ইউরোপের দেওয়া কোটি কোটি ডলার গ্রামীণ ব্যাংক থেকে সরানোর অভিযোগ উঠেছে মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে। নরওয়ের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক প্রামাণ্যচিত্রে এ অভিযোগ তোলা হয়।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম এর হাতে আসা নথিপত্রে দেখা গেছে, দারিদ্র্য দূর করার জন্য ভর্তুকি হিসেবে গ্রামীণ ব্যাংককে ১৯৯৬ সালে বিপুল পরিমাণ অর্থ দেয় ইউরোপের কয়েকটি দেশ। নরওয়ে, সুইডেন, নেদারল্যান্ডস ও জার্মানির দেওয়া অর্থ থেকে ১০ কোটি ডলারেরও বেশি গ্রামীণ ব্যাংক থেকে গ্রামীণ কল্যাণ নামে নিজের অন্য এক প্রতিষ্ঠানে সরিয়ে নেন ইউনূস।

ঢাকার নরওয়ের দূতাবাস, নরওয়ের দাতাসংস্থা নোরাড এবং বাংলাদেশ সরকারের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ এ অর্থ গ্রামীণ ব্যাংকে ফেরত নিতে চেয়েও পারেনি। ১০ কোটি ডলারের মধ্যে সাত কোটি ডলারেরও বেশি অর্থ ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণ নামের প্রতিষ্ঠানেই থেকে যায়।

এরপর গ্রামীণ কল্যাণের কাছে ওই অর্থ ঋণ হিসেবে নেয় গ্রামীণ ব্যাংক।

১৯৭৬ সালে গবেষণা কার্যক্রম হিসেবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন জোবরা গ্রামে ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রম শুরু করেন মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি তখন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতেন। ১৯৮৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে গ্রামীণ ব্যাংক।

নরওয়ের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে (এনআরকে) 'ক্ষুদ্র ঋণের ফাঁদে' নামে প্রামাণ্যচিত্রটির ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার হয় মঙ্গলবার।

প্রামাণ্যচিত্রটির নির্মাতা টম হেইনমান মঙ্গলবার রাতে টেলিফোনে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে কথা বলার জন্য ছয় মাস চেষ্টা করেছি। কিন্তু তিনি দেখাই করতে রাজি হননি।"

প্রামাণ্যচিত্রে তিনি ক্ষুদ্র ঋণ বিষয়টিকে 'ক্রিটিক্যালি' দেখার চেষ্টা করেছেন বলে জানান টম।

বুধবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের পক্ষ থেকে ইউনূসের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তার এক সহকারী জানান, মুহাম্মদ ইউনূস বিদেশে আছেন এবং ১২ ডিসেম্বর ফিরবেন। ওই সহকারী ইউনূসের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য তার একটি ইমেইল ঠিকানা দিয়েছেন। ওই ঠিকানায় ইউনূসকে মেইল করা হলেও এখনো তার জবাব আসেনি।

অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার জন্য টমকে ২০০৭ সালে বিশেষ পুরস্কারে ভূষিত করে ডেনিশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিজম।

কোটি কোটি ডলার 'আত্মসাতের' এ ঘটনা প্রকাশ যেন না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক ছিলেন ইউনূস। এ নিয়ে নোরাডের তখনকার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে চিঠিও লেখেন তিনি।

১৯৯৮ সালের ১ এপ্রিল লেখা ওই চিঠিতে ইউনূস বলেন, "আপনার সাহায্য দরকার আমার। ... সরকার এবং সরকারের বাইরের মানুষ বিষয়টি জানতে পারলে আমাদের সত্যিই সমস্যা হবে।"

নোরাড, ঢাকার নরওয়ে দূতাবাস এবং বাংলাদেশ সরকারের সংশ্ল্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে নীরব ভূমিকা পালন করে।

প্রায় ১৮ কোটি ডলার

গত শতকের ৯০-এর দশকের মাঝামাঝি থেকে শেষ পর্যন্ত গ্রামীণ ব্যাংক বিপুল পরিমাণ বিদেশি অর্থ পায়। ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশের গরিব মানুষদের দারিদ্রসীমার নিচ থেকে তুলে আনাই ছিলো ওই তহবিলের লক্ষ্য। নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক জোনাথন মরডাকের তথ্য অনুযায়ী, ওই সময় ভর্তুকি হিসেবে গ্রামীণ ব্যাংক ১৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার পেয়েছিলো।

