাগ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ, রাজশাহী।
Viva টা দিলে বেচে যাই!
হে হে এক কুয়া থেকে বাচবেন তো আর এক কুয়াতে পড়বেন।
হুমম জটিল কেস। :চিন্তা: :চিন্তা: ভার্জিনিটি চেক করলে হয়তো ভার্জিনই পাওয়া যেতে পারে,কিন্তু একজন মিথ্যাচারী মেয়ে ভবিষ্যতে যে অন্য কোন বিষয় নিয়ে মিথ্যাচার করবে না তার তো সিওরিটি নেই,ব্যক্তিগতভাবে এই ধরনের মেয়েদের সাথে আমি যোগাযোগ না করারই পরামর্শ দিবো,সারাজীবন জ্বালিয়ে মারবে। (n) (n)
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ফোরাম → Posts by উপল BD
Powered by PunBB 1.4.2, supported by Informer Technologies, Inc.
Currently installed 6 official extensions. Copyright © 2003–2009 PunBB.
Generated in ০.১১ seconds (৪১.২% PHP - ৫৮.৮% DB) with ৬ queries