Topic: টম-কেটির ভাঙনের নেপথ্যে

মন আর মতের মিল না হলে আর যাই হোক, সংসার টেকে না। 'মিশন ইম্পোসিবল' সম্পন্ন করা টম ক্রুজও তা সম্ভব করে দেখাতে পারেননি। সমপ্রতি ক্রুজের সঙ্গে সাড়ে পাঁচ বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টানতে আদালতে আবেদন করেন স্ত্রী কেটি হোমস।

http://i.imgur.com/bhVLt.jpg

প্রেমের মধুর সময়ে তাদের মনের মিলটা ঠিকই ছিল। কিন্তু ভালোবেসে ঘর বাঁধার পরপরই দাম্পত্য কলহ শুরু হয়ে যায়। যে কারণে দীর্ঘদিন একই ছাদের নিচে থাকলেও অনেক আগেই তাদের সম্পর্কের ভাঙন ধরেছিল। একই অ্যাপার্টমেন্টে থাকলেও আলাদা আলাদা শোবার ঘরেই ঘুমোতেন এ তারকা দম্পতি। কেটি এবং টমের বাসায় প্রতিদিনই অনেক মানুষ আসত। তাদের রান্না, চুল কাটা এবং অন্যান্য কাজ করে দেয়ার জন্য আগত মানুষগুলোই সম্প্রতি এ তথ্য প্রকাশ করেছে। দুজনের আলাদা ঘরে থাকার বিষয়টি সবাই জানত কিন্তু কারো পক্ষেই এটা বাইরে প্রকাশ করার সাহস ছিল না। দিনের পর দিন এমন দাম্পত্য কলহ বিষাদ হয়ে উঠেছিল কেটির জীবনে। তাই সম্পর্কের ইতি টানতে একমাত্র সন্তান সুরির বাবা ৪৯ বছর বয়সী টমের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক বিচ্ছেদই চাইলেন ৩৩ বছর বয়সী কেটি। এদিকে অভিনেতা টম ক্রুজ এটাকে আনলাকি ৩৩ বলে চিহ্নিত করেছেন। তার জীবনে ৩৩-র আগমন যেন শনির দশা। ক্রুজের জীবনে আসা বহুবিধ নারীর মধ্যে তিনি মাত্র তিনজনকে বিয়ে করেছিলেন। আর বিয়ে বিচ্ছেদকালীন সবারই বয়স ছিল ৩৩ বছর। ক্রুজ সায়েন্টোলজি নামক এক বিশেষ ধর্মের অনুসারী। ক্রুজের ভক্তরা তাই বহু কাঠখড় পুড়িয়ে এ সিদ্ধান্তে এসেছেন যে, সায়েন্টোলজিতে ৩৩ বিষয়ক কোনো সমস্যা আছে। তা না হলে তিন দফা একই ঘটনা কাকতালীয় হতেই পারে না।

সুত্র: যায় যায় দিন