ইউনূসের বিরুদ্ধে ১০ কোটি ডলার সরানোর যে অভিযোগ ওঠে, তার ব্যাখ্যাও তিনি দিয়েছিলেন নোরাডকে। গ্রামীণ ব্যাংক থেকে গ্রামীণ কল্যাণ নামের প্রতিষ্ঠানে অর্থ সরিয়ে নেওয়ার কারণ উল্লেখ করে তিনি ১৯৯৮ সালের ৮ জানুয়ারি একটি চিঠি লিখেন। তাতে বলা হয়- "এ অর্থ রিভলবিং ফান্ড হিসেবে গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনায় থেকে গেলে ক্রমশ বাড়তে থাকা কর হারের কারণে ভবিষ্যতে আমাদের বিপুল পরিমাণ কর পরিশোধ করতে হবে।"

রিভলবিং ফান্ড থেকে কোনো অর্থ ব্যয়ের পর তার বিনিময়ে পাওয়া অর্থ আবার একই কাজে ব্যবহার করা যায়। এই তহবিলের ক্ষেত্রে অর্থবছর বিবেচ্য হয় না।

ক্ষুদ্র ঋণ গ্রহীতাদের সবারই এক গল্প

'ক্ষুদ্র ঋণের ফাঁদে' প্রামাণ্যচিত্রটির নির্মাতারা গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে ঐতিহাসিকভাবে সংশ্ল্লিষ্ট গ্রামগুলোতে গেছেন বেশ কয়েকবার। জোবরা গ্রামে তাদের সঙ্গে দেখা হয়, গ্রামীণ ব্যাংক থেকে প্রথম ঋণ নেওয়া সুফিয়ার মেয়ের সঙ্গে। যশোরের 'হিলারি পল্লীতে' তাদের দেখা হয় গরিব মানুষদের সঙ্গে, ক্ষুদ্র ঋণের কারণে তাদের ঋণের বোঝাই বেড়েছে বলে দেখতে পান নির্মতারা।

ওই পল্লীতে গিয়ে ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতি তার সমর্থনের কথা ঘোষণা করেছিলেন সাবেক মার্কিন ফার্স্টলেডি ও বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন।

ঋণগ্রহীতাদের প্রায় সবার মুখেই একই কথা শুনেছেন প্রামাণ্যচিত্র নির্মাতারা। তারা জানান, প্রত্যেকেই একাধিক ক্ষুদ্র ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ঋণ নিয়েছেন। সেই ঋণ পরিশোধ করতে গিয়ে সবারই প্রাণান্ত অবস্থা। কেউ বাড়ি বিক্রি করে দিয়েছে ঋণ শোধের জন্য। আবার ঋণের সাপ্তাহিক কিস্তি শোধ করতে না পারায় কারো ঘরের টিন খুলে নিয়ে গেছে ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান।

প্রামাণ্যচিত্রটিতে শীর্ষস্থানীয় কয়েকজন সমাজ বিজ্ঞানী ও গবেষকের সাক্ষাৎকার রয়েছে। এরা দীর্ঘদিন ধরে ক্ষুদ্র ঋণের 'বৃহৎ সাফল্য' নিয়ে প্রশ্ন তুলে আসছেন। ডেভিড রডম্যান, জোনাথন মারডক, টমাস ডিক্টার এবং মিলফোর্ড বেটম্যানের মতো সমাজবিজ্ঞানীদের সবার একটাই কথা, ক্ষুদ্র ঋণ চালু হওয়ার পরবর্তী ৩৫ বছরে এখনো এমন কোনো প্রমাণ নেই, যাতে মনে হতে পারে ক্ষুদ্র ঋণ গরিব
মানুষকে দারিদ্র্য থেকে মুক্তি দিতে পারে।

টপিক টি আত্মপরিচয় বিভাগ থেকে সরিয়ে আনা হল।

VUZE বেস্ট!!!!! (y)

