আসলে ব্যাপারটা এমন না। তাকে নিয়ে অনেক মজার একটা ঘটনা আছে।
আর একদিন বলবো।

আমি শেষ বিকাল
আমার পুরা নাম ম,ম, রবিউল ইসলাম
আমার বাড়ি শার্শা,যশোর
আমি বর্তমানে খুলনাতে আছি।
আমি একটা সরকারি চাকুরি করি।
আমার মোবাইল ০১৯১৬৮৯৫৩১৪।
আমার ই মেইল [email protected]
আমার সাদা কাল রং খুব ভাল লাগে।
কবিতা লেখা আমার সখ।
সেজন্য কবিতা খুব ভাল লাগে।

"অভিশারে"
                       শেষ বিকেল

উঠে ছিল চাঁদ,                  ভেঙ্গে দিয়ে রাত
          জোছনায় জোছনায় মায়া,
আবেশে তোমার,              হৃদয়ে আমার
          কেপে ছিল মোর  কায়া।
দু'জনে অভিশারে,            গোপনে চুপিশারে
          চুম্বনে চুম্বনে নিরাবতা
লোচন বুঝিয়া,                মাথাটি গুজিয়া
          তোমা বুকেতে মম মাথা।
কাঁপা কাঁপা ঠোটে,          যেন বেজে ওঠে
         অভিমানে মধুর কথা,
তবুও চুপচাপ,              অশ্রু টুপটাপ
        কখন জানি নিরবতা।
লতাগুলো সব,            নিথর নিরব
        কুহেলিকা,ডাহুক ডাকে,
নিশাচর পাখি,           দিয়ে যায় উকি
        বুনো শিয়ালের হাঁকে।
হঠ্যাৎ কুন্ঞ্জনে,         পাখির গুন্ঞ্জনে
       দেখিলাম প্রায় ভোর,
মিনারে যখন,          আজান তখন
       কাটিল সুখের ঘোর।

                                       ০১/১২/০৪ইং
                                   যশোর পলিটেকনিক

নিঃশব্দ
শেষ বিকেল

ইদানিং তোমার মুখটা
ঝাপসা লাগে,
ঘন কুয়াশার মত।
চারদিকে শুধু মরিচিকা ময়
ভেজা ভেজা উড়ন্ত
জলীয় বাষ্প।
যেন.......
ভিজিয়ে দিয়ে যায় সবাঙ্গ
মাকড়শার জালের মত।
ঠিক তেমন__
ভিজে যায়
চেয়ে থাকা পদ্ম
ও আস্তরনে ঢাকা
নরম স্থানটাকে।
মাঝে মাঝে
শৈত প্রবাহ
দুর বনে বাশের পাতা
থর থর কম্পিত
ঝিরি ঝিরি কান্নার শব্দ।
অস্থির এ মন
হাতড়িয়ে চলে
ঘসে পড়া স্মৃতির ফুল
অষ্ট হস্তে,
নীল অক্টোপাসের মত
জংলা কাটবনে।
হঠ্যাৎ-----
কম্পিত ডাহুকের ডাক।
ঘুটঘুটে অন্ধকার স্তব্দ।
টুপটাপ ঘসে পড়া
প্রতিক্ষার পাতা বেয়ে
ঊষ্ণ শিশিরের
নিঃশব্দ।

                                     ০৫/০৯/০৫ইং
                                    বারান্দী,যশোর

তা তো অবশ্য ছিল।কিন্তু সে আজ আমার জিবনের টুকরো কাল মেঘের মতো।

মৌ-মিতা

শেষ বিকেল

জানিনা কোন ষোড়শী তণ্বী
ধরালো হৃদয়ে একি বহ্নি।
স্বপ্নে তাহার লুকোচুরি খেলা
বেদুঈন মনে দিয়ে যায় দোলা।
বদনে তাহার পুষ্পের হাসি
কাকনে বাজে যেন বেনু বাশি।
এলোকেশ যেন কাল বারিবাহ
যতন করিয়া বুনিয়াছে কেহ।
আখিতে তাহার মেঘের কাজল
উত্তরীয় তব মায়ার আচল।
যৌবনে সে নয়া সরসী
দেখিয়া তবু মেটেনা তিয়াসী।
চাহনীতে তাহার যেন অনুক্ষন
কাড়িয়া লয়ে যায় এ তনু মন।
খুলে দিই মম হৃদয় তোরন
ভূলে গিয়ে সব শাসন ত্রাসন।
ছায়া ফেল তব দাও গো ধরা
তোমা ব্যাতিত মম দিশাহারা।
এমন করি বাড়িওনা ব্যাধা
স্বপ্নের রাণী ওগো মৌ-মিতা।   

                                          ০৫/১২/০৪
                                          বারান্দীপাড়া

বৃষ্টির বরতা

শেষ বিকেল

বাহিরে বহিছে বৃষ্টি
বাদল বর্ষনে,
বিদ্ধস্থ বলাকা বলয়
বায়ূর বর্ণে।

বৃষ্টির বাজনা বাজে
বিধবার বুকে,
বাশরির বাশি বন্ধ
বৃষ্টির বিপাকে।

বৃষ্টিতে বিজলির বিদ্রুপ
বিধুর বিড়ম্বনা,
বলগাহীন বারিবাহ বুঝি
বিষক্ত বিছানা।

বিদিশা বৃষ্টির বশে
বিহবল বসুধা,
বৃষ্টির বর্ষণে বহমান
বানের বরতা।   

                 ১৪/০৪/০৪ইং
                 বারান্দিপাড়া

লিনাক্স এ সফটওয়্যার সেটাপ করার পুরোপুরি নিয়মটা কেউ বললে বেশি উপকার পেতাম।আমি কোন সফটওয়্যার সেটাপ করতে পারি না । এর কারন কি?