তবে ধনুকের ছিলা ঝুলিয়ো না।
আচ্ছা এই ধনুকের ছিলার ব্যাপারটা বুঝলাম না ! 
You are not logged in. Please login or register.
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ফোরাম → Posts by sawontheboss4
তবে ধনুকের ছিলা ঝুলিয়ো না।
আচ্ছা এই ধনুকের ছিলার ব্যাপারটা বুঝলাম না ! 
দারুন হয়েছে! রেপু দিতেই হবে! (y)
2য় টার জন্য মাইনাস দিলাম, কারণ এত কস্ট করে ডাউনলোড করে দেখলাম, স্প্যানিশ ভাষা! ~X ক্যান ভাই, ইংগ্লিশ ভাষার একটা লিঙ্ক কী দিতে পারতেন না?
থ্যাংক্স Jyoty আপলোড এর জন্য। 
মাইক্রো রক্স :ইয়াহু:
Cache আর কুকি Clear করে দেখ
এই শীতে উচু বিল্ডিং এ থেকেও শীতে কাপছি, আর যারা রাস্তাই আছে তাদের কথা চিন্তা করে আসলেই খুব খারাপ লাগছে, Facebook এ একটা গ্রুপ ছিল, যেটাতে এদের সাহায্য করার জন্য কাজ করছিল, আমি সেই গ্রুপ এ জয়েন করেছিলাম, ধন্যবাদ আপনাকে এরকম নিগৃহিত দের জন্য কবিতা লেখার জন্য।

রাজশাহী মেডিকেল ফোরাম এগিয়ে চলেছে তার স্বতন্ত্র গতিতে, গতকাল সারারাত খাটা খাটুনি করে ফোরাম এ একটি কাস্টমাইজড গুগল সার্চ ইঞ্জিন বসানো হল, এখানে কোনও কিছু সার্চ করলে ফোরাম + আরও 3টি সাইট থেকে সার্চ করে দেখাবে।
:তালি: :তালি: টোকাই দের নিয়ে এরকম ছোট্ট একটি সুন্দর কবিতা লেখার জন্য একটি রেপু, সমাজের সবচেয়ে অবহেলিত মানুষের কোথাও যে আপনার মাথায় আছে, সেটাই আমার সবচেয়ে ভাল লেগেছে। (y)
Credit Goes to Sujon Paul







শুভ্রটা আমাদের শাওন ভাই । বাকিটা শাওন ভাইকে জিজ্ঞেস করেন উনি বলে দিবে ।
কী যে বলেন না! :n_n একেতো বিবাহিত তার উপর পরকীয়া, তাও আবার হবু ডাক্তার এর পিছনে কেও এভাবে লাগবে না!

আমি : বাস্তব যে বড় কঠিন..........নির্মম । থাকি না কিছু অবাস্তবে
এতটুকু তে অনেকরই মনের কথা লুকিয়ে রয়েছে,
বড় ভাল লাগলো!
পরকীয়ার কড়া তীব্র ঝাজ পাচ্ছি, পুনশ্চ: এত ভালোবাসা বিয়ের আগে কোথায় ছিল, "নাকি এখন তার মজনু লটারি জিতছে"
এতসব ঝামেলার জন্য আজকে খবর পেলাম শেয়ার বাজার বন্ধ। 
ফেসবুক এর ছবিতে রাইট মাউসে ক্লিক করে কপি ইমেজ ইউআরএল দিলেও পেস্ট করে ইমেজ লিঙ্ক দিলেও হবে, (y)
এটা আমার ল্যান এর কালেক্শন। কোনটা লাগবে তাড়াতাড়িই বলেন, রাজশাহী নিয়ে আসবো, আর দেখি তাড়াতাড়িই একটা 1টিবি কিনতে হবে। 
কার ও কোনও ডিমান্ড থাকলে তাড়াতাড়িই বলেন।
আপনার জন্য নতুন একটি টপিক Facebook এর অ্যালবাম এ আপলোড করে ফোরাম এ ছবি দিন লিখলাম, আশা করি অনেক উপকারে লাগবে।
1। যেকোনো ছবি ফেসবুক এ আপলোড করুন। (এজন্য আমাদের ফোরাম এর ফ্যান page টি ব্যবহার করার অনুরোধ করছি)
2। তারপর high res এর লিঙ্ক কপি করুন
3। পেস্ট করুন
http://hphotos-snc4.fbcdn.net/hs1025.sn … 7010_o.jpg
4। ছবি মত পুরো লিঙ্ক টি সিলেক্ট করে ইমেজ লিঙ্ক এ ক্লিক করুন
দিলে টা দেখাবে এরকম
এখন প্রিভিউ বা সাবমিট দিলেই ছবি দেখতে পাবেন, এতে এক কাজে দু সুবিধা হল, ফেসবুক এর গ্রুপ এ আপলোড ও হল সাথে ফোরামেও হল। (y)
মোবাইল ক্যামেরা দিয়ে তোলা হলেও, রেসুল্টীয়ন বেশ ভালই মনে হচ্ছে। আরেকটা কথা: ছবিগুলো Tinypic এ আপলোড করা, ইচ্ছা করলেই ছবিগুল ফোরামের fan page এ আপলোড করে, (ডাউনলোড ইন হাই Res) এর লিঙ্ক বসিয়ে কাজ গুলো করা যায়।
আমাদের দেশে যেই একটা আছে, সেটাই টিকে কিনা?







