Topic: হুমায়ূন আহমেদ ভনে শুনে পুণ্যবান

হুমায়ূন আহমেদ ভনে শুনে পুণ্যবান
হুমায়ূন আহমেদ তাঁর বিভিন্ন উপন্যাস ও গল্পে চমৎকার চমৎকার কিছু ধাঁধার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন পাঠকদের। সেসব ধাঁধার কিছু তুলে ধরা হলো এখানে।
১ পাকলে খেতে চায় না, কাঁচা খেতে চায়
এ কেমন ফল বল তো আমায়।
[জিন কফিল, ভয়]

২ মাইয়া লোকের হাতে নাচে
সাত শ মুখ কার আছে?
[তেতুল বনে জোছনা]

৩ নাই পুষকুনির নাই জলে
নাই পদ্ম ফুটে
কও দেখি জিনিসটা কী
বুদ্ধি থাকলে ঘটে।
[লীলাবতী]

৪ ভোলা মিয়ার শয়তানি
বাইরে লোহা ভিতরে পানি।
[লীলাবতী ]

৫ কহেন কবি কালিদাস পথে যেতে যেতে
নাই তাই খাচ্ছ, থাকলে কোথায় পেতে?
[লীলাবতী]

৬ মনে করো তোমাকে দশ সের পানি দেওয়া হলো। এখন তুমি কি পারবে এই দশ সের পানি একবারে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিতে। বালটি-টালতি কিছু ব্যবহার করতে পারবে না। শুধু হাত দিয়ে নেবে এবং একবারে নেবে। কিভাবে?
[আমার আছে জল]

৭ আমার একটা পাখি আছে
যা দেই সে খায়
কিছুতেই মরে না পাখি
জলে মরে যায়
[জিন কফিল, ভয়]

০৯ ছাই ছাড়া শোয় না
লাথি ছাড়া ওঠে না।
[জিন কফিল]

১১আকাশে উড়ে না পক্ষী উড়ে না জঙ্গলে
এই পক্ষী উড়ে শুধু শনি-মঙ্গলে
[লীলাবতী ]

১৩ মহাকবি কালিদাসের অতি আজব কথা
নয় লক্ষ তেতুলগাছের কয় লক্ষ পাতা?
[লীলাবতী]

১৫ কাটলে বাঁচে না কাটলে মরে
এমন সুন্দর ফল কোন গাছে ধরে
[জিন কফিল, ভয়]

১৭ হেন কোনো গাছ আছে এ ধরায়
স্থলে জলে কভু তাহা নাহি জন্মায়।
[জিন কফিল, ভয়]

১৯ কৈলাটির নানি
হাত দিয়া ধরলে পানি।
[মাতাল হাওয়া]

০৮ তিন অক্ষরের নাম তার বৃহৎ বলে গণ্য
পেটটা তার কেটে দিলে হয়ে যায় অন্ন।
[লীলাবতী]

১০ নৌকা নহে জলে চলে শূন্যতেও চলে
দিনেতে দেখি না তারে দেখি নিশিকালে
কহেন কবি কালিদাস।
এই শিলুক যে ভাঙতে পারে সে আমার দাস।
[তেতুল বনে জোছনা]

১২ জলেতে জন্ম তার জলে ঘর_বাড়ি
ফকির নহে ওঝা নহে মুখে আছে দাঁড়ি
[তেতুল বনে জোছনা]

১৪ ঘর আছে দরজা নাই
মানুষ আছে কথা নাই।
[রূপার পালঙ্ক]

১৬ এক পাখি নড়েচড়ে দুই পাখি খায়
তিন পাখি নাও-এ বসা
চার পাখি নাও বায়
[লীলাবতী]

১৮ আমবাগানে টুপ করে শব্দ হলো।
একটা পাকা আম গাছ থেকে পড়েছে।
যে দুজন শুনল সে দুজন গেল না
অন্য দুজন গেল
যে দুজন গেল সে দুজন দেখল না
অন্য দুজন দেখল
যে দুজন দেখল সে দুজন তুলল না
অন্য দুজন তুলল
যে দুজন তুলল সে দুজন খেল না
অন্য একজন খেল।
বলুন তো ঘটনাটি কি?
[নি]

২০ তিনটা পিঁপড়া সারি বেঁধে যাচ্ছে। একটার পেছনে একটা। সবার প্রথম যে পিঁপড়া যাচ্ছে সে বলল, আমার পেছনে আছে দুটো পিঁপড়া। মাঝখানের পিঁপড়াটা বলল, আমার সামনে আছে একটা পিঁপড়া, পেছনে একটা পিঁপড়া। মজার ব্যাপার হলো, সবচেয়ে পেছনে যে পিঁপড়াটা যাচ্ছে সে বলল, আমার সামনে কোনো পিঁপড়া নেই। আমার পেছনে আছে দুটো পিঁপড়া। রহস্য কী?
[ রূমালী ]
  কালেরকণ্ঠ

মেডিকেল বই এর সমস্ত সংগ্রহ - এখানে দেখুন
Medical Guideline Books