গুড জব!!  (y)

সে যদি কনফার্ম বলতে পারে যে এটা তার মাসিক ছিল, তাহলে pregnant হবার মত কোনও সম্বাবনা নেই।  shame on you

১৪ দিন কমপক্ষে লাগবে! urine এ HCG (হিউম্যান chorionic gonadotrophin) হরমোন পাওয়া যাবে। এটা ল্যাব এ করতে হবে urine sample দিয়ে।

আর ৭২ ঘন্টার মধ্যে post coital pill খেলে গর্ভ নিরোধ সম্ভব।

ওষুধের দোকানে যেয়ে বললেই হবে যে "একটা pregnancy টেস্ট করার kit" দেন। তবে ডেট expire কিনা দেখে নেবেন। আর ব্যবহার প্রণালী সাথেই থাকার কথা।

http://edoctorbd.com/images/articles/nov2010/summer_exercise.jpg

ব্যায়ামের মাধ্যমেই শরীরটাকে ফিট রাখা যায় এবং কাঙিক্ষত ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় রক্ত প্রবাহ তৈরি হয়ে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। ব্যায়াম শুধু শরীর গঠনে সহায়ক তাই নয়, ব্যায়ামে রক্তনালীতে চর্বি জমতে দেয় না। ফলে হার্টের রক্তনালীতে ব্লক সৃষ্টির ঝুঁকি কম থাকে।
আমি সব সময় বলে আসছি পুরুষের শারীরিক সমস্যার শতকরা ৯০-৯৫ ভাগ মানসিক। আর মানসিক সমস্যার কোন ওষুধের প্রয়োজন হয় না। সামান্য কাউন্সিলিং করলেই সমস্যার সমাধান সম্ভব। বিবাহিত পুরুষের শারীরিক সমস্যার মধ্যে প্রধান দুইটি সমস্যা হচ্ছে ইরেকটাইল ডিসফাংশন (ইডি) এবং প্রিমসিউর ইজাকুলেশন (পিএমই)। এছাড়াও পুরুষ ও মহিলাদের শারীরিক অন্যান্য সমস্যা রয়েছে যা যৌন জীবনকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। তবে ইডি এবং পিএমই এই দু’টো শারীরিক সমস্যার ক্ষেত্রে সামান্য চিকিৎসার প্রয়োজন পড়ে। তবে কোন অবস্থাতেই চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতীত ভায়াগ্রা জাতীয় যৌন উত্তেজক ওষুধ সেবন করা উচিত নয়। ওষুধ ও কাউন্সিলিং-এর পাশাপাশি শারীরিক সমস্যার সমাধানে ফিটনেস বেশি প্রয়োজন। অনেক ক্ষেত্রে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের ক্ষেত্রে উপযুক্ত সময় নির্ধারণ ও যথাযথ পরিবেশ প্রয়োজন। শরীর ফিট রাখতে নিয়মিত ব্যায়াম করা ভালো। অনেকে প্রশ্ন করেন, ডাক্তার সাহেব ব্যায়ামের সঙ্গে স্বামী-স্ত্রীর মিলনে সাফল্যের কি সম্পর্ক আছে। ব্যায়াম করে ফিট হলে আপনার কাছে আসবো কেন ইত্যাদি ইত্যাদি। এ ধরনের প্রশ্নে আমি বেশি সময় নিয়ে কথা বলি। এই উদাহরণটি প্রায়শই দেই যে, বিশ্বখ্যাত ফুটবল তারকা রোনালদো বা রোনালদিনহোর কথাই ধরা যাক। শরীর যদি ফিট না থাকে কত বাজে পারফরম্যান্স হতে পারে তা এই দুই বিশ্ব তারকার অনেক খেলায় দেখা গেছে। রোনালদোকে আমি কখনোই টেলিভিশনের পর্দা ছাড়া দেখিনি। কিন্তু রোনালদিনহোকে দেখেছি স্পেনের বার্সিলোনাতে। তাও খেলতে নয়, অনুশীলন করতে। কঠোর পরিশ্রমী এই কৃতি খেলোয়াড়ের অনুশীলন দেখে যে কেউ বুঝতে পারবে তার বাহু ও পায়ের জোর কতখানি হতে পারে। আর এই কৃতি খেলোয়াড় যদি এক মাস অনুশীলন না করে মাঠে নামেন তবে পারফরম্যান্স কেমন হবে তাও ভাবা যায়। এভাবে স্বামী-স্ত্রীর কাঙিক্ষত ফলাফলের জন্যও শরীরটাকে ফিট রাখা দরকার। তরুণ বয়সে হয়ত শরীর ঠিক না রেখেও ভালো ফল পেয়েছেন। কিন্তু মনে রাখতে হবে বয়স যত বাড়বে ততই শরীরের ফিটনেস বেশি দরকার। আর শরীর ফিট রাখতে ব্যায়ামের কোন বিকল্প নেই। প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট ব্যায়াম করা ভালো। তবে যারা ৫০ থেকে ৬০ মিনিট বা এক ঘন্টা ব্যায়াম করতে পারেন তাদের শরীর বেশি ফিট থাকে। তাই বলে কঠোর শারীরিক পরিশ্রম অথবা দীর্ঘসময় ব্যায়াম করার অব্যবহিত পরপরই স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক স্থাপন ঠিক নয়। ব্যায়াম করার সময় শরীরের রক্ত চলাচল বেড়ে যায়, অনেক ক্ষেত্রে খানিকটা রক্ত চাপও বাড়ে। ব্যায়ামের পর শরীর স্বাভাবিক হতে অন্তত তিনঘন্টা সময় লাগে। ব্যায়াম পুরুষের ফিটনেস দুইভাবে বাড়ায়।