আমি তো অনলাইন থেকে ১ টাকাও ইনকাম করতে পারলাম না,আবার দিমু কেমনে? (n)
আরে ভাই, অনলাইন ইনকাম এর সাথে এর বিন্দু মাত্র সম্পর্ক নাই, ক্যাশ এর খেলা সব, মানুষ ঠকান বিজনেস! 

কিছুদিন আগে আমাদের মেডিকাল এর এক বন্ধু আমাকে টাকা ইনভেস্ট করার জন্য এই কোম্পানীর নাম বলে, আরও বলে সে নাকি ইনভেস্ট করে টাকা অলরেডি পাচ্ছে, কিটু আজই বাংলানিউজ 24 এর খবরে দেখতে পেলাম : [box]পুঁজিবাজারের দরপতনে ইউনিপে টুকে দায়ী করলেন অর্থমন্ত্রী [/box]
পরে আর বিস্তারিত জানতে পারলাম:
[box]সাঈদুর রহমান রিমন, সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম.বিডি
সিলেট: ইউনিপেটুইউ’র অনলাইন ব্যাংক অ্যাকাউন্টে কোটি কোটি টাকা জমা দিয়ে এখন কপাল চাপড়াচ্ছেন সিলেটের বিনিয়োগকারীরা। নিজেদের ভুলের জন্য একে অন্যকে দুষছে তারা। তবে দোষের ভাগীদার হতে রাজি নন গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। তারা এখন নিজেদের গা বাঁচাতে মরিয়া।
অথচ মাত্র ক’দিন আগেও এসব গণ্যমান্য ব্যক্তির কথার ওপর ভরসা করেই ইউনিপেটুইউর কথিত সোনা ব্যবসায় টাকা দিতে সিলেটজুড়ে হিড়িক লেগেছিল। দ্বিগুণ লাভের আশায় সহায় সম্বল বিক্রি করে সাধারণ মানুষ তাদের সর্বস্ব জমা রাখছিল। অথচ এখন তারা নিঃস্ব হওয়ার আশঙ্কায় বুক চাপড়ানো শুরু করলেও দায় নিতে রাজি নন গণ্যমান্যরা।
তাই লাভ দূরে থাক, মূলধন ফেরত পাওয়ার আশায় বিনিয়োগকারীরা এখন ধর্ণা দিচ্ছেন ইউনিপেটু’র গোপন বুথগুলোতে। হন্যে হয়ে ছুটে যাচ্ছেন এজেন্টদের আস্তানায়, ঘুরছেন ব্যাংকের শাখায় শাখায়। কিন্তু এজেন্টরা রাতারাতি ভোজবাজির মতো হাওয়া হয়ে যাওয়ায় আরও বেশি মুষড়ে পড়ছেন বিনিয়োগকারীরা।
সিলেট থেকে ফিরে এসব চিত্রই তুলে ধরেছেন বাংলানিউজ’র সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট সাঈদুর রহমান রিমন।
গত ১১ মাসে ইউনিপেটুইউ’র অনলাইন অ্যাকাউন্টে ৫০ লাখেরও বেশি টাকা জমা দিয়েছেন নগরীর সোবহানীঘাটের ডা. আনোয়ার হোসেন। গত কয়েক দিনে বাংলানিউজ’র ধারাবাহিক প্রতিবেদনে ইউনিপেটুইউ’র প্রতারণা ব্যবসার গোমর ফাঁস হওয়ায় সিলেটজুড়ে যে পরিস্থিতির তৈরি হয়েছে, তাতে নিজের ভুলটা ভালোই ধরতে পেরেছেন তিনি।
তবে বিশেষ লাভ হয়নি তার। বরং ঘোর বিপদের আশঙ্কায় দিন কাটছে তার। গত চার মাসে আড়াই লাখ টাকা তুলতে পারলেও বাকি টাকা তোলার কোনো উপায় খুঁজে পাচ্ছেন না তিনি। পাগলের মতো এখানে ওখানে ছুটছেন, এজেন্টদের খুঁজছেন। কিন্তু কাউকেই খুঁজে পাচ্ছেন না।
ডা. আনোয়ার যে শুধু নিজে প্রতারিত হয়েছেন তাও নয়। তার কথায় আস্থা রেখে আরও অনেকেই নাম লিখিয়েছেন এ প্রতারণার ব্যবসায়।