IDM আমার দেখা সবচেয়ে সেরা ডাউনলোড ম্যনেজার । আমি FDM, orbit downloader, FlashGet , GetGo download manager সবই ব্যবহার করেছি কিন্তু IDM এর মত ব্যবহারবান্ধব ডাউনলোডার আর পাইনি । ইন্টারনেট ব্যবহার করে কিন্তু IDM ব্যবহার করে না এমন লোক খুব কমই আছে ।এর সাহায্যে যে কোন ফাইল খুব দ্রুত ডাউনলোড করা যায় । এছাড়াও এটি ফাইল রিজিউম,সিডিউল ডাউনলোড , ইউটিউব ডাউনলোড সাপোর্ট করে । কিন্তু সবচেয়ে বড় অসুবিধা এটি ফ্রী নয় (যদিও এই পোষ্ট পড়ার পরে এটাও আর সমস্যা থাকবে না )
মোটামুটি সবাই প্যাচের সাহায্যে IDM ব্যবহার করে । প্যচ(Patch) ব্যবহারের সুবিধা হল এর সাহায্যে সহজেই IDM বৈধ করা যায় । আর অসুবিধা হল এটি দীর্ঘস্হায়ী পদ্ধতি নয় । IDM এর নতুন ভার্সন ইন্সটল করলে পুনরায় প্যাচ করতে হয়,আবার পুরোনো প্যাচ নতুন ভার্সনে কাজ নাও করতে পারে ।সাথে ভাইরাসের ভয়তো আছেই ।
আমার এই পোষ্ট মূলত IDM কে কোন প্রকার প্যাচ, কীজেন ছাড়াই জেনুইন করার উপর ।এর সুবিধা হল নিচের পদ্ধতি অনুসরন করলে আপনি আর সারাজীবন নিশ্চিন্তে IDM ব্যবহার করতে পারবেন । লেটেষ্ট ভার্সন ইন্সটল করলেও সমস্যা নেই ।তো কাজের কথায় আসা যাক!!!!
প্রথমেই নিচের লিংক থেকে IDM ডাউনলোড করে ইন্সটল করুন
এটি এখন ট্রায়াল ভার্সনে আছে , আর যারা ব্যবহার করছেন তারা সরাসরি স্টেপে চলে যান ।
বোঝার সুবিধার জন্য পুরো পদ্ধতি কয়েকটি ধাপের সাহায্যে বর্ননা করব।
১ম ধাপ:
নিচের লিংক থেকে ১ কেবি সাইজের hosts নামের ফাইলটি ডাউনলোড করুন (আমি আপলোড করলাম,কাজ না করলে জানাবেন)

http://www2.zippyshare.com/v/11960401/file.htm

http://s3.postimage.org/1ciji5dok/ovro_1276069016_1_hostt.jpg

extract করুন,hosts নামের একটি ফাইল পাবেন ।

২য় ধাপ :
My computer open করে এই ফাইলটি ওপেন করুন :
C:/-> Windows -> System32 -> Drivers -> Etc

এখানে ডাউনলোড করা ফাইলটি সেইভ করুন । কোন ওয়ার্নিং দিলে ok বা yes চাপুন ।এখন বের হয়ে আসুন । ব্যাস.....আপনার কাজ ৮০% শেষ।

৩য় ধাপ :
এখন Internet Download Manager ওপেন করুন । উপরের বার থেকে রেজিস্ট্রেশন আইকনে ক্লিক করুন । এখন আপনার ইচ্ছামত নাম , ই-মেইল এবং নিচের যেকোন একটি সিরিয়াল দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করুন
১। OX48V-QTRIU-0LW9T-K30JT
২। Y0DXL-W74VL-VQ9P5-URZMO
৩। TDMU2-OFSPR-70RGS-AR3HI
৪। IREXY-08BMZ-USW8L-WJA1T

IDM হয়ে গেলো আপনার নিজের.......চিরদিনের জন্য
নতুন ভার্শন নিশ্চিন্তে ইন্সটল দিন, কোনো চিন্তা ছাড়াই ।সবসময় লেটেস্ট ভার্সন ব্যবহার করবেন কারন IDM প্রতিনিয়ত আরো উন্নত হচ্ছ।

কিছু স্ক্রীনশট দিয়ে দিলাম :
নিচের ছবির মত একটি ফোল্ডার ওপেন হবে :

http://s3.postimage.org/nUutr.jpg

http://s3.postimage.org/nUwYA.jpg

http://s3.postimage.org/nUGX9.jpg

http://s3.postimage.org/nUJri.jpg

http://s3.postimage.org/nULWr.jpg

ইটস এনজ্ইয়েবল!! (y)

আভ্যাস্ট কি রকম তৌফিক ভাই?

