<?xml version="1.0" encoding="utf-8"?>
<rss version="2.0" xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom">
	<channel>
		<title><![CDATA[রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ফোরাম — তথ্য বটিকা]]></title>
		<link>http://rmcforum.com/</link>
		<atom:link href="https://rmcforum.com/feed-rss-forum43.xml" rel="self" type="application/rss+xml" />
		<description><![CDATA[The most recent topics at রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ফোরাম.]]></description>
		<lastBuildDate>Sat, 20 May 2017 06:13:14 +0000</lastBuildDate>
		<generator>PunBB 1.4.2</generator>
		<item>
			<title><![CDATA[বাংলাদেশে কীটপতঙ্গ নিয়ন্ত্রণ সেবা |]]></title>
			<link>http://rmcforum.com/topic1902new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<p>ইন্ডাস্ট্রিয়াল পেস্ট ম্যানেজম্যান্ট বা ইন্ডাস্ট্রিয়াল পেস্ট কনট্রোল সার্ভিস যে কোন ধরনে রফাতানি নির্ভর গার্মেন্টস, কল কারখানা বা ফ্যাক্টরির জন্য অত্যান্ত গুরুত্ব পুর্ন। কেননা এই বিষয়টিতে বায়ারের সুনাম অত্যান্ত নিবির ভাবে জড়িত। কখনো কখনো একটি মাত্র পিঁপড়া একটি ফিনিশ করা পণ্যের সাথে প্যাকিং হয়ে চলে যাওয়ায় বায়ারের বিপুল পরিমাণ আর্থিক ও সন্মান ক্ষুন্ন হয়েছে। একই রকম কারনে বহু ফ্যাক্টরি অত্যান্ত চমৎকার ভাবে পণ্য তৈরির পরেও শিপমেন্ট ক্যান্সেলের জটিলতায় পড়েছে। ইদানিং কালে এই বিষটি মাথায় রেখে প্রায় প্রত্যেক আন্তর্জাতিক বায়ার ফ্যাক্টরি গুলোকে কমপক্ষে ৯০ দিনে একবার অভিজ্ঞ&nbsp; প্রতিষ্ঠান দ্বারা পেস্ট কনট্রোল শর্ত দিয়ে থাকেন। সুতরাং এটি কোন ভাবে অবহেলার বিষয় নয়। বাংলাদেশে&nbsp; <a href="https://0pestbd.com/" target="_blank"><strong>কীটপতঙ্গ নিয়ন্ত্রণ সেবা</strong></a> পেতে 0PESTBD-এ যোগাযোগ করুন।</p><p>তেলাপোকা বিশ্বের খুব সাধারণ একটি&nbsp; পোকা। এটি প্রায় সব বাড়িতে বসবাস করে। অনেক ধরণের তেলাপোকা পাওয়া যায় কিন্তু চার বা পাঁচ ধরণের তেলাপোকা সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। আছে: আমেরিকান তেলাপোকা, জার্মান তেলাপোকা, ওরিয়েন্টাল তেলাপোকা এবং ব্রাউন ব্যান্ড তেলাপোকা ।<br />তেলাপোকা&nbsp; &nbsp;নির্দোষ পোকা নয়। এটি মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য খুব ক্ষতিকর। বিভিন্ন ধরণের বিপদজনক ও মারাত্মক রোগ বহন করে । উদাহরণ স্বরূপ: কলেরা, কুষ্ঠব্যাধি, প্লেগ, টাইফয়েড জ্বর, ভাইরাল রোগ যেমন পোলিওসিলাইটিস।<br />সুতরাং, <a href="https://0pestbd.com/cockroach-control/" target="_blank"><strong>তেলাপোকা নিয়ন্ত্রণ</strong></a> করুন। 0pestbd.com বিভিন্ন ধরনের নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের তেলাপোকাকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং গ্যারান্টি দিয়ে PEST কন্ট্রোল সার্ভিস প্রদান করে ।</p>]]></description>
			<author><![CDATA[null@example.com (sharif2bd)]]></author>
			<pubDate>Sat, 20 May 2017 06:13:14 +0000</pubDate>
			<guid>http://rmcforum.com/topic1902new-posts.html</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[রান্না করুন নিজে, খাবেন স্বাস্থ্যমতো]]></title>
			<link>http://rmcforum.com/topic1852new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<p><strong>অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরীরকলম থেকে<br />পরিচালক, ল্যাবরেটরি সার্ভিসেস, বারডেম হাসপাতাল, সাম্মানিক অধ্যাপক ইব্রাহিম মেডিকেল কলেজ, ঢাকা।</strong></p><p><p class="bbcenter"><img class="sigimage" src="http://i.imgur.com/IpqrV.png" alt="http://i.imgur.com/IpqrV.png" /></p></p><p>ভালো খাওয়া, সুস্থ থাকা—এসব যখন ভাববেন, তখন চিপস, ফাস্টফুড, কুকিস ও কোমল পানীয়—এসব খেলে কী আর হবে? রান্না করতে হবে নিজে। স্বাস্থ্যকর আহার, স্বাস্থ্যকর রান্না—এগুলোর কৌশল না জানলে হবে কী করে? রান্নাঘরে যত স্বস্তি পাওয়া যাবে, খাদ্যের তত ঘনিষ্ঠ হওয়া যাবে। স্বাস্থ্যকর জীবনের তত কাছাকাছি থাকা যাবে।</p><p>খাবেন নিজের বাড়িতে, জানবেন স্বাস্থ্যকর রান্নার কৌশল<br />আমাদের দেশে রান্নাঘরে হাঁড়ি চড়ে, রান্না করেন গিন্নিরা। সাহেব, ছেলেমেয়ে মিলে খেয়ে তৃপ্ত হয়। অনেক বাসায় সাহেবেরাও রান্নায় সাহায্য করেন। অনেক দেশেই রান্নাঘর শৌখিনঘর, চুলা জ্বলে না, বাইরে খাওয়ার চল সেখানে। স্থূল মানুষের সংখ্যা তাই বেশি।<br />কেন রান্নাঘরে চুলা জ্বলে না তেমন? স্বামী-স্ত্রী দুজনে ব্যস্ত, ঘরে কাজের লোক নেই, দিনের কাজের শেষে ক্লান্ত-শ্রান্ত, রান্না করতে মন চায় না। অনেকে মনে করেন, খাদ্য হলো শত্রু, রান্না করলে খেতে হবে। আর অনেকে মনে করেন, রান্না জানি না, পচা রান্না হবে, খেয়ে সবাই মন্তব্য করবে, তাই বাদ দিই রান্না। অনেকের ধারণা, রান্নাঘরে রান্না না করলে খাওয়া হবে কম, শরীরের ওজন হবে কম। কিন্তু ব্যাপারটা অন্য রকম, আমরা কী খাচ্ছি, তা না জানলে খাওয়া হয় বেশি, গপাগপ। তাই খাবার নিজে তৈরি না করলে কী করে জানব, কোন খাবার স্বাস্থ্যকর ও লো ক্যালোরি?</p><p>স্বাস্থ্যকর রান্নার কৌশল জানা ভালো<br />তাই কী খাচ্ছেন, তা দেখাও নিজের খাবার তৈরি করার বড় কাজ। কোজোনিগ বলেন, কুকিং হেলপস ফুড ম্যাটার।<br />আমরা অনেকেই খাদ্য থেকে বিযুক্ত হয়ে যাই—কারণ, আমরা শরীর থেকেও বিযুক্ত। রান্না করলে আমরা বুঝি খাবারের গন্ধ, সুবাস, দেখন-লোভন চেহারা, সংযুক্তি—সবই লক্ষ করি। কীভাবে নিজের তৈরি করা খাবার খেয়ে নিই, এই প্রক্রিয়ায় খাবার হয়ে ওঠে শক্তি ও পুষ্টির উৎস—শত্রু নয়। অনেকে খুব দ্রুত খান, সমস্যা তাঁদের এটি। এ জন্য খাওয়া হয় বেশি, রান্না করলে শ্লথ হয় এর গতি, চেতনার সঙ্গে যুক্ত হয় শরীর ও মন। রান্না করার সময় খাদ্যের স্বাদ ও সুবাস আহারেও আনে তৃপ্তি। ধীর হয় সব, খাবারকে উপভোগ করার তাগিদ আসে। খাদ্য ও রান্নার মধ্যে রয়েছে একটি আবেগজনিত সংযোগ, রান্না করার সময় যে অনুভূতি একে সংযুক্ত করা যায় অতীতের কোনো অভিজ্ঞতার সঙ্গে। মা বা দিদা কত সুন্দর রান্না করে খাবার খাইয়ে দিয়েছিলেন, সে স্মৃতি মনে পড়ে। শৈশবের স্মৃতি মনে পড়ে। রান্না করা কোনো প্রিয় খাবার, প্রিয় মানুষের রান্না—সব মনে পড়ে। শুরু হোক রান্না।<br /> রান্নাঘরের তৈজস কম গুরুত্বপূর্ণ নয়<br /> ভালো পাত্র, কড়াই, প্যান<br /> সবজি ভাপে সেদ্ধ করার পাত্র রাইস কুকার বা হাঁড়ি<br /> স্যুপ পাত্র<br /> ফুড প্রসেসর<br /> গ্রিল<br /> ভালো তৈজসপত্র<br /> রান্নার জন্য উপকরণ<br /> তাজা সবজি, ফল, দই, ডিম, মাছ, আটা, পেঁয়াজ, রসুন, হিমায়িত সবজি, পানি, কচি মাংস, লাল চাল, শিম, আলু, রান্নার তেল, জলপাই তেল, ভিনেগার, ধনেপাতা, পুদিনাপাতা, মসলা, মরিচ, লেবু ইত্যাদি।