এক• নিয়মিত ব্যায়াম করলে শরীর গঠনে সহায়ক হয় এবং শরীরে এনার্জি বা শক্তি বাড়ে।
দুই• নিয়মিত ব্যায়াম করলে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায় এবং রক্তের ভাসমান ভর্তি হ্রাস করে।
সব সময় মনে রাখতে হয় রক্তে চর্বিতে চর্বি যত কম তার ক্ষেত্রে স্বামী-স্ত্রীর মিলনে দীর্ঘসময় লাভে তত সহায়ক। শুধু চর্বি কম থাকলে চলবে না, উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসও মুক্ত থাকতে হবে। ডায়াবেটিস কিভাবে স্বামী-স্ত্রীর মিলনে সমস্যা তৈরি করে তা আর একদিন লিখবো।

মনে রাখতে হবে পুরুষের মিলনের ক্ষেত্রে একমাত্র রক্ত প্রবাহই মুখ্য ভূমিকা পালন করে। সম্পূর্ণ মানসিক ও শারীরিক প্রস্তুতি থাকলে রক্ত প্রবাহের মাধ্যমে পুরুষ তার চূড়ান্ত প্রস্তুতি গ্রহণ করে। যদি কোন কারণে বিশেষ স্থানে রক্ত প্রবাহ যদি ঠিকমত না হয় অথবা রক্ত প্রবাহিত হবার পর দ্রুত বের হয়ে আসে তাহলেও স্বামী-স্ত্রীর মিলন দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে না। আর শরীরে রক্ত প্রবাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী অন্য কোন রোগ না থাকলে ব্যায়ামের মাধ্যমেই শরীরটাকে ফিট রাখা যায় এবং কাঙিক্ষত ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় রক্ত প্রবাহ তৈরি হয়ে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। ব্যায়াম শুধু শরীর গঠনে সহায়ক তাই নয়, ব্যায়াম রক্তনালীতে চর্বি জমতে দেয় না। ফলে হার্টের রক্তনালীতে ব্লক সৃষ্টির ঝুঁকি কম থাকে। তাই শরীরটাকে ফিট রাখার জন্য পুরুষের নিয়মিত ব্যায়াম করা উচিত।
একটি উদাহরণ দিয়েই লেখাটি শেষ করবো। গত সপ্তাহে চেম্বারে একজন রোগী পেলাম যার বয়স ৮০ বছর। শারীরিক সমস্যা বা যৌন সমস্যা নিয়ে এত বয়সের রোগী আর আসেনি। এর আগে ৭৬ বছর বয়সী এক রোগীকে পেয়েছিলাম। আমার ধারণা ছিল বয়োজেষ্ঠ এই পুরুষ যাকে আমি চাচা বলে সম্বোধন করেছি। চাচার মুখে অনেকগুলো সেবোরিক ক্যারাটোসিস বা পুরু কালো চামড়া ছিল। অনেকটা ফ্লাট আঁচিলের মত। ভেবেছিলাম এগুলো সরাতে চান। কারণ ইদানীং বেশকিছু বয়সী পুরুষ রোগী আসছেন মুখের দাগ, আঁচিল, তিল, পুরু চামড়া সরাতে। এদের মধ্যে একাধিক রাজনীতিবিদ, সাবেক সচিব, সিনিয়র সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের নেতা রয়েছেন। আমার ধারণা আজকাল স্যাটেলাইট চ্যানেলে এসব ভিআইপি পুরুষ রোগীদের প্রায়শই দেখা যায়। তাই হয়ত মুখের