টেস্টিং

এটা কি এখনি এভেলেবল নাকি নেটে পাব?

কত কম বা বেশী in terms of security shield & database?

তৌফিক ভাই অ্যাভাস্ট এর চেয়ে AVG কি ভাল?

তবে তথ্য ব্যবস্থাপনা একদম ই বেরসিক!!! কিছু জিজ্ঞাসা করলেই বলে জানিনা ভাই!

অক্টোবর মাসে অন্তত ১০ দিন বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগব্যবস্থা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। কারণ, আগামী ২ থেকে ১১ অক্টোবর থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ার কাছে গভীর সমুদ্রে সাবমেরিন কেব্ল মেরামতকাজ চলবে। বিকল্প সংযোগ না থাকায় এ সময় বিশ্বের সঙ্গে সব ধরনের টেলিযোগাযোগ থেকে একরকম বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে বাংলাদেশ।
এই মেরামতের সময় পূর্ব দিকের দেশ থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরের ইন্টারনেট যোগাযোগব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হবে। বাংলাদেশ সিঙ্গাপুর সার্কিটের মাধ্যমে বহির্বিশ্বের সঙ্গে সংযুক্ত। ফলে বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগও বাধাগ্রস্ত হবে। জানা গেছে, এই পরিস্থিতিতে কয়েক দিন আগে সাবমেরিন কেব্ল কোম্পানি সি-মি-উই-৪ বাংলাদেশকে বিকল্প যোগাযোগব্যবস্থা তৈরি করে নিতে অনুরোধ করেছে। কয়েক দিন আগে সি-মি-উই-৪-এর থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়া শাখায় দুটি রিপিটার/অ্যামপ্লিফায়ার নষ্ট হয়ে যায়। সেটি মেরামত করতে গেলে পুরো নেটওয়ার্ক বন্ধ রাখতে হবে।
বাংলাদেশের অধিকাংশ ভি-স্যাট (ভেরি স্মল অ্যাপারচার টার্মিনাল) বন্ধ আছে। গত ১৯ মে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) নির্দেশে প্রায় সব কটি ভি-স্যাট বন্ধ করে দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। পরবর্তীকালে ভি-স্যাট বন্ধের নির্দেশ কার্যকরের সময় আরও ছয় মাস বাড়ানো হয়। কিন্তু বন্ধ ভি-স্যাটগুলো আর চালু করেননি তাঁরা। ফলে বিকল্প উপায়ে টেলিযোগাযোগ কার্যক্রম চালিয়ে নেওয়ার ভরসাও আর এ মুহূর্তে নেই।
টেলিযোগাযোগ-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, অধিকাংশ ভি-স্যাট বন্ধ এবং বাংলাদেশের একমাত্র সাবমেরিন কেবেলর সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে দেশের ইন্টারনেট থেকে শুরু করে সব ধরনের টেলিযোগাযোগনির্ভর ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বর্তমানে বিদেশ থেকে প্রতিদিন গড়ে সাড়ে চার কোটি থেকে পাঁচ কোটি মিনিটের আন্তর্জাতিক টেলিফোন কল আসে। আরও কয়েক কোটি মিনিটের কল বিদেশে যায়। এই আদান-প্রদানের মাধ্যমও এখন সাবমেরিন কেব্ল। আর এই ১০ দিনে সদ্য চালু হওয়া কল সেন্টারগুলোর অবস্থা কী হবে, তা নিয়ে চিন্তিত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আখতারুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, গত মে মাসেও একই ঘটনা ঘটেছিল, তবু সরকার সতর্ক হয় না। স্থায়ীভাবে দ্বিতীয় বিকল্প সাবমেরিন কেবেলর ব্যবস্থা না করলে দেশের অনলাইন ব্যবসা একেবারেই বসে যাবে। আর সরকারের স্বপ্ন ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ স্বপ্নই রয়ে যাবে।
বিকল্প উপায়েও বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় ব্যান্ডউইড্থ সরবরাহ চালু রাখতে সমস্যা হবে মনে করছে খোদ বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল)। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কর্মকর্তা বলেন, ভারতের কোনো কোম্পানির কাছ থেকে আপৎকালে ব্যান্ডউইড্থ নিতে গেলে অনেক বেশি দাম দিতে হবে। আর সরকারের ক্রয়নীতির কারণে চাইলেই যখন-তখন কোনো কিছু কেনা যায় না। তার পরও বিকল্প রাস্তা খুঁজছে আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগের প্রয়োজনীয় ব্যান্ডউইডেথর জোগান দেওয়া সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সাবমেরিন কেব্ল কোম্পানি (বিএসসিএল)। তারা বিকল্প ব্যবস্থায় ভারত ও ইতালি থেকে আই-টু-আই কেবেলর মাধ্যমে দেশে ব্যান্ডউইড্থ সরবরাহের চেষ্টা চালাচ্ছে। কিন্তু এ বিকল্প ব্যবস্থায় কতটুক সফল হওয়া যাবে, সে বিষয়ে নিশ্চিত নয় কর্তৃপক্ষ।
বিএসসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনোয়ার হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করছি দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থা চালু করতে। চেন্নাই ও ইতালি থেকে অন্য পথে ব্যান্ডউইড্থ আনতে পারলে আন্তর্জাতিক সংযোগ বিঘ্নিত হওয়ার কোনো আশঙ্কা থাকবে না। ইতিমধ্যে সব আন্তর্জাতিক গেটওয়ে, ইন্টারনেট গেটওয়ে বা অন্যান্য টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠানকে আমরা বিকল্প আয়োজনের কথা ই-মেইলের মাধ্যমে জানিয়ে দিয়েছি।
[http://www.prothom-alo.com/detail/date/ … news/97321]