</p><p>পরিকল্পনা চাই<br /> রাতের রান্না সহজ করার জন্য সময়ের আগে বেশি তৈরি করা ভালো। বাড়তিটা ফ্রিজে রেখে দিতে হবে ভবিষ্যতের জন্য লেবেল ও তারিখ দিয়ে। স্যুপ এ রকম একটি খাদ্য।<br /> সবজি পরিষ্কার করে কেটে রাখা।<br /> আলু ছুলে ও টুকরো করে ঠান্ডা জলে ফ্রিজে সংরক্ষণ করা।<br /> কচি মোরগের বুক ফালি করে কেটে স্টারফ্রাইয়ের জন্য রাখা।<br /> সবজি বা চিকেন স্টককে স্যুপের জন্য সংরক্ষণ করা।<br /> ফল কেটে রাখা দ্রুত স্ন্যাকসের জন্য।</p><p>রান্না হবে সহজ-সরল<br />রান্নার তৈজস, মৌলিক উপকরণ এবং সব মিলিয়ে সহজ নিষ্কণ্টক রান্না যেন হয়। কম তেল-মসলায় উপভোগ করবেন রান্না ও খাওয়া।<br />করেই দেখুন না চর্চাটি।<br />রান্না সম্পর্কে সব বলা হলো না।<br />বাকিটা জেনে-বুঝে রান্না শুরু হোক।<br />আমি নিজে হাটবাজার করি দীর্ঘদিন—কারণ, আমার স্ত্রী রান্না করেন। তা না হলে আমার বাজারে যাওয়া হতো না। রান্না করতে পারি সামান্য। কিন্তু স্ত্রীর ধারণা, আমি রান্না করলে ঘর এলোমেলো করে ফেলব। তাই সহজে সুযোগ পাই না। তবু তাঁর রান্না বড়ই ভালো, আমার খেয়ে সুখ। তাই বাইরে বাহারি খাবারের লোভ আমাকে টানে না, ঘরের রান্না এত ভালো, এত উপভোগের!</p><p>সুত্রঃ <a href="http://www.prothom-alo.com/detail/date/2012-08-29/news/284594" target="_blank">প্রথম আলো</a></p>]]></description>
			<author><![CDATA[null@example.com (dr.shamim)]]></author>
			<pubDate>Thu, 30 Aug 2012 03:26:28 +0000</pubDate>
			<guid>http://rmcforum.com/topic1852new-posts.html</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[বাংলাদেশ ডাক বিভাগের নতুন সেবা পোস্টাল ক্যাশ কার্ড]]></title>
			<link>http://rmcforum.com/topic1851new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<p><p class="bbcenter"><img class="sigimage" src="http://i.imgur.com/DTMgl.png" alt="http://i.imgur.com/DTMgl.png" /></p></p><p>দ্রুত, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী আর্থিক লেনদেন—এই স্লোগান নিয়ে বাংলাদেশ ডাক বিভাগের নতুন সেবা পোস্টাল ক্যাশ কার্ড। ব্যাংকের এটিএম কার্ডের মতো এটি ব্যবহার করে দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে টাকা উত্তোলন করা যায়।<br />গত এক বছরের মধ্যে সারা দেশের বিভাগ, জেলা ও উপজেলার ৬০০ ডাকঘরে সেবাটি সম্প্রসারিত হয়েছে। বছর শেষে তা পৌঁছে যাবে আরও ৮২৮টি ডাকঘরে। তা ছাড়া শিগগিরই এই ক্যাশ কার্ড দিয়ে গ্যাস, পানি ও বিদ্যুতের বিল পরিশোধের মতো নিত্যনতুন সেবা পাওয়া যাবে।<br />তবে এত সুযোগ-সুবিধার এই সেবাটি প্রচারের অভাবে সাধারণের কাছে অজানাই থাকছে। সম্প্রতি সদরঘাট, ওয়ারী ও দিলকুশা ডাকঘরে গিয়ে দেখা যায়, শুধু একটি করে ফেস্টুন লাগিয়ে এ বিষয়ে গ্রাহকদের জানানোর চেষ্টা করছে ডাক বিভাগ।<br />আনুষ্ঠানিকভাবে চালুর প্রথম বছরই সেবাটি দিয়ে ১৭ লাখ টাকা মুনাফা করেছে ডাক বিভাগ। বর্তমানে সারা দেশে ৪০ হাজার গ্রাহক এই কার্ডের সেবা নিচ্ছেন। মাত্র ৪৫ টাকা খরচ করে নির্দিষ্ট আবেদনপত্র পূরণ করে ডাকঘর থেকে পোস্টাল ক্যাশ কার্ড ক্রয় করতে পারবেন যে কেউ। এ ক্ষেত্রে ব্যাংকের এটিএম কার্ডের মতো মাসিক বা বার্ষিক কোনো চার্জ কর্তন করা হবে না।<br />ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অংশ হিসেবে ২০১০ সালের ২৬ মার্চ প্রধানমন্ত্রী পোস্টাল ক্যাশ কার্ডের উদ্বোধন করেন। তবে সব প্রস্তুতি শেষ করে গত বছর জুলাই মাসে এটি বাজারে নিয়ে আসে ডাক বিভাগ।<br />জানা যায়, গত এক বছরে এই সেবার মাধ্যমে প্রায় সাত কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। এই ক্যাশ কার্ড দিয়ে দুটি প্রতিষ্ঠানের বেতন-ভাতা প্রদান করছে ডাক বিভাগ। এ ছাড়া বিশ্বব্যাংকের একটি প্রকল্পের আওতায় ১৪ হাজার ১২৭ জনকে এই ক্যাশ কার্ডের মাধ্যমে ভাতা দেওয়া হচ্ছে।<br />জিপিওর সহকারী পোস্টমাস্টার মো. এমদাদুল ইসলাম বলেন, ‘ধীরে হলেও ক্যাশ কার্ডের গ্রাহকের সংখ্যা বাড়ছে।’ তিনি জানান, জিপিওতে গত জুলাই মাসে ক্যাশ কার্ডের মাধ্যমে সাড়ে তিন লাখ টাকা জমা হয়েছে। উত্তোলন হয়েছে প্রায় পৌনে ছয় লাখ টাকা।<br />বর্তমানে ডাকঘরের নির্দিষ্ট কাউন্টারে গিয়ে পয়েন্ট অব সেলস বা পিওএস মেশিনে ক্যাশ কার্ডটি ব্যবহার করতে হয়। তবে সোনালী ব্যাংকের সব এটিএম বুথে পোস্টাল ক্যাশ কার্ড ব্যবহারের জন্য ডাক বিভাগ ব্যাংকটির সঙ্গে চুক্তি করবে। চুক্তিটি সম্পন্ন হলে ব্যাংকটির যেকোনো এটিএম বুথে ক্যাশ কার্ড ব্যবহার করে সেবা নিতে পারবেন গ্রাহকেরা। এ ছাড়া কিউ ক্যাশের অন্যান্য এটিএম বুথেও কার্ডটি একইভাবে ব্যবহার করা যাবে শিগগিরই।<br />বিষয়টি নিশ্চিত করে ডাক বিভাগের ডেপুটি পোস্টমাস্টার জেনারেল মো. জাকির হাসান নূর প্রথম আলোকে বলেন, ‘আগামী মাসের মধ্যে চুক্তিটি সম্পন্ন হয়ে যাবে। তখন টাকা তোলা ছাড়া অন্যান্য সেবা চালু করা সম্ভব হবে।’ এ ছাড়া জিপিও, সদরঘাট, বনানী, উত্তরা ও মিরপুর ডাকঘরে এটিএম বুথ বসানোর কাজ চলছে বলে জানান তিনি। <br />ডাক বিভাগ জানায়, নির্দিষ্ট আবেদনপত্র পূরণ করে তিন কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি ও ছবিযুক্ত পরিচয়পত্রের অনুলিপি জমা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে ক্যাশ কার্ড প্রদান করা হয়। এ জন্য ফি বাবদ ৪৫ টাকা জমা দিতে হবে। এর মধ্য থেকে ১০ টাকা আবার গ্রাহকের হিসাবে জমা থাকবে।<br />একজন গ্রাহক প্রতিবারে ১০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা পর্যন্ত কার্ডের হিসাবে জমা করতে পারবেন। তবে সর্বমোট পাঁচ লাখ টাকার বেশি কখনোই রাখতে পারবেন না। প্রতিবার একজন গ্রাহক সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত তুলতে পারবেন। প্রতিবার টাকা জমা ও উত্তোলনে পাঁচ টাকা হারে মাশুল দিতে হবে। এ ছাড়া গ্রাহক নিজের কার্ড থেকে অন্য কারও কার্ডেও টাকা স্থানান্তর করতে পারবেন। এ জন্য মাশুল রাখা হবে ১০ টাকা।<br />জাকির হাসান নূর বলেন, ‘আমরা এই সেবাটি স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য করার চেষ্টা করেছি। এ জন্য খুবই অল্প পরিমাণে চার্জ নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে লুকায়িত কোনো চার্জ রাখা হয়নি।’<br />প্রচারের বিষয়ে ডাক বিভাগের এই কর্মকর্তা বলেন, সীমাবদ্ধতার কারণে প্রচার করা সম্ভব হয়নি। তবে সেবাটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলেই আমরা ব্যাপক প্রচারের পরিকল্পনা করছি।<br />যে কেউ ডাক বিভাগের ওয়েবসাইট (<a href="http://www.bangladeshpost.gov.bd" target="_blank">www.bangladeshpost.gov.bd</a>) থেকে এই কার্ড সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন।</p><p><a href="http://www.bangladeshpost.gov.bd/PCCLeaflet.pdf" target="_blank">পোস্টাল ক্যাশ কার্ড সম্পর্কে (৩ পাতার পিডিএফ তথ্য লিফলেট)</a></p><p><a href="http://www.bangladeshpost.gov.bd/PCC01ApplicationForm.pdf" target="_blank">আবেদন পত্র (পিডিএফ)</a></p><p><a href="http://www.bangladeshpost.gov.bd/PCC_Office_list.pdf" target="_blank">এই সার্ভিসের পোস্ট অফিসসমূহের তালিকা (৩ পাতা পিডিএফ)</a></p><p>সুত্রঃ <a href="http://www.prothom-alo.com/detail/date/2012-08-29/news/284575" target="_blank">প্রথম আলো</a></p>]]></description>