এই পরিচর্যা। যাহোক, চাচাকে জানতে চাইলাম কি সমস্যা। হেসে বললেন, বয়স হয়েছে কিন্তু ইচ্ছাটা এখনো রয়েছে। এই বয়সের রোগীদের জন্য কোন চিকিৎসা আছে কিনা। যাহোক চাচার সঙ্গে প্রায় ৪৫ মিনিট আলাপ করলাম। চাচা জানালেন, ৭০/৭২ বছর পর্যন্ত ভালো ছিলেন। তার স্ত্রীর বয়স ৫০ এবং তাদের ৮টি সন্তান রয়েছে। চাচা এটাও জানালেন এই বয়সেও তিনি প্রতিদিন ফজরের নামাজ শেষে হাঁটতে অভ্যস্ত। মেনে চলেন নানা নিয়ম-কানুন। এই বয়সেও তাকে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরল স্পর্শ করতে পারেনি। চাচার মত শক্ত সামর্থ্য শরীর রাখতে নিয়মিত ব্যায়াম করুন। পরিমিত আহার করুন।
**************************
ডাঃ মোড়ল নজরুল ইসলাম
চুলপড়া, যৌন সমস্যা ও চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ
এবং লেজার এন্ড কসমেটিক্স সার্জন
বাংলাদেশ লেজার স্কিন সেন্টার
বাড়ী নং-২২/এ, রোড-২, ধানমন্ডি, ঢাকা।

বাজারে pregnancy টেস্ট করার কিট পাওয়া যায়, কিনে খুব সহজেই সকালের urine sample দিয়ে টেস্ট করাতে পারেন। বিষয়টি গোপনীয় ও থাকবে + ঝামেলা মুক্ত। তবে কিছু ক্ষেত্রে ভুল রেজাল্ট আসতে পারে।

৬০৭

(১২ replies, posted in সমস্যা ও সমাধান)

Same port ইউজ করলে সমস্যা হবার কথা না!

দিয়ে দিলাম!

http://edoctorbd.com/images/articles/nov2010/cotton%20bud.jpg


কটনবাড ব্যবহার করে মৃত্যুবরণ করা বিরল ঘটনা। সম্প্রতি প্রকাশিত একটি রিপোর্ট থেকে জানা যায়, ঘটনাটি ঘটে কানাডার মন্ট্রিলে। ঘটনা তদ-কারী কর্মকর্তা ডাঃ জেসক রামসে কানাডার স্বাস্থ্য বিভাগকে বলেছেন যে, কটন বাডের প্যাকেটের ওপর সতর্কবাণী লিখে দিতে। মন্ট্রিল নিবাসী ৪০ বছর বয়স্ক মি. ডেনিয়েল সেন্ট পিয়ে গত বছর মৃত্যুবরণ করেছেন। তার মৃত্যুর কারণ হলো বহিঃকর্ণের ইনফেকশন, যা কানের পর্দা ছিদ্র করে মেনিনজাইটিস করেছে। মি. সেন্ট পিয়ে একজন কানে মাত্রাতিরিক্ত কটনবাড ব্যবহারকারী। যে কারণে প্রতিদিন বারবার ব্যবহারের ফলে তার বহিঃকর্ণে ইনফেকশন হয় এবং পরে তিনি আরো বেশি কটনবাড ব্যবহার করাতে তার বহিঃকর্ণের ইনফেকশন মধ্যকর্ণ থেকে অন্তঃকর্ণে বিস্তৃতি লাভ করে। অন্তঃকর্ণ থেকে মস্তিস্ক এবং মস্তিস্কের আবরণ মাত্র কয়েক মিলিমিটার দূরে। যার ফলে ইনফেকশন অতি সহজেই মস্তিস্ক এবং তার আবরণে সংক্রমিত হয়ে হতে পারে মেনিনজাইটিস বা স্পাইনাল কর্ডের চার পাশের প্রদাহ, যা কানের ইনফেকশনের জটিলতা হিসেবে দেখা দেয়।