তবে দূরত্ব বাড়াতে না পারলে লাভ নাই ভাই

জী ভাই

লাইন ড্রপ এর রহস্য টা জানতে পারলাম। বাংলালায়নের এখনও গ্রাউন্ড কাভারেজ আসেনি। আর ইউ.এস.বি পোর্ট ত নিচেই থাকে। ওরা বলছে মডেম টাকে কানেক্টিং ক্যাবল দিয়ে ৬-৭ ফিট  উপরে ঝুলালেই হবে। আর যারা দোতলা বাসায় থাকে তাদের জানালার কাছে রাখতে বলেছে। তবে সিস্টেম ওপ্টিমাইজেসন করার চেস্টা চলছে।

আমার পি.সি তে উইন্ডোজ এক্সপি & 7 দুটোই আছে। এখন আমি এক্সপি টা মুছে ফেলতে চাই। কিভাবে এক্সপি টা ফরম্যাট করব? উল্লেখ্য নরম্যাল  ড্রাইভ ফরম্যাট দিয়ে হচ্ছে না। এক্সপি এবং 7 দুটা আলাদা ড্রাইভে আছে ্যথাক্রমে C & ডি

আমি রাজশাহীর কাদিরগঞ্জ এলাকা থেকে লিখছি। বাসার কাছেই বিটিএস তাই ভালই লাকী

তৌফিক ভাই আমি বাংলালায়ন ২৫৬কেবিপিএস ব্যবহার করছি দারুন ডাউনলোড স্পীড ৩০-৩৫ তো থাকেই মাঝে মাঝে ৪০ ও পাওয়া যায়। তবে লাইন ড্রপ হয় মাঝে মধ্য।

বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক পরিমন্ডলের স্মরণ কালের সবচেয়ে অস্পৃশ্য রমণী!!!!!!!!!!!!!!

বাংলায় লেখা কাম্য হলে অনুগ্রহ করে তৌফিক ভাই জানাবেন।

পোস্ট  কি শুধু বাংলায় দেয়া যাবে, ইংরেজিতে দেয়া যাবে না?