			<author><![CDATA[null@example.com (dr.shamim)]]></author>
			<pubDate>Thu, 30 Aug 2012 03:00:24 +0000</pubDate>
			<guid>http://rmcforum.com/topic1851new-posts.html</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[ওষুধগুলো হাতের নাগালে রাখুন]]></title>
			<link>http://rmcforum.com/topic1848new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<p>ডা. মিনহাজ উদ্দিন আহমেদ&nbsp; &nbsp; <br />ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা।</p><p>শহরের বেশিরভাগ মানুষই ঈদের ছুটিতে ছেলে-মেয়ে নিয়ে গ্রামের বাড়ি যান। তাঁদের পরিবেশ এবং জীবনযাপন বদলে যায় হঠাৎ করেই। তাই শিশু-কিশোর তো বটেই; বয়স্করাও রোগব্যাধিতে আক্রান্ত হন।<br />উৎসব অনুষ্ঠানে এক বাড়িতে অনেক লোকের সমাগম হয়। তাই পানি এবং পয়নিষ্কাশনজনিত দূষণ বেশি হয়। এসময় ডায়রিয়া, ভাইরাল হেপাটাইটিস, টাইফয়েড, সর্দিজ্বর, নিউমোনিয়া, ফুড পয়জনিং বা খাদ্যে বিষক্রিয়া, চিকেন পক্স, চোখ ওঠা, কৃমির সংক্রমণ, চুলকানি, পাঁচড়া ইত্যাদি সংক্রামক ব্যাধি থেকে বাঁচতে বাড়তি সতকর্তা প্রয়োজন।</p><p><p class="bbcenter"><img class="sigimage" src="http://i.imgur.com/4dDzG.jpg" alt="http://i.imgur.com/4dDzG.jpg" /></p></p><p>আর জরুরি প্রয়োজনে যেসব ওষুধ ঈদের ছুটিতে হাতের কাছে রাখা উচিত তা হলো_</p><p><strong>খাওয়ার স্যালাইন :</strong> ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানাজনিত পানিশূন্যতা রোধে খাওয়ার স্যালাইন অপরিহার্য। ডায়রিয়ায় যে পরিমাণ পানি এবং লবণ শরীর থেকে বের হয়ে যায় খাওয়ার স্যালাইন সেই চাহিদা পূরণ করে। ডায়রিয়া আক্রান্ত শিশু যদি শুধু বুকের দুধ পান করে সে ক্ষেত্রে মায়ের উচিত ঘন ঘন এবং বেশি সময় ধরে বুকের দুধ পান করানো। এ ক্ষেত্রে শিশুর চাহিদা অনুযায়ী বিশুদ্ধ ফুটানো ঠাণ্ডা পানি এবং খাওয়ার স্যালাইন শিশুকে দেওয়া যেতে পারে। ছয় মাসের বেশি বয়সের শিশুর জন্য ভাতের মাড়, চিঁড়ার পানি, ডাবের পানিসহ বিশুদ্ধ পানি এবং স্বাভাবিক খাবার দিতে হবে। তবে সাধারণ হিসেবে ডায়রিয়া আক্রান্ত দুই বছর বয়স পর্যন্ত শিশুরা স্বাভাবিক খাবার তো খাবেই, তারপরও প্রতিবার পাতলা পায়খানার পর ৫০-১০০ মিলি পরিমাণ অতিরিক্ত তরল খাদ্য খাবে। দুই থেকে ৯ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুদের ক্ষেত্রে প্রতিবার পাতলা পায়খানার পর অতিরিক্ত ১০০-২০০ মিলি পরিমাণ তরল খাবার দিতে হবে। শিশুর বমি হলে ১০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে এবং ধীরে ধীরে আবার খাওয়ার স্যালাইন শুরু করতে হবে। বড়দের ক্ষেত্রে প্রতিবার পাতলা পায়খানার পর কমপক্ষে আধা লিটার বা চাহিদা অনুযায়ী খাওয়ার স্যালাইন খেতে হবে। লবণ-গুড়ের শরবত ছয় ঘণ্টা এবং প্যাকেটজাত খাওয়ার স্যালাইন একবার তৈরির পর ১২ ঘণ্টা ভালো থাকে।</p><p><strong>প্যারাসিটামল (ট্যাবলেট ৫০০ মি.গ্রা বা সিরাপ ১২০ মি.গ্রা প্রতি চামচ) :</strong> জ্বর কমানোর জন্য এবং ব্যথা প্রশমনে ব্যবহৃত হয়। উচ্চমাত্রার জ্বর (১০১ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা তদূর্ধ্ব) প্রশমনে দুই মাস থেকে তিন বছর বয়সী শিশুদের (চার কেজি থেকে ১৪ কেজির ওজন শ্রেণী) জন্য এক চামচ প্যারাসিটামল সিরাপ দিনে তিন থেকে চারবার সেবন করানো যেতে পারে এবং তিন বছর থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের (১৪ কেজি থেকে ১৯ কেজির ওজন শ্রেণী) জন্য দুই চামচ প্যারাসিটামল সিরাপ দিনে তিন থেকে চারবার সেবন করানো যেতে পারে। শিশুর শরীর, হাত-পা কুসুম গরম পানিতে ভালোভাবে স্পঞ্জিং করলে বা মুছে দিলে বেশি জ্বর কমানো যায়। বয়স্করা প্যারাসিটামল ট্যাবলেট দৈনিক তিন থেকে চারবার সেবন করতে পারেন।</p><p><strong>অ্যান্টাসিড :</strong> অতিরিক্ত এসিডিটি বা পাকস্থলীর গ্যাসের সমস্যার জন্য প্রাপ্তবয়স্করা দুটি ট্যাবলেট (চুষে খাওয়ার জন্য) অথবা দুই চামচ এন্টাসিড সাসপেনশন দিনে তিনবার খালি পেটে বা খাওয়ার দুই ঘণ্টা পরে খেতে পারেন। এ ছাড়া এ ধরনের সমস্যায় ওমিপ্রাজল (২০ মি.গ্রা) বা রেনিটিডিন (১৫০ মি.গ্রা) খালি পেটে দৈনিক দুবার সেবন করতে পারেন। আর ইসওমিপ্রাজল ২০ মি.গ্রাম ভরা পেটেও খাওয়া যেতে পারে।<br />বমির ওষুধ : দীর্ঘ যাত্রায় বমির ভাব বা বমি হতে পারে। এ ক্ষেত্রে আগে থেকেই ডমপেরিডন (১০ মি.গ্রা) ট্যাবলেট প্রাপ্তবয়স্করা খালি পেটে দৈনিক তিনবার খেতে পারেন।</p><p><strong>শ্বাসকষ্ট বা অ্যাজমার ওষুধ :</strong> আ্যলার্জির কারণে যাদের শ্বাসকষ্টের প্রাদুর্ভাব হয় তারা সালবিউটামল টেবলেট বা ইনহেলার ব্যবহার করতে পারেন।<br />অ্যান্টিহিস্টামিন বা অ্যালার্জির ওষুধ : অ্যালার্জিজনিত হাঁচি-কাশি, নাক দিয়ে পানি পড়া, চামড়ায় চুলকানি, মৌমাছি বা পোকার কামড় ইত্যাদি কারণে হিসটামিন জাতীয় সিরাপ বা ট্যাবলেট সঙ্গে রাখা যেতে পারে। যেমন এলাট্রল, প্রেটিন, হিস্টাসিন, ফেক্সো, ফেনাডিন ইত্যাদি।<br />ইসবগুলের ভুসি : কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্য ব্যবহৃত হয়। অতিরিক্ত তেল-চর্বি জাতীয় খাবার, পরিবেশ এবং খাদ্যাভ্যাসের ভিন্নতায় কোষ্ঠকাঠিন্য হয়। এ ক্ষেত্রে দুই চামচ ইসবগুলের ভুসি পানিতে গুলে খাওয়ার সঙ্গে গ্রহণ করা খুব উপকার দেয়।</p><p><strong>জিঙ্ক ট্যাবলেট :</strong> ডায়রিয়া আক্রান্ত ছয় মাস বয়স পর্যন্ত শিশুদের ক্ষেত্রে অর্ধেক জিঙ্ক ট্যাবলেট (১০ মি.গ্রা), অল্প পরিমাণ বুকের দুধ, পরিষ্কার পানি বা খাওয়ার স্যালাইনের সঙ্গে মিশিয়ে মোট ১০ দিন সেবন করাতে হবে। ছয় মাসের ঊর্ধ্বের ডায়রিয়া আক্রান্ত শিশুদের জন্য দৈনিক একটি জিঙ্ক ট্যাবলেট এক চামচ পানিতে মিশিয়ে ১০ দিন দিতে হবে।</p><p><strong>মেট্রোনিডাজল ট্যাবলেট :</strong> যাঁদের বদহজমজনিত বা খাদ্যে বিষক্রিয়াজনিত পেট খারাপ হয় তাঁরা ৪০০ মি.গ্রাম ট্যাবলেট দিনে তিনবার খেতে পারেন।</p><p><strong>অ্যান্টিসেপটিক ক্রিম :</strong> যেকোনো ধরনের কাটা, পোকাকামড়ের কামড়, পুড়ে যাওয়া ইত্যাদির জন্য স্যাভলন জাতীয় অ্যান্টিসেপটিক ক্রিম সঙ্গে রাখা দরকার।</p><p>এছাড়া ডায়াবেটিস রোগীদের ব্যবহৃত ইনসুলিন, হৃদরোগী এবং ব্লাডপ্রেশারের রোগীদের জন্য ব্যবহৃত নিয়মিত ওষুধ পর্যাপ্ত পরিমাণে সঙ্গে নিতে হবে। সর্বোপরি সুস্থ, স্বাভাবিক ও সুন্দর জীবনের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ আর্সেনিকমুক্ত বিশুদ্ধ ও নিরাপদ পানি পান করা উচিত। শিশুরা যেন পুকুরের পানি বা অন্য অনিরাপদ উৎস থেকে সংগৃহীত পানি পান না করে, সেদিকে সর্তকদৃষ্টি রাখা।</p><p>সুত্র: কালের কণ্ঠ</p>]]></description>