গত বছর মার্চে মি. সেন্ট পিয়ে কান ব্যথা ও কান থেকে রক্তপাতের জন্য হাসপাতালে গিয়েছিলেন। তার কানের পর্দা এত বেশি ফুলেছিল এবং তার কানে এত বেশি রক্ত জমেছিল, যে ডাক্তার কানের পর্দা ভালো করে দেখতে পারেননি। চিকিৎসক তাকে একটি কানের ড্রপ দিয়ে ছেড়ে দেন। সে দিন রাতে বাড়িতে তার অবস্থার আরো অবনতি হয়। তার স্ত্রী তখন জরুরী অ্যাম্ঁুলেন্স ডেকে তাকে মন্ট্রিল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান এবং ভর্তি করেন। ডাক্তারদের শত চেষ্টার পরও সেখানে তার মস্তিস্ক এবং মস্তিস্কের আবরণের প্রদাহজনিত কারণে জীবনাবসান ঘটে, যা কিনা কটন বাড ব্যবহারের জন্য হয়েছিল। ডা. রামসে বলেছেন, অতিরিক্ত কটনবাড ব্যবহার করলে বহিঃকর্ণ ফুলে যায় এবং তা ব্যবহারকারীকে কান বন্ধ থাকার একটি অনুভূতি দেয়। ডা.

জেকস কানাড়ার স্বাস্থ্য বিভাগকে কডন বাডের প্যাকেটের গায়ে ‘রেড ী’ দিয়ে সতর্ক চিহৃ দিতে প্র-াব করেছেন।

কী কী কারণে কানের পর্দা ছিড়ে যায়ঃ

০ কোনো কিছু দিয়ে কান খোঁচালে

০ কোনো কিছু ঢুকলে, তা অদক্ষ হাতে বের করার চেষ্টা করলে

০ হঠাৎ বাতাসের চাপজনিত কারণে যেমন-কানে থাপ্পড় দিলে, কোনো বিস্ফোরণ ঘটলে, বক্সিং

০ হঠাৎ পানির চাপ, যেমন-পানির নিচে সাঁতার কাটলে, ওয়াটারপোলো, ডাইভিং ক্স মাথায় আঘাত বা দুর্ঘটনাজনিত কারণে।

উপসর্গঃ

০ কানে ব্যথা। প্রথমে তীব্র ও পরে অল্প ব্যথা।

০ কানে কম শুনতে পাওয়া। অল্প ছিঁড়ে গেলে অল্প কম শুনবে, বেশি ছিঁড়ে গেলে বধিরতা বেশি হবে।

০ কানে ভোঁ ভোঁ শব্দ হতে পারে। মাথা ঘোরাতে পারে, যদিও তা স্ঁল্পকালীন।

০ কান পরীক্ষা করলে দেখা যাবে, কানের পর্দায় ছিদ্র আছে এবং ছিদ্রের চার পাশে এলোমেলো এবং লাল হয়ে আছে।

০ বহিঃকর্ণে রক্ত জমাট থাকতে পারে।

চিকিৎসাঃ

০ কানে কোনো ইনফেকশন না হওয়ার জন্য অ্যান্টিবায়োটিক খেতে হবে।

০ ব্যথা থাকলে প্যারাসিটামাল খেতে হবে।

০ কানে কোনো পানি দেয়া যাবে না।

০ কান খোঁচানো যাবে না।

০ কানে কোনো ড্রপ দেয়া যাবে না।

০ সাতাঁর কাটা যাবে না।

০ দুই সপ্তাহ পর রক্ত জমা থাকলে তা বের করতে হবে নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞ দিয়ে।

০ রোগীকে আশ্ব- করতে হবে।

০ সাধারণত উপরিউক্ত চিকিৎসায় রোগী ভালো হয়ে যায়।

০ যদি রোগী দেরিতে চিকিৎসার জন্য কান থেকে পুঁজ পড়া বা ইনফেকশন নিয়ে আসে, তখন তা কানের বহিঃকর্ণ ও মধ্যকর্ণের প্রদাহ হিসেবে চিকিৎসা করতে হবে।

০ যদি কানের পর্দার ছিদ্র থেকে যায় তাহলে তিন মাস পর কানের মাইক্রোসার্জারির মাধ্যমে কানের পর্দা জোড়া লাগাতে হবে যা এখন বাংলাদেশে নিয়মিত করা হয়।

০ সাধারণত কানের পর্দা ছিঁড়ে গেলে যে কোনো ফার্মেসি থেকে কানের ড্রপ নিযে অনেকেই তা ব্যবহার করে, যা একেবারেই উচিত নয়। এ ক্ষেত্রে কানে কিছুই ব্যবহার করা যাবে না এবং নিকটস্থ হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা করাতে হবে বা নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে।

**************************
অধ্যাপক ডা. এম আলমগীর চৌধুরী
অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, ইএনটি
মেডিকেল কলেজ ফর উইমেন অ্যান্ড হসপিটাল, উত্তরা, ঢাকা।
দৈনিক ইত্তেফাক,  ১৭ এপ্রিল ২০১০।

৬১০

(৩ replies, posted in সমস্যা ও সমাধান)

go to control panel > (View by: large icon) > Power Option > যেটাই সিলেক্ট থাকুক > change Settings > সব নেভার করে সেভ সেটিংস।

আজকে এর afterlife টা দেখে শেষ করলাম!

গুয়াংজু এশিয়ান গেমসে ছেলেদের ক্রিকেটে আফগানিস্তানকে ৫ উইকেটে হারিয়ে সোনার পদক জিতেছে বাংলাদেশ।

ফাইনালে জয়ের জন্য বাংলাদেশের লক্ষ্য ছিলো ১১৯ রান। তিন বল বাকি থাকতে ৫ উইকেট হাতে রেখে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় আশরাফুলরা।
এর মধ্য দিয়ে ইতিহাস গড়লেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। এশিয়ান গেমসে এর আগে কখনোই সোনার পদক জিততে পারেনি বাংলাদেশ।

শুক্রবার গুয়াংগং আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে আফগানিস্তান নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে করে ১১৮ রান।

আফগানিস্তানের হয়ে আসগার স্তানিকজাই করেন দলীয় সর্বোচ্চ ৩৮ রান (৩৬ বলে)। ২৫ রান আসে সাব্বির নুরীর ব্যাট থেকে।

বাংলাদেশের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন নাইম ইসলাম, শাহাদাত হোসেন এবং মোহাম্মদ আশরাফুল। একটি করে উইকেট পেয়েছেন নাজমুল হোসেন এবং নাসির হোসেন।

রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই অবশ্য উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ৫ রান করে সাজঘরমুখী হন উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান নাজিমউদ্দিন।

অন্য উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান মিঠুন আলী আউট হন ২২ রানে। এরপর অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুল ১০ রান করে ফিরে গেলে চাপে পড়ে বাংলাদেশ।

ফয়সাল হোসেন ৩ এবং শুভাগতহোম চৌধুরী ১ রানে সাজঘরে ফিরে গেলে হারের শঙ্কায় পড়ে দল।

কিন্তু সেই বিপর্যয়ে হাল ধরেন বাংলাদেশের দুই ব্যাটসম্যান নাইম ইসলাম এবং সাব্বির রহমান। শেষদিকে ঝড়ো ব্যাটিং করে দলকে এনে দেন সোনার পদক।