সোবহানীঘাট শিশুপার্ক এলাকার বাসিন্দা আলকিছ চৌধুরী, লুৎফুন্নাহার, মতিউর রহমান, মেজবাহউদ্দিন, কলেজ ছাত্র রুবেলসহ কয়েকজন বাংলানিউজকে বলেন, ডাক্তার সাহেবের কথা বিশ্বাস করেই এক দেড়শ’ মানুষ বহু টাকা জমা দিয়েছি। টাকাগুলো মার গেলে আমরা তাকেই ধরব।
তবে ডা. আনোয়ারের ভাইয়ের ছেলে সামসিদ আলী চাচাকে বাঁচাতে বলেন, ‘নিজেরা টাকা জমা দিয়ে ডাক্তার সাহেবের ওপর দোষ চাপালে তো চলবে না। কেউ তো ডাক্তার সাহেবের অ্যাকাউন্টে টাকা জমা দেয়নি। যার অ্যাকাউন্টে দিয়েছে তাকে গিয়ে ধরুক।’
শুধু সিলেট নগরীতেই নয়, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজারেও বিনিয়োগকারীরা একে অন্যকে দুষছে।
ইউনিপেটুইউ’র সোনা বাণিজ্যের প্রতারণার কথা ছড়িয়ে পড়ায় সুনামগঞ্জের গ্রাহকদের মধ্যেও হাহাকার শুরু হয়েছে। এ জেলার সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগকারী রয়েছে জগন্নাথপুর থানায়।
এ থানার সৈয়দপুর সিনিয়র আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ রেজোয়ান আহমেদের তৎপরতায় ৫/৬ হাজার বিনিয়োগকারী কোটি কোটি টাকা ইউনিপেটুইউ’র অ্যাকাউন্টে জমা দেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে অধ্যক্ষও ভোল পাল্টে ফেলেছেন।
রেজোয়ান আহমেদ বাংলানিউজকে বলেন, ‘ইউনিপেটুইউ নামের কোনো ভুয়া সংস্থার সঙ্গে আমার বিন্দুমাত্র সম্পৃক্ততা নেই। ওই সংস্থায় টাকা জমা রাখা হালাল কি হারাম, সেটাও আমার জানা নেই।’
একজন শিক্ষক হিসেবে এ ধরনের ব্যবসায় নিজেকে জড়ানোর কোনো সুযোগ নেই বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
তবে এর সঙ্গে নিজের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. রহমত আলী।
তিনি বাংলানিউজকে জানান, সংস্থাটির দায়িত্বশীল কয়েকজনের পরামর্শে তিনি নিজে সদস্য হয়ে বেশ কিছু টাকা ইউনিপেটুইউ’র অ্যাকাউন্টে জমা দিয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত কোনো লাভ বা টাকা ফেরত পাননি তিনি।
তিনি বলেন, ‘আমি সবাইকে বলেছি ঝুঁকি নিতে চাইলে নিজ দায়িত্বে টাকা বিনিয়োগ করেন।’
সমাজের একজন মান্যগণ্য ব্যক্তি হিসাবে কোনো খোঁজ খবর না করে অন্যকে বিনিয়োগ করতে উৎসাহিত করা উচিত কি-না, এমন প্রশ্নের জবাবে রহমত আলী বলেন, ‘ইউনিপেটুইউ’র সঙ্গে সম্পৃক্তরা সবাই ভাল ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিত্ব। সংস্থার চট্টগ্রাম অঞ্চলের দায়িত্বে থাকা কয়েকজন কর্মকর্তা সংস্থাটি ভুয়া নয় বলে আমাকে নিশ্চিত করেছেন।’
তিনি নিজের অবস্থানকে যৌক্তিক প্রমাণ করতে আরও বলেন, ‘আমার জানামতে বেশ কয়েকজন নগদ এক কোটি টাকা করে বিনিয়োগ করেছে। সেখানে ১০/১২ লাখ টাকা বিনিয়োগ করতে ভয়ের কী আছে?’
সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা চিন্তাহরণ দাসের সরাসরি তত্ত্বাবধানে ইউনিপেটুইউ’র এ অবৈধ বাণিজ্যের প্রচারণা চলছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ভারপ্রাপ্ত ওই শিক্ষা কর্মকর্তা কয়েকজন প্রাথমিক শিক্ষকের বাসায় রীতিমত অফিস সাজিয়ে এ ব্যবসা চালাচ্ছেন। তার অধীনে উপজেলার ৭ শ’ শিক্ষক সরাসরি ইউনিপেটুইউ’র এজেন্টে পরিণত হয়েছেন। শিক্ষকদের বাসায় বাসায় গভীর রাত পর্যন্ত চলে বিনিয়োগকারী (গ্রাহক) বানানোর তৎপরতা।
এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে চিন্তাহরণদাস বাংলানিউজকে জানিয়েছেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে ইউনিপেটুইউ’র একজন গ্রাহক মাত্র। দাপ্তরিক ক্ষমতা খাটিয়ে কোনো শিক্ষককে ইউনিপেটুইউতে সম্পৃক্ত করার অভিযোগটি ডাহা মিথ্যা।’
তবে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা অভিযোগ করে বলেন, সমাজের বিশিষ্ট লোকদের সাইনবোর্ড হিসেবে ব্যবহার করে ইউনিপেটুইউ সিলেটজুড়ে প্রতারণার জাল ছড়ায়।
এসব স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের পাশাপাশি চিকিৎসক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিকে দায়ী করে তারা বলেন, ‘এরাও ইউনিপেটুইউ চক্রের অন্যতম সদস্য। এখন ইউনিপেটুইউ’র প্রতারণা ফাঁস হতে থাকায় নিজেরা গাঢাকা দেওয়ার পাঁয়তারা চালাচ্ছে।’
তারা বলেন, এসব প্রতিষ্ঠানের ছাত্ররা ল্যাপটপ কাঁধে মানুষের বাড়িতে হাজির হয়ে সহজ সরল মানুষকে নানা লোভ দেখিয়ে বিনিয়োগে করতে আগ্রহী করে তুলেছে।
বাংলাদেশ সময় : ১৬১০ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১০[/box]
এই সব প্রতারক চক্র হতে সাবধান! খবরদার অল্প সময়ে বেশি লাভের আশা করবেন না।
আরও দেখুন :
সিলেটে ইউনিপেটুইউ’র প্রতারণায় পুলিশি তদন্ত শুরু
সিলেটজুড়ে ইউনিপেটুইউ’র ডিজিটাল প্রতারণা
স্থগিতাদেশ মানছে না ইউনিপে-টুইউ, গ্রাহক প্রতারণা চলছেই
ইউনিপে টু ইউ নামের নতুন হায় হায় কোম্পানি হাতিয়ে নিয়েছে হাজার কোটি টাকা !
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ফোরাম → Posts by sawontheboss4
Powered by PunBB 1.4.2, supported by Informer Technologies, Inc.
Currently installed 6 official extensions. Copyright © 2003–2009 PunBB.
Generated in ০.১ seconds (৫৫.১২% PHP - ৪৪.৮৮% DB) with ৭ queries