			<author><![CDATA[null@example.com (sawontheboss4)]]></author>
			<pubDate>Sun, 19 Aug 2012 10:35:09 +0000</pubDate>
			<guid>http://rmcforum.com/topic1848new-posts.html</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[রোগ প্রতিরোধে ১০ খাদ্য - ডা. রফিক আহম্মেদ]]></title>
			<link>http://rmcforum.com/topic1809new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<p>ডা. রফিক আহম্মেদ<br />মেডিসিন ও বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ<br />ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল</p><p><p class="bbcenter"><img class="sigimage" src="http://i.imgur.com/nbm8v.jpg" alt="http://i.imgur.com/nbm8v.jpg" /></p></p><p>আমরা যা-ই খাই তা যদি শোষিত হয়ে শরীরের ক্ষয় পূরণ, রোগ প্রতিরোধ ও বৃদ্ধি সাধন করে তবেই তাকে খাদ্য বলে। ১০ ধরনের খাদ্য রোগ প্রতিরোধের জন্য যুদ্ধ করে। সে বিষয়ে নিচে সংক্ষেপে আলোচনা করা হল।</p><p>১. রুটি, ময়দা, আটা, চা-পাতির মধ্যে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন বি-৬ বা পাইরিডক্সিন আছে যা কিনা প্লিহা ও থাইমাস গ্রন্থির কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং অর্গান দুটি রোগ প্রতিরোধের জন্য সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। অন্যান্য বি-ভিটামিনের গুরুত্বও আছে। ফলিক এসিড টাটকা শাকসবজিতে পাওয়া যায়। ভিটামিন বি-১২, লিভার, মাছ, ডিম এবং ছত্রাক বিশেষ শস্যজাতীয় খাদ্যের মধ্যে পাওয়া যায়।</p><p>২. ক্যারোট-গাজর, ভিটামিন-এ, সমৃদ্ধ খাবার যা কিনা লালশাক, পুঁইশাক, টাটকা শাকসবজিতে পাওয়া যায়। আম, কলা, পেঁপে, রঙিন ফলেও ভিটামিন এ বেশি আছে। মলা, ঢেলা, মাছ, মাংস, দুধ, ডিম তো আছেই। ভিটামিন এ-তে বিটা ক্যারোটিন থাকে যা ত্বক এবং মিউকাস মেমব্রেনের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে, রোগ প্রতিরোধ তন্ত্রের তীব্রতা বৃদ্ধি করে। এন্টিবডি রেসপন্ডে সাহায্য করে, রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করে ইত্যাদি।</p><p>৩. ঘি, দুগ্ধ, দুগ্ধজাতীয় খাবারে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম থাকে। এ ছাড়া শাকসবজি, মাছ, চীনাবাদাম, ডালের মধ্যে পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালসিয়াম থাকে যা ম্যাগনেশিয়ামের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ইমুউন কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এটা চর্বি কমাতে সাহায্য করে।</p><p>৪. চকোলেট, আইসক্রিম, কোকো, গুঁড়া করে তৈরি মণ্ড, মাংস, ডিমের কুসুম, শীল মাছ, সুগন্ধি মশলা ইত্যাদি চমৎকারভাবে আয়রনের সঙ্গে যুক্ত হয়। শ্বেত রক্ত কণিকার সমতা রক্ষা করে, যা ইমুনিটি সৃষ্টিতে সহায়ক ভ‚মিকা পালন করে।</p><p>৫. সামুদ্রিক মাছ, সামুদ্রিক খাদ্য, মুরগি, লিভার, ডিমের কুসুম, শস্যজাতীয় খাবার ইলিশ মাছ, মাছের তেল ইত্যাদির মধ্যে সেলিনিয়াম নামক খনিজ লবণ থাকে, যা শ্বেত কণিকার ও ইমুউন এনজাইমের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে। এ তেলের মধ্যে ফ্যাটি এসিড থাকে। এরা রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।</p><p>৬. ম্যাগনেশিয়াম টাটকা শাকসবজি, চীনাবাদাম, সামুদ্রিক খাদ্য, শস্যজাতীয় খাবারে ম্যাগনেশিয়াম থাকে, এগুলো ইমুনিটির কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে।</p><p>৭. ভিটামিন-ই : উদ্ভিদ জাতীয় খাবার শাকসবজি, ফলমূল, ভেষজ তেলে পাওয়া যায়। শিম, শিমের বিচি, চীনাবাদাম ইত্যাদি। প্রাণিজ খাদ্য ডিমের কুসুম, মাছ, মাংস, দুধে থাকে। এরা শ্বেত রক্ত কণিকার কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে।</p><p>৮. আমলকী, হরীতকী, পেঁপে, তরমুজ, বাঁধাকপি, টকজাতীয় লেবু, কমলা লেবু, পেয়ারা ইত্যাদি। এরা কেমিক্যাল ম্যাসেনজার নাম্বার বৃদ্ধি করে বিশেষ করে ইন্টারফেরন, যা ইনফেকশনের প্রসেস প্রতিরোধে মহা গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা পালন করে।</p><p>৯. জিংক : সবুজ শাকসবজি, ফলমূল, ডিম, মাংস, সিরিয়াল, চিংড়ি, সামুদ্রিক খাদ্যে জিংক প্রচুর পরিমাণে রয়েছে যা ফ্রি রেডিকেলের কার্যকারিতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। জঞ্জাল কোষকে (জীবাণু ধ্বংস করার পর যেগুলোর মৃত্যু ঘটে) মুক্ত করতে সাহায্য করে। জিংক আমাদের শরীরের পুষ্টির জন্য একটি অতি প্রয়োজনীয় উপাদান। জিংক শরীরের বিভিন্ন এনজাইমের একটি অংশ এবং সব টিসুতেই এটি আছে।</p><p>১০. চা, শস্যজাতীয় খাদ্য টাটকা শাকসবজি-জাতীয় খাদ্যে ম্যাংগানিজ থাকে, যা কিলার ইমুনু সেলের কার্য বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।</p>]]></description>
			<author><![CDATA[null@example.com (sawontheboss4)]]></author>
			<pubDate>Sun, 01 Jul 2012 09:12:32 +0000</pubDate>
			<guid>http://rmcforum.com/topic1809new-posts.html</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[নবজাতকের পরিচর্যা - ডা. মো. মজিবুর রহমান মামুন]]></title>
			<link>http://rmcforum.com/topic1803new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<p>জন্মের পর একটি শিশু হঠাৎ করেই সম্পূর্ণ নতুন পরিবেশে চলে আসে। মায়ের গর্ভে নীরবে, নিশ্চিন্তে থাকা নবজাতক শিশুর পৃথিবীর আলো-পরিবেশে খাপ খাইয়ে নিতে বড়ই কষ্ট লাগে। খাওয়া-দাওয়া, ঘুম, চারদিকের পরিবেশ সবকিছুই তার কাছে নতুন। তাই নতুন পরিবেশে শিশুর প্রয়োজন বিশেষ যত্ন ও পরিচর্যা।</p><p><p class="bbcenter"><img class="sigimage" src="http://www.dainikdestiny.com/admin/news_images/305/image_305_56902.jpg" alt="http://www.dainikdestiny.com/admin/news_images/305/image_305_56902.jpg" /></p></p><p>সাধারণত মা-ই তার সন্তানের সর্বাধিক যত্ন নিতে পারেন। তারপরও মাসহ নবজাতক শিশুর খালা, ফুফু, নানি, দাদি অনেকেই এ ব্যাপারে সাহায্য করে থাকেন। নবজাতক শিশুর পরিচর্যাকারীকে অবশ্যই কয়েকটি বিষয় লক্ষ্য রাখতে হবে_<br />মা ছাড়া শিশুর যত্ন অন্য কেউ নিলে তাকে অবশ্যই সংক্রামক রোগমুক্ত হতে হবে।<br />পরিচর্যাকারীর পোশাক-পরিচ্ছদ সব সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে।<br />শিশুকে খাওয়ানো কিংবা কোলে নেয়ার ক্ষেত্রে হাত সব সময় সাবান, লিকুইডসোপ, হেক্সিসল বা স্পিরিট দিয়ে জীবাণুমুক্ত করতে হবে।<br />নবজাতকের পরিবেশ<br />নবজাতক শিশুর জন্য প্রয়োজন খোলামেলা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ। এ ক্ষেত্রে যেসব বিষয়ে লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন তা হল_<br />* নবজাতকের ঘরে যেন পর্যাপ্ত আলো-বাতাস চলাচল করতে পারে।