দলকে লক্ষ্যে পৌঁছে দিয়ে নাইম ৩৪ (৪১ বলে) ও সাব্বির ৩৩ রানে (১৮ বলে) অপরাজিত ছিলেন।

আফগানিস্তানের হয়ে দুটি উইকেট নেন কারিম সাদিক।

এবারের এশিয়ান গেমসে এটি বাংলাদেশের তৃতীয় পদক। এর আগে মেয়েদের ক্রিকেটে রুপা জিতেছিল দল। বাংলাদেশের মহিলা কাবাডি দল জিতে ব্রোঞ্জ পদক।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এটি/১৫০৫ ঘ.

এরাই দেশটাকে টেনে পিছনে ধরে রাখছে!

আপনি পুরানো ফায়ারফক্স ব্যবহার করছেন! আপডেট করে নিন।

আপনার গোপন বার্তা চেক করুন। তবে সিরিয়াল নাম্বার দেয়ার সময় ইন্টারনেট কানেকশেন disconnect রাখবেন।

৬১৬

(২ replies, posted in ভিন্ন জগত)

আমার এক মেডিকেল এর বন্ধু রুম এ আসছিল খুজতে,  ~X

আমি ম্যাক্স connection ২০ দেই, আর গ্লোবাল ৩০!  (y)

আইটেম এর পাহাড়ের নিচে চাপা পড়ছি!  ~X   feeling beat up   ~X

কাজ হয়?  I don't know

ইউটিউব থেকে ভিডিও এমবেড করার প্লাগিন লাগাই নাই!  worried

ইয়াহু কাজ করছে!  :ইয়াহু:

পড়াশোনার চাপে লেখা লেখি খুব কম ই করি। তারপরে আজ মনের দু:খ নিয়ে কিছু কথা লিখতে হচ্ছে। প্রসঙ্গ নতুন নয়, সেই পুরানোই। তবে এবার পুরানো ঘটনায় কিছুটা নতুন ভাবে।

ঘটনার সূত্রপাত: 
বেশ কিছুদিন আগে, সাইফ (সাইফ দি বস) এর জেএসসি পরীক্ষা চলছিল, তার ব্লগ saiftheboss.com এ হুবুহু বিজয় এর মত করে তৈরি করা customized একটা লেআউট ছিল। নেহাত এ অভ্র বিজয় ঝামেলার পর অনেকের ই যারা আগে অভ্র ব্যবহার করে বাংলা লিখতেন, তাদের সুবিধার জন্যই এটি তৈরি করা ছিল। যাই হোক, ঘটনা গড়াতে গড়াতে বিজয় এর মোস্তফা জব্বার (ডিজিটাল বাংলাদেশের কর্ণধার) এর ফেসবুক এর ওয়াল পর্যন্ত গড়াই, এবং তিনি লেআউট টি কপি রাইটের অজুহাতে টা মুছে দিতে বলেন। নেহাত এ ঝামেলাই ই যেতে চাই না, মেডিকেল এ পড়ি, উটকো ঝামেলায় জড়ানোর কোন মনে আমি দেখি নি। আব্বা আম্মার জন্য জেএসসি পরীক্ষার মধ্যে বাসায় নেট ও ছিল না। সাইফ এর সাথেও রাজশাহী থেকে কোন ভাবে যোগাযোগ করতে পারছিলাম না। পরে admin হয়ে ওর ব্লগ থেকে লে আউট টি সরিয়ে রাখলাম। ঝামেলা মিটে গেল, কিন্তু প্রযুক্তি প্রেমী এক ছোট বালকের জন্য টা যেন এক অন্যরকম চ্যালেন্জ হয়ে উঠল। এত খেটে খুটে বানানো এক কী বোর্ড আর কারো উপকারে লাগবে না, তা কী হয়? শুরু হয়ে গেল আরেকটি অধ্যায়।   