<br />* ঘরে আসবাবপত্র কম রাখা উচিত, প্রয়োজনে সাময়িক সময়ের জন্য ঘর থেকে অতিরিক্ত বা মা-শিশুর প্রয়োজন হবে না এমন জিনিস সরিয়ে ফেলতে হবে।<br />* কোনোভাবেই ঘরে যেন ধুলাবালি কিংবা পোকা-মাকড় থাকতে না পারে সে ব্যাপারে লক্ষ্য রাখতে হবে।<br />* ঘরের দেয়াল বা মেঝেতে কোনো জাম্প বা স্যাঁতসেঁতে যেন না থাকে।<br />* নবজাতক শিশুর ঘরে কোনোভাবেই ফুল বা ফুলদানি, ফুলের টব রাখবেন না।<br />* ঘরের মেঝে, জানালা পরিষ্কার করতে হবে, জীবাণুমুক্ত করতে ডেটল বা স্যাভলন পানি ব্যবহার করা প্রয়োজন।<br />* ঘরে মশার কয়েল বা স্প্রে করতে হলে শিশুকে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে তারপর করতে হবে।<br />* নবজাতকের ঘরে কেউ যেন ধূমপান না করে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।<br />নবজাতকের বিছানা, পোশাক-পরিচ্ছদ<br />* নবজাতককে বেশি নরম বিছানায় শোয়ানো ঠিক নয়।<br />* মা যে ধরনের বিছানায় অভ্যস্ত তাতেই শিশুকে রাখা উচিত।<br />* শিশুর মাথায় বালিশ না দিয়ে পরিষ্কার কাপড় দিয়ে গোল করে রাখলে মাথার আকৃতি সুন্দর হয়।<br />* শিশুর চারদিকে কোল-বালিশ বা পাশ বালিশ দেয়া একান্ত দরকার। এতে শিশু মায়ের গর্ভে অল্প পরিসরে থাকার অনুভূতিটা লাভ করতে পারে।<br />* নবজাতকের পোশাক হওয়া প্রয়োজন পাতলা সূতি কাপড়ের। কেনা জামা-কাপড় না ধুয়ে শিশুকে পরানো যাবে না।<br />* শিশুর কাঁথা, কাপড়-চোপড় সবই ডেটল বা স্যাভলন দিয়ে ধোয়া একান্ত প্রয়োজন।<br />নবজাতকের মলমূত্র পরিষ্কার করা<br />* শিশুর মল-মূত্র পরিষ্কারের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে যা করণীয় তা হল_<br />* মল-মূত্র পরিষ্কার করার জন্য পরিষ্কার সুতি কাপড় ব্যবহার করা উচিত।<br />* কাপড় বা তুলা পানিতে ভিজিয়ে পায়খানা-প্রস্রাবের জায়গা মুছে নিতে হবে।<br />* পায়খানা-প্রস্রাব মোছার সময় বেশি চাপাচাপি করবেন না।<br />* পরিষ্কার করার পর নিজের হাত সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।<br />* সবশেষে লোশন বা অলিভঅয়েল মেখে দেয়া যেতে পারে। পাউডার মাখবেন না, তাতে শিশুর চামড়ার ভাঁজে পাউডার জমে সংক্রমণ দেখা দিতে পারে।<br />নবজাতকের গোসল<br />* জন্মের দুই-তিন দিন পরই সুস্থ নবজাতককে গোসল দেয়া যেতে পারে। তবে লক্ষ্য রাখতে হবে কয়েকটি বিষয়ে। যেমন_<br />* প্রথম দিকে নবজাতককে হালকা গরম পানি দিয়ে মুছে দেয়া যেতে পারে।<br />* গরমকাল হলে নাভি না পড়া পর্যন্ত এভাবেই গোসল করাতে হবে।<br />* শীতকাল হলে ১৪ দিন পরও গোসল দিলে কোনো ক্ষতি হবে না।<br />* নাভি না পড়া পর্যন্ত নাভির জায়গায় পানি লাগানো যাবে না।<br />* শিশুর গোসলের পানি আগেই ১০-১৫ মিনিট ফুটিয়ে ঠা-া করে নিলে জীবাণু সংক্রমণের কোনো আশঙ্কা থাকে না।<br />* গোসলের জায়গা গরম থাকা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে দরজা-জানালা বন্ধ করে নিলে ভালো হয়।<br />* গোসলের সময়ে কানে যেন পানি না যায় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।<br />* প্রতিদিন সাবান ব্যবহার করা যাবে না। ৩-৪ দিন পরপর লিকুইড সোপ ব্যবহার করা ভালো।<br />* নবজাতকের গায়ের পানি, নরম কাপড় বা টাওয়াল দিয়ে আস্তে আস্তে মুছতে হবে। তাড়াতাড়ি করে শিশুর নরম ত্বকের ক্ষতি করবেন না।<br />* হাত-পায়ের ভাঁজগুলোতে পানি যেন লেগে না থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন।<br />* গোসল শেষে শরীর মোছার পর পাউডার ব্যবহার না করে লোশন ব্যবহার করা উচিত।<br />নবজাতকের চোখ, নাক ও কানের যত্ন<br />* গোসলের পর নবজাতকের চোখ, নাক ও কান ভালোভাবে মুছে নেয়া উচতি।<br />* শিশুদের চোখ খুবই স্পর্শকাতর, তাই চোখ পরিষ্কার করতে পানিতে ভেজানো নরম কাপড় ও তুলা ব্যবহার করা উচিত।<br />* নাক ও কান পরিষ্কার করতে কটনবাড ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এতে বিপদ হতে পারে। স্বাভাবিক নিয়মেই নাক ও কান পরিষ্কার রাখতে হবে।</p>]]></description>
			<author><![CDATA[null@example.com (sawontheboss4)]]></author>
			<pubDate>Tue, 26 Jun 2012 09:59:55 +0000</pubDate>
			<guid>http://rmcforum.com/topic1803new-posts.html</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[সকাল ও সন্ধ্যায় হৃদরোগে আক্রান্ত হলে মৃত্যুঝুঁকি বেশি]]></title>
			<link>http://rmcforum.com/topic1737new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<p>দিনের কোনো একটি নির্দিষ্ট সময়ে হূদরোগে আক্রান্ত হলে মৃত্যুর ঝুঁকি বেশি বলে দাবি করেছেন গবেষকরা। নির্দিষ্ট সময়টিও তারা খুঁজে বের করেছেন বলে বৃহস্পতিবার জানিয়েছে বিবিসি। দিনের শুরুতে অর্থাত্ সকালে ও দিনের শেষে বা সন্ধ্যায় হূদরোগে আক্রান্ত হলে ‘মৃত্যুর’ আশঙ্কা বেশি বলে ব্রিটেনের ‘নেচার’ পত্রিকায় প্রকাশিত একটি জরিপ প্রতিবেদনে জানানো হয়।</p><p><p class="bbcenter"><img class="sigimage" src="http://i.imgur.com/ZsHOB.jpg" alt="http://i.imgur.com/ZsHOB.jpg" /></p></p><p>এতে বলা হয়, মানুষের শরীরে হূদস্পন্দনের গতি নিয়ন্ত্রণকারী প্রোটিনের হার সারাদিন ধরেই ওঠানামা করতে থাকে। মানুষের দৈনন্দিন জীবনের মতো শরীরের ভেতরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলোও প্রতিদিন একটি রুটিনমাফিক কাজ করে থাকে। হূদযন্ত্রও এভাবে রুটিন মেনেই কাজ করে এবং শরীরের অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করতে থাকে। এ রুটিন অনুযায়ী শরীরের ভেতরে রাসায়নিক ক্রিয়াকলাপও সারাদিন ধরে বদলাতে থাকে যা স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলে।</p><p><a href="http://new.ittefaq.com.bd/news/view/79152/2012-02-28/4" target="_blank">তথ্যসুত্র</a></p>]]></description>
			<author><![CDATA[null@example.com (sawontheboss4)]]></author>
			<pubDate>Tue, 28 Feb 2012 16:26:47 +0000</pubDate>
			<guid>http://rmcforum.com/topic1737new-posts.html</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[বেশি চিনি বেশি ক্ষতি! - ডা. এ আর এম সাইফুদ্দীন একরাম]]></title>