নতুন পথচলা:
ঠিক ই সাইফ আইন না ভেঙ্গেই তার কী বোর্ড যেন সবার কাজে লাগতে পারে সেই চেষ্টা করতে থাকে।  আইডিয়া ও চলে আসে, সে বিজয় কী বোর্ড এর প্রতি টা কী স্ট্রোক এর অক্ষর গুলো কে উল্টো করে সাজিয়ে ফেলে। ফলে এক নতুন ধরণের কী বোর্ড ভেসে উঠে, যেমন বিজয় এর সব শিফট চেপে আশা অক্ষর গুলো কে সে শিফট না চেপেই দেবার ব্যবস্থা করে দেই, ফলে বিজয় কী বোর্ড এ যেটা শিফট চেপে দিতে হতো টা এখন, শিফট না চেপে দিলেই হবে। আর আগের সরাসরি গুলো শিফট চেপে আনতে হবে। আইডিয়া টি যেমন প্রশংসার যোগ্য তেমনি কৃতিত্বের দাবিদার ও। বের হল লেআউট এর নতুন ভার্সন  3। বিজয় যদি আসলেও কেও মনে প্রাণে সাপোর্ট করে এ দিয়ে লিখতে তার খুব সমস্যা হবে বই কী! যেমন সে “কলা” লিখতে যেয়ে লিখে ফিলবে “খরঅ”। মূলত যারা সাইফ এর কী বোর্ড ব্যবহার করে লিখবে, পুরাতন বিজয় ব্যবহার কারীদের এই সমস্যাই পড়তে হবে। পোস্ট টি দেখুন এখানে: http://www.saiftheboss.com/1003.html

বিপদের সূত্রপাত :
এই কী বোর্ড লেআউট নিয়ে অভ্র আর বিজয় নিয়ে কত কেচ্ছা কাহিনী হল। কীবোর্ড বিতর্ক আর শেষ হলো না। জব্বার সাহেব মেল করলেন আমাকে আর আমার ছোট ভাই কে, অবিলম্বে এই কী বোর্ড টিও সরিয়ে নেবার জন্য। নাহলে কপিরাইট আইনের মারপ্যাচে যে সাইফ কে বেশ ভুগতে হবে, সে কথাও তিনি মেল এ লিখলেন। আমাকে লিখলেন ঈদ এর দিন তিনি পুলিশ স্টেশন এ যেতে চান না। ক্লাস 8 এ পড়া একজন ছেলেকে যদি কপিরাইট এর মারপ্যাচ বুঝাতে চান সেকি কিছু বুঝতে পারবে নাকি বুঝতে চাবে। আমি ফিরতি মেল এ জানতে চাইলাম, আপনার বিজয় এর কপিরাইট এর এক কপি আপনার ওয়েবসাইট বা কোনো পত্রিকায় দিয়ে দিন, যাতে সে বুঝতে পারে যে সে কোথায় ভুল করছে। তিনি আমাকে টাকা দিয়ে তুলে নিতে বললেন। বেশ অবাক হলাম। ক্লাস ৮ এ পড়া একটা ছেলে বিজয় কীবোর্ড থেকে আলাদা একটা কী বোর্ড বানিয়েছে, তাকে কোথায় বাহবা দিয়ে ভবিষ্যত এ আর যাতে দুনিয়া কাপান সফ্টওয়্যার বানাতে পারে তার ইন্সপিরেশন না দিয়ে তিনি আগারগও থেকে কপিরাইট এর কপি টাকা দিয়ে উঠিয়ে নিয়ে আসতে বললেন। বিচিত্র এই দেশ! সেলুকাস! বিচিত্র আমরা!

বর্তমান অবস্থা:
মা বাবা ভদ্রতা শিখিয়েছেন ছোট বেলা থেকেই। বাইরে যত কোথায় শুনি বিজয় দিয়েই বাংলা লেখার হাতেখড়ি, মোস্তফা জব্বার সাহেব কে শ্রদ্ধা করি। মেল করেছেন, বিজয় কী বোর্ড এর লে আউট ডাউনলোড লিঙ্ক আপাতত স্থগিত রেখেছি। নিজে মাইক্রোসফ্ট এর বাংলা ল্যাঙ্গুয়েজ টূল দিয়ে বাংলা লিখি। তিনি আব্দার করলেন তার নামে ব্লগ এ যত গুলো কমেন্ট এসেছে সেগুলো ও মুছে দিতে হবে, এও কী সম্ভব? মানুষের ভাল খারাপ কমেন্ট করবে, ভাল না লাগলে মুছে দিতে হবে?