			<link>http://rmcforum.com/topic1714new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<p>বেশি কিছুই ভালো নয়। জেনে না জেনে প্রতিদিনই আমরা খাদ্যে নানাভাবে চিনি গ্রহণ করছি। যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে শরীরে। আলোচনা করেছেন রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও অধ্যাপক <strong>ডা. এ আর এম সাইফুদ্দীন একরাম</strong></p><p> জনপ্রিয় একটি কনডেন্সড মিল্কের বিজ্ঞাপনে একসময় বলা হতো, &#039;বাড়তি চিনি কী দরকার?&#039; অর্থাৎ ওই দুধে যে পরিমাণ চিনি আছে তাতে আর বাড়তি চিনি দেওয়ার দরকার নেই। ক্রেতা হয়তো ভাবতো, আরে এখানেই তো লাভ! বাস্তবে কিন্তু বিস্তর ক্ষতি।<br />দৈনন্দিন খাবার ও পানীয়ের অনেকগুলোতেই অতিরিক্ত চিনি কিংবা বাড়তি কৃত্রিম শর্করা যোগ করা থাকে। নিয়মিত এসব বাড়তি চিনিযুক্ত খাদ্য-পানীয় গ্রহণ করায় স্থূলতাসহ নানা ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যা বাড়ছে। তাই বলে কি এসব শর্করা জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে হবে? বাদ দিতে হবে খাদ্য তালিকা থেকে? নিশ্চয়ই নয়। কারণ শরীরের জন্যই শর্করা দরকার। কিন্তু তার মাত্রা যাতে বেশি না হয় খেয়াল রাখতে হবে সেটাই।<br />স্বাস্থ্যকর অধিকাংশ খাদ্যদ্রব্যেই কিছু না কিছু শর্করা থাকে। কারণ সুষম খাদ্যের অন্যতম উপাদান এই শর্করা। সমস্যা হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের ফাস্টফুড এবং পানীয়তে থাকা বাড়তি চিনি এবং শর্করা। এটা শুধু খাবারে ক্যালরির মাত্রা বাড়ানো ছাড়া আর কোনো কাজে লাগে না। তা ছাড়া ফাস্টফুড এবং নানা রকম পানীয়, ক্যান্ডি, চুইংগাম, চকোলেট, জ্যাম, জেলি এসব বাড়তি চিনিযুক্ত খাবারে প্রকৃত পুষ্টিগুণ সামান্যই থাকে। তাই বলা যায় জনস্বাস্থ্যের জন্য এসব খাবার এক ধরনের হুমকি।<br />মনে প্রশ্ন আসতে পারে, শর্করা কি শরীরে কোনো কাজে লাগে?<br />প্রাকৃতিক কিংবা প্রক্রিয়াজাত সব শর্করাই শরীরে শক্তি উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত হয়। প্রাকৃতিক খাবার যেমন চাল, গম, ভুট্টা, ফলমূল, সবজি, দুধ ইত্যাদির শর্করা দেহে শক্তির প্রধান উৎস।<br />কিন্তু প্রক্রিয়াজাত বিভিন্ন ফাস্টফুড এবং পানীয়ের সঙ্গে বাড়তি চিনি যোগ করা হয় কেন?<br />বেশ কয়েকটি কারণে তা করা হয়_<br />ফাস্টফুড ও পানীয়কে সুস্বাদু করে।<br />* বেকারির খাবারে বিশেষ রং ও গঠন দেয়।<br />* জ্যাম, জেলি প্রভৃতি সংরক্ষণে সাহায্য করে।<br />* গাজন প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে, ফলে রুটি জাতীয় খাবার ফুলে ওঠে।<br />* ভিনেগার ও টমেটো সমৃদ্ধ খাবারের অম্লত্ব প্রশমন করে।<br />অতিরিক্ত চিনি যোগ করায় বাড়তি কিছু উপকারিতা আছে সন্দেহ নেই। কিন্তু এর সঙ্গে প্রক্রিয়াকরণের সুবিধার্থে কিছু চর্বিও যোগ করা হয়। চর্বি এবং বাড়তি চিনিকে একসঙ্গে সোফাস বলে। কোনো কোনো খাবারের মোট ক্যালরির এক-তৃতীয়াংশ আসছে সোফাস থেকে। যখন কারো দৈনিক ক্যালরি চাহিদার এত বেশি অংশ চর্বি এবং চিনি থেকে আসে, তখন বুঝতে হবে ওই খাবার কোনোভাবেই স্বাস্থ্যপ্রদ নয়।<br />বেশি চিনি যেসব স্বাস্থ্য সমস্যার সৃষ্টি করে_<br />* বেশি চিনি মানেই অতিরিক্ত ক্যালরি। এসব খেয়ে পরিমাণের তুলনায় বাড়তি ক্যালরি গ্রহণ করা হয়। ফলে ওজন বাড়ে।<br />* চিনি দাঁতের ফাঁকে ফাঁকে লেগে থেকে ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি ঘটায়। ফলে দাঁত ক্ষয় হয়। বিশেষত চকোলেট, ক্যান্ডি, চুইংগাম, কেক-পেস্ট্রি জাতীয় খাবার ঘন ঘন গ্রহণ করলে এ ঝুঁকি আরো বেড়ে যায়। এ জন্য দেখা যায় বহু শিশু-কিশোরের দাঁতের স্বাস্থ্য ভালো নয়।<br />* ফাস্টফুড ক্যালরি চাহিদা পূরণ করে, কিন্তু অন্যান্য পুষ্টি উপাদান যেমন প্রোটিন, ভিটামিন, খনিজ উপাদান ইত্যাদির আনুপাতিক ঘাটতি খাদ্যে রয়েই যায়। ফলে শরীর অপুষ্টি বা অপপুষ্টির শিকার হয়।<br />* বাড়তি চিনি রক্তে ট্রাইগি্লসারাইডের<br />পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়, যা রক্তনালিতে জমে গিয়ে হার্ট অ্যাটাকসহ বহু রোগের কারণ হয়ে<br />দাঁড়ায়।<br />তাহলে দৈনিক খাবারে কতটুকু চিনি নিরাপদ?<br />এর কোনো সঠিক পরিমাণ নির্দেশ করা যায় না। তবে বলা যায়, খাবারে চিনি যতটা সম্ভব কমানোটাই ভালো। সার্বিকভাবে যে কারো দিনে পাঁচ থেকে ১৫ শতাংশের বেশি ক্যালরি সোফাস থেকে আসা উচিত নয়।<br />আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন বলেছে, কোনো মহিলার দৈনিক খাদ্য তালিকায় ১০০ ক্যালরি, আর পুরুষের জন্য এটা ১৫০ ক্যালরির বেশি হওয়া উচিত নয়। অর্থাৎ সারা দিনের খাবারের তালিকায় ছয় চা চামচ (মহিলাদের জন্য) থেকে নয় চা চামচ (পুরুষদের জন্য) বেশি বাড়তি চিনি থাকা উচিত নয়। অধিকাংশ পশ্চিমা নাগরিক দিনে ২২ চা চামচ অতিরিক্ত চিনি গ্রহণ করে থাকে। দেশেও এর হার খুব একটা নগণ্য নয়। এখানে সরাসরি চিনি গ্রহণের কথা কিন্তু বলা হচ্ছে না। আলাদাভাবে চিনি ও খাদ্যদ্রব্যে থাকা মোট চিনির পরিমাণকে বোঝানো হচ্ছে।<br />তাহলে কিভাবে খাবারে চিনির প্রভাব কমাবেন? নিচের উপায়গুলো বিবেচনা করতে পারেন।<br />* সরাসরি চিনিযুক্ত খাদ্য (মিষ্টি, পায়েস ইত্যাদি) যতটা সম্ভব বাদ দিন।<br />* ক্যান্ডি, চুইংগাম, চকোলেট, আইসক্রিম, কেক পেস্ট্রি জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন।<br />* কেক, কুকি এবং অন্যান্য মিষ্টি স্ন্যাকসের পরিবর্তে তাজা ফলমূল খান।<br />* মিষ্টি ফলের পরিবর্তে কম মিষ্টি কিংবা টক ফলকে প্রাধান্য দিন।<br />* মিষ্টি সিরাপে সংরক্ষিত কৌটাজাত খাদ্য এড়িয়ে চলুন।<br />* ফলের রস এবং কোমল পানীয়ের পরিবর্তে দুধ, ডাবের পানি কিংবা সাধারণ পানি পান করুন।<br />* চা-কফিতে চিনি ব্যবহার না করাই ভালো কিংবা কম করতে পারেন।<br />অনেক সময় বাজারে কোন খাদ্যে চিনি আছে তা বোঝা যায় না। খাবারে চিনির পরিমাণ জানার জন্য মোড়কের গায়ে লেখা উপাদানের তালিকা দেখতে পারেন। নিজের সাধারণ জ্ঞানও কাজে লাগাতে পারেন।<br />নিচের খাবারগুলোর ব্যাপারেও সতর্ক থাকতে পারেন।<br />* বাদামি চিনি বা ব্রাউন সুগার_মোলাসেসযুক্ত দানাদার সাদা চিনি বেকিংয়ের জন্য বেশি ব্যবহৃত হয়।<br />* আখের রস এবং আখের সিরাপ_এটাকে পরিশোধন করলেই সাদা চিনি পাওয়া যায়।<br />* ডেঙ্ট্রোজ_গ্লুকোজের আরেক নাম।<br />* ফ্রুক্টোজ_ফল, মধু এবং সবজি থেকে পাওয়া চিনি, যা শরীরে গিয়ে গ্লুকোজে রূপান্তরিত হতে পারে।<br />* মধু_এতে গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ এবং সুক্রোজের মিশ্রণ যুক্ত চিনি থাকে।<br />* ম্যাল্টোজ_বিয়ার, রুটি এবং শিশু খাদ্যে ব্যবহৃত চিনি।<br />* মল্ট সিরাপ_শস্যবাটা এবং সদ্য অঙ্কুরিত বার্লি থেকে প্রস্তুত করা মিষ্টি রস।<br />* মোলাসেস_আরেক নাম চিটাগুড়।<br />এবার নিজেই হিসাব করুন সারা দিনে যে খাবার খাচ্ছেন তাতে কতটা বাড়তি চিনি শরীরে ঢুকছে! যদি মনে হয়, চিনির পরিমাণ বেশি হচ্ছে, আজই কমানো শুরু করুন।</p><p><a href="http://www.kalerkantho.com/?view=details&amp;type=gold&amp;data=Hotel&amp;pub_no=769&amp;cat_id=3&amp;menu_id=33&amp;news_type_id=1&amp;index=0" target="_blank">সূত্রঃ কালের কণ্ঠ</a></p>]]></description>
			<author><![CDATA[null@example.com (সুজন পাল)]]></author>
			<pubDate>Sun, 22 Jan 2012 19:06:04 +0000</pubDate>
			<guid>http://rmcforum.com/topic1714new-posts.html</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[বেশি জানলে বেশি বাঁচবেন!]]></title>
			<link>http://rmcforum.com/topic1703new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<div class="quotebox"><blockquote><p>যাঁরা সাম্প্রতিক বিষয় সম্পর্কে নিয়মিত খোঁজখবর রাখেন, তাঁরা অনেক বেশি স্বাস্থ্য সচেতন হন। এ কারণে তাঁরা বেশিদিন বাঁচেন—এমনই দাবি করেছেন বিজ্ঞানীরা।<br />সম্প্রতি ইতালিতে একটি গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব মানুষ বেশি বেশি সংবাদপত্র, টেলিভিশন ও ইন্টারনেটের সংস্পর্শে থাকেন, তাঁরা বেশি স্বাস্থ্যকর খাবার খান। অন্যদিকে গণমাধ্যম থেকে দূরে থাকা মানুষ স্বাস্থ্যকর খাবারের সন্ধান কম পান।<br />‘ক্যাথোলিক ইউনিভার্সিটি অব রোমে’র চিকিত্সক অ্যামেরিকো বোনানি ওই গবেষণায় নেতৃত্ব দেন। এতে দেখা যায়, গণমাধ্যমের সংস্পর্শে থাকলে মানুষ বেশি বেশি স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক তথ্য পায়। এতে তারা বেশি স্বাস্থ্যসচেতন হয়ে ওঠে। গবেষকেরা এক হাজার প্রাপ্ত বয়ষ্ক মানুষের ওপর জরিপ করে দেখেন, বেশি তথ্য পাওয়ার সঙ্গে খাদ্যাভ্যাসের সম্পর্ক রয়েছে।<br />‘ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব পাবলিক হেলথ’ সাময়িকীতে প্রকাশিত ওই গবেষণা প্রতিবেদনে দেখা যায়, গণমাধ্যমের নিবিড় সংস্পর্শে থাকা ব্যক্তিরা বেশি পরিমাণ স্বাস্থ্যকর খাবার, তাজা মাছ, ফলমূল, শাকসবজি খান। এ ধরনের খাবার হূদরোগ ও ক্যানসার ছাড়াও মুটিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিও কমায়।<br />এর আগে পরিচালিত আরেকটি গবেষণায় দেখা যায়, মানুষের স্বাস্থ্যের ওপর গণমাধ্যমের ক্ষতিকর প্রভাব রয়েছে। সে সময় বলা হয়েছিল, ঘরে শুয়ে-বসে টেলিভিশন দেখতে দেখতে মানুষের শরীর অচল হয়ে পড়ে। টেলিভিশন দেখে মানুষ ফাস্ট ফুড খাবার গ্রহণে উত্সাহী হয়ে ওঠে, যা হূদরোগ বা স্থূলকায় হয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ। কিন্তু সাম্প্রতিক এই গবেষণায় দেখা গেছে, টেলিভিশনে প্রদর্শিত স্বাস্থ্যবিষয়ক অনুষ্ঠান দেখে মানুষ স্বাস্থ্যবিষয়ক নানা টিপস ও তথ্য পাচ্ছে। এতে দিন দিন তারা স্বাস্থ্য সচেতন হয়ে উঠছে।<br />জরিপে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের কাছে টেলিভিশন দেখা, সংবাদপত্র ও সাময়িকী পড়া এবং ইন্টারনেটে সংবাদভিত্তিক ওয়েবসাইট ব্যবহারবিষয়ক প্রশ্নের পাশাপাশি তাদের জীবনযাপন, খাদ্যাভ্যাস, চিকিত্সা-সম্পর্কিত তথ্য জানতে চাওয়া হয়। গবেষণায় দেখা যায়, যারা সাম্প্রতিক ইস্যুতে বেশি কৌতূহলী তাঁরা বেশি ভালো খাবার খান।<br />গবেষণায় আরও দেখা যায়, গণমাধ্যমে প্রতিনিয়ত এইচআইভি/এইডস, অ্যালকোহল, ধূমপান, মাদকের বিরুদ্ধে প্রচারাভিযান চালানোর ফলে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে ইন্টারনেটভিত্তিক সংবাদপত্রগুলোতে আজকাল প্রায়ই স্বাস্থ্যবিষয়ক নানা টিপস, তথ্য সরবরাহ করছে, যা ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের স্বাস্থ্য বিষয়ে আর সচেতন করছে।</p></blockquote></div><p><a href="http://www.prothom-alo.com/detail/date/2012-01-16/news/217012" target="_blank">সূত্রঃ প্রথম আলো</a></p>]]></description>
			<author><![CDATA[null@example.com (সুজন পাল)]]></author>
			<pubDate>Mon, 16 Jan 2012 19:24:35 +0000</pubDate>
			<guid>http://rmcforum.com/topic1703new-posts.html</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[যকৃৎ প্রতিস্থাপন আর লাগবে না।]]></title>
			<link>http://rmcforum.com/topic1584new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<div class="quotebox"><blockquote><p><strong>ব্রিটিশ বিজ্ঞানীরা নতুন এক পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন। এ পদ্ধতিতে স্টেম সেল যকৃতে সক্রিয় কোষ তৈরি করবে। ফলে যকৃত্ প্রতিস্থাপনের মতো ঝুঁকিপূর্ণ কাজ ও এর বিপুল ব্যয় কমানো সম্ভব হবে। গত বুধবার একটি জার্নালে এই গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে।<br /></strong><br /><img class="sigimage" src="http://http.cdnlayer.com/prothomalo1998/resize/maxDim/340x1000/img/uploads/media/2011-10-14-02-28-26-057387400-liver02.jpg" alt="http://http.cdnlayer.com/prothomalo1998/resize/maxDim/340x1000/img/uploads/media/2011-10-14-02-28-26-057387400-liver02.jpg" /></p><p>স্যাংগার ইনস্টিটিউট ও ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্বে একদল গবেষক এ গবেষণা করেছেন। তাঁরা ত্বকের অংশ থেকে সংগৃহীত কোষকে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তিত করে নতুন স্টেম সেল তৈরি করেছেন। <strong>এই স্টেম সেলই যকৃতে সক্রিয় কোষ তৈরিতে সাহায্য করে। গবেষকেরা ইঁদুরের ওপর এ পরীক্ষা করে সফল হয়েছেন।</strong><br />স্যাংগার ইনস্টিটিউটের পরিচালক অ্যালান ব্রাডলি বলেছেন, ‘রোগীর শরীরের ত্রুটিপূর্ণ জিনকে উদ্দেশ করেই এ পদ্ধতি তৈরি করার চেষ্টা করেছি। এটা আমাদের প্রথম ধাপ। কিন্তু যদি এ কৌশল পুরোপুরি চিকিত্সার জন্য নেওয়া হয় তাহলে রোগীদের জন্য আরও ভালো কিছু করার সম্ভাবনা আছে।’<br /><strong>শরীরের প্রধানতম কোষ হলো স্টেম সেল। আর এই স্টেম সেলই হচ্ছে শরীরের অন্য সব কোষের মূল উত্স। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এর মাধ্যমে অন্ধত্ব, মেরুদণ্ডের সমস্যা ও অন্যান্য স্থানে ক্ষতিগ্রস্ত কোষের চিকিত্সা সম্ভব হবে।</strong><br />গত বছর যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাডভান্সড সেল টেকনোলজির রবার্ট লানজারের নেতৃত্বে একটি গবেষক দল চামড়া বা রক্ত থেকে প্রাপ্ত স্টেম সেল (আইপিএস) এবং ভ্রূণ থেকে প্রাপ্ত স্টেম সেলের মধ্যে তুলনামূলক গবেষণা করে বলেছে, আইপিএস সেল খুব তাড়াতাড়ি মরে যায়। আর এটার বৃদ্ধিও খুব ধীরে হয়।<br />ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের লুডোভিক ভেলিয়ার বলেছেন, ‘প্রথম পদক্ষেপেই আমরা সেল থেরাপির মাধ্যমে যকৃতের সমস্যা সমাধান নিয়ে কাজ করেছি। এটাকে সফল করতে আমরা এখন কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি আছি।’<br />গবেষকেরা বলছেন, তাঁরা যদি এ ক্ষেত্রে সফল হন তাহলে লিভার প্রতিস্থাপন জটিলতা ও ব্যয়ভার এবং সারা বছর ওষুধ নেওয়ার ঝামেলা অনেক কমে যাবে।<br />ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও গবেষক দলের সদস্য ডেভিড লোমাস বলেছেন, ‘আমরা যদি যকৃতে নতুন কোষ তৈরির জন্য রোগীর নিজের চামড়া কোষ থেকেই নিতে পারি তাহলে ভবিষ্যতে যকৃত্ প্রতিস্থাপনের প্রয়োজনীয়তা প্রতিরোধ করা যাবে।’</p><p><a href="http://www.prothom-alo.com/detail/date/2011-10-14/news/193752" target="_blank">সুত্র </a></p></blockquote></div><p>উন্নত বিশ্বে বর্তমানে স্টিম সেল নিয়ে ব্যাপক গবেষণা চলছে।ক্যান্সার প্রতিরোধে বর্তমানে সিঙ্গাপুরে এর ব্যবহার শুরু হয়েছে। লিভারেও আশা রাখি আশাতীত সাফল্য পাওয়া যাবে।&nbsp; <img title="applause" src="extensions/yahoosmile/img/smilies/41.gif" alt="applause" /></p>]]></description>
			<author><![CDATA[null@example.com (উপল BD)]]></author>
			<pubDate>Fri, 14 Oct 2011 09:26:39 +0000</pubDate>
			<guid>http://rmcforum.com/topic1584new-posts.html</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[ইফতারিতে ভেজাল : চেনার উপায়]]></title>
			<link>http://rmcforum.com/topic1508new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<p><strong>এ এইচ এম আনোয়ার পাশা</strong></p><p>একটু সচেতন হলে কিছু ভেজাল ও ক্ষতিকর খাদ্য আমরা সহজেই চিনে নিয়ে এগুলো পরিহার করতে পারি। একসময় সবুজ রঙের সন্দেশ বা বাহারি রঙের কেক-পেস্ট্রি পাওয়া যেত। রঙিন খাবার পরিহারে সাধারণ মানুষের মধ্যে আমরা সচেতনতা সৃষ্টি করতে পেরেছি। মানুষ এগুলো কেনে না বলে সবুজ সন্দেশ আর তৈরি হয় না। খাবার সাদা বা পরিষ্কার করতে ব্যবহার করা হচ্ছে ক্ষতিকর হাইড্রোজ। যেসব খাদ্যে হাইড্রোজ ব্যবহার হয় সেগুলো যদি আমরা চিনে নিয়ে পরিহার শুরু করি তাহলে এর ব্যবহারও কমে যাবে। ক্ষতিকর হাইড্রোজ আসলে কী? হাইড্রোজের রাসায়নিক নাম সোডিয়াম হাইড্রো সালফাইড। গার্মেন্ট শিল্পে কাপড়ের রং সাদা করতে এটি ব্যবহৃত হয়। অথচ খাদ্য সাদা বা পরিষ্কার করতে এটি খাবারে ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে খাদ্য হচ্ছে বিষাক্ত। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি কার্সিনোজেনিক, যা ক্যান্সার সৃষ্টির জন্য দায়ী। এ ছাড়া পাকস্থলী, লিভার ও কিডনির জটিল রোগ সৃষ্টি করে। হাইড্রোজযুক্ত সাদা বা পরিষ্কার খাবার চিনে নিয়ে এগুলো পরিহার করলে এসব অসুখ-বিসুখ থেকে আমরা মুক্ত থাকতে পারি।<br /><strong>সাদা মুড়ি :</strong> দুইবার সিদ্ধ করায় মুড়ির চাল লালচে হয়ে থাকে। এ চাল থেকে লালচে মুড়ি হবে_এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু বাজারে লালচে মুড়ির চাহিদা কম বলে মুড়ি সাদা করতে কারখানার মালিক মুড়িতে হাইড্রোজ অথবা ইউরিয়া সার ব্যবহার করে। তাহলে স্বাভাবিক লালচে মুড়ি না খেয়ে আমরা কেন কেমিক্যালযুক্ত সাদা মুড়ি খাব? যাত্রাবাড়ীর একটি মুড়ি কারখানার মালিক স্বীকার করেন, তিনি বর্তমানে বাধ্য হয়ে মুড়িতে হাইড্রোজ দিচ্ছেন। গত বছর হাইড্রোজ না দেওয়ায় লাল মুড়ির ক্রেতা পাওয়া যায়নি। রমজানের পরও লাল মুড়ি অবিক্রীত পড়ে ছিল। কিন্তু অন্য কারখানাগুলোর সাদা মুড়ি প্রচুর বিক্রি হয়েছে। তাই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে তিনি রমজানের আগে থেকেই হাইড্রোজ ব্যবহার শুরু করেন। এ অপরাধে তাকে এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আমরা স্বাভাবিক লালচে মুড়ি খাওয়া শুরু করলে লাল মুড়ির চাহিদা বেড়ে যাবে। ফলে অসাধু মুড়ি কারখানাগুলো ক্ষতিকর কেমিক্যাল ব্যবহার বন্ধ করবে।<br /><strong>সাদা গুড় :</strong> পরিষ্কার সাদা আখের গুড় ভোক্তাকে আকৃষ্ট করলেও এটি আখের গুড়ের স্বাভাবিক রং নয়। গুড়ে কোনো কেমিক্যাল ব্যবহার না করলে এর রং হয় লালচে এবং খানিকটা কালচে। আখক্ষেতে আখ মাড়াই করে লম্বা কড়াইভরে রস জ্বাল করে সারা রাত গুড় তৈরি করা হয়। চুলার পাশে সাদা কেমিক্যালের পুঁটলি থাকা স্বাভাবিক ঘটনায় দাঁড়িয়েছে। যারা গুড়ে এগুলো মেশায় তারা হাইড্রোজের ক্ষতি বোঝে না, শুধু জানে এটা না দিলে তার গুড় বাজারে চলবে না। সাভারের নামাবাজারে একটি গুড় কারখানায় হাইড্রোজ দিয়ে চিটাগুড় সাদা করে চিনির সঙ্গে মিশিয়ে সাদা আখের গুড় তৈরি করার সময় হাতেনাতে ধরা হয় একজনকে।<br />সারা দিন রোজা রেখে হাইড্রোজযুক্ত ক্ষতিকর গুড়ের শরবত দিয়ে কেন আমরা ইফতার শুরু করব? আমরা কেন এই সাদা গুড় কিনব?<br /><strong>সাদা জিলাপি : </strong>ঢাকার তিলপাপাড়া ত্রিমোহনী মোড়ে সাত-আটটি মিষ্টির দোকান। এখানে যারা মিষ্টি বানায় তাদের ধারণা, হাইড্রোজ ছাড়া জিলাপি হয় না। জিলাপির খামির জমতে একটু সময় নেবে। কিন্তু যারা অল্প সময়ে জিলাপি বানায় তারা হাইড্রোজ দেয়। এতে জিলাপি হয় মচমচে এবং সাদা। জিলাপির স্বাভাবিক রং হচ্ছে ঈষৎ লালচে। সাদা জিলাপি পরিহার করা বাঞ্ছনীয়।<br /><strong>তালমিছরি :</strong> তালমিছরি নামে সাদা ধবধবে স্ফটিকের মতো যা বাজারে পাওয়া যায় তার বেশির ভাগই চিনির তৈরি। এ ধরনের বেশ কয়েকটি কারখানায় অভিযানে দেখা যায়, চিনি জ্বাল করে হাইড্রোজ মিশিয়ে তালমিছরি তৈরি করা হচ্ছে। যারা তৈরি করছে তাদের বক্তব্য, সারা দেশে যত মিছরি পাওয়া যায় তার সব হাইড্রোজ দিয়ে তৈরি। অথচ পানিতে তালমিছরি ভিজিয়ে রেখে সে পানির শরবত দিয়ে অনেকে ইফতার করেন। মেলার মাঠে হাতি-ঘোড়ার ছাঁচে তৈরি মিছরি, কদমা খুব জনপ্রিয় হলেও এগুলো তৈরি হয় হাইড্রোজ দিয়ে। মাতুয়াইলের একটি বড় মিছরি কারখানায় এক ড্রাম হাইড্রোজ পাওয়া যায়। মিছরি তৈরিতে হাইড্রোজ ব্যবহারের কারণে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এই খাদ্য পরিহার করাই নিরাপদ।<br /><strong>মিষ্টি :</strong> সাভারের নামাবাজারের মিষ্টির কারখানায় অভিযান চালিয়ে ৮-৯টি কারখানায় হাইড্রোজ পাওয়া যায়। কারিগরদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মিষ্টি গোল্লা যখন তৈরি করা হয় তখন ছানার সঙ্গে হাইড্রোজ দিলে ভাজার সময় ফেটে যায়। তাই সাদা মিষ্টি তৈরি করতে তারা চিনির শিরায় হাইড্রোজ দেয়। সাদা মিষ্টির গোল্লা তেলে ভেজে হাইড্রোজ মেশানো চিনির শিরায় ছেড়ে দিলে ধবধবে সাদা রসগোল্লা তৈরি হয়। এ ধরনের অস্বাভাবিক সাদা রসগোল্লা কেনা উচিত নয়।<br /><p class="bbcenter"><img class="sigimage" src="http://i.imgur.com/tdy02.jpg" alt="http://i.imgur.com/tdy02.jpg" /></p></p><p><strong>ছোলা :</strong> কালচে ছোলার পুষ্টিমান কম না হলেও লোকে কম কেনে বলে এর দাম তুলনামূলক বেশ কম। ইফতার বিক্রেতারা খরচ কমাতে এ ছোলাই ব্যবহার করে। অনেকে ছোলা সিদ্ধ করে হাইড্রোজ দিয়ে সাদা করে। তাই বাজারে তৈরি সাদা ছোলার প্রতি আকৃষ্ট না হয়ে কালো ছোলা খেলে ক্ষতি নেই। এ ছাড়া হাইড্রোজের ব্যবহার দেখা যায় বেকারিতে সাদা বিস্কুট তৈরির কাজে। হাইড্রোজ না দিলে ময়দার তৈরি বিস্কুট সাদা হয় না। অতিরিক্ত সাদা বিসু্কট না খাওয়াই ভালো। খাবারে হাইড্রোজের উপস্থিতি তাৎক্ষণিক শনাক্তকরণের কোনো কিট না থাকলেও সায়েন্স ল্যাবরেটরি এ নিয়ে কাজ করছে।<br />এ তো গেল হাইড্রোজের ব্যবহার। এবার বলছি রঙিন খাবারের বিষয়ে। এরই মধ্যে রঙিন খাবার পরিহারে সচেতনতা সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু ইফতারসামগ্রীতে এখনো এর প্রয়োগ উদ্বেগজনক। ফুড গ্রেড কালার ক্ষতিকর নয় বলে অনেকের ধারণা। ভালো মানের খাবারের রং অত্যন্ত ব্যয়বহুল (প্রতি কেজি চার হাজার ৫০০ টাকা) বলে অসাধু ব্যক্তিরা নিম্নমানের রং বা কাপড়ের রং (প্রতি কেজি ২০০ টাকা) দিয়ে খাবার রং করে ক্রেতাকে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করে। এ ছাড়া নিম্নমানের রঙের গায়ে ফুড কালারের লেবেল লাগানোর নজির দেখা যায়। তাই খাদ্যের রঙের ব্যবহার কম হওয়াই নিরাপদ