বাংলা দেশ বাংলা ভাষা নিয়ে আমার আশা:
যুদ্ধ দেখিনি, তবে ভাষার জন্যই যে যুদ্ধ হয়েছিল তা জানি। তবে যুদ্ধ শেষ হয়েছে কিনা জানিনা! আজও হাজার মানুষ জানে না কিভাবে ওয়েবসাইট এ বাংলা লিখতে হয়, কিভাবে তার জানা চিরাচরিত বিজয় এ সে ওয়েবসাইট এ বাংলা লিখবে, জানেনা, এক্সপি তে বিজয় ইনস্টাল থাকার পর ও কেন ফেস বুক এর বাংলা লেখা বক্স বক্স আসে। জানেনা সে কোনও কপিরাইট লংঘন করছে কিনা। জানেনা টাকা ছাড়া লিগাল ভাবে কিভাবে সে চেনা লেআউট এ সহজে বাংলা লিখতে পারবে! জানতে পারবেও না! ভাষা কে যাদের সামনে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল, তারাই আজ  ভাষা কে শিকল দিয়ে রেখেছে। হইত কোনও ব্যক্তিস্বার্থ বা অর্থলোলুপ দৃষ্টিভঙ্গি। চেয়েছিলাম ফেব্রুয়ারী এর কড়া ভাষণের মত “সর্বস্তরে বাংলা ভাষা চালু কর”, আপাতত ভাই পুরান চেনা লে আউট এ কোনরকম বাংলা টা লিখতে পারলেই বাচি।

দেশের স্বার্থ সবার আগে!
লে আউট এর কপিরাইট থাকবে না টা বলছি না! থাকবেই! তিনি এত কস্ট করে একটি কীবোর্ড বানিয়েছেন তার মেধার মূল্য আপনি দেবেন না! মেধাসত্ব আইন বলে একটা কথা আছে না! কিন্তু যে আইনে এক মেধার জন্য হাজার মেধা বিকশিত হবার পথ রুদ্ধ হয়, যে আইনে ক্লাস ৮ এ পড়া একটি বাচ্চা ছেলে কে জেলের ভয় কিংবা উকিল আদালতের ভয় দেখতে হয়, সেখানে মেধা কী হাওয়া থেকে আসবে? দেশকে গড়বে নতুন প্রজন্ম। দেশ কে ভালো বসলে আমাদের কিছু ব্যক্তিস্বার্থ কে বলিদান দিতে হবে।

শেষ কথা:
Inception মুভি তে দেখেছিলাম, নায়ক বলে “When an idea has taken hold of the brain, it is almost impossible to eradicate” সাইফ এখন নব আবিস্কারে উন্মত্ত। ওর ই তো সময়। এভাবে যদি আপনারা এক একটি প্রতিভা কে মূলেই কেটে ফেলেন, তাহলে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ তো বন্ধ্যা হয়ে যাবে। শুধু নামে দেশ ডিজিটাল হলেও হতে পারে কিন্তু কাজে দেশকে আগাতে হবে। একটি মাত্র আইডিয়া ও দেশের চেহারা কে বদলে দিতে পারে, নতুন আইডিয়া কে গ্রহণ করার মানুষিকতা দাও আমাদের প্রভু। দেশকে ভালোবাসার শক্তি দাও, সাহস দাও।   
আমি তৌফিক হাসান (শাওন দি বস 4)
রাজশাহী মেডিকেল এ আছি. . .

যে কেও লেখাটা যেখানে খুশি সেখানে নাম উল্লেখ পূর্বক শেয়ার করতে পারেন।

Zoom করে দেখ।

কাজ হচ্ছে আমার!  :ইয়াহু:

http://my.jetscreenshot.com/2862/m_20101117-57fp-65kb.jpg

http://my.jetscreenshot.com/2862/m_20101117-m2sj-9kb.jpg

http://my.jetscreenshot.com/2862/m_20101117-we6u-61kb.jpg

http://my.jetscreenshot.com/2862/m_20101117-ihqo-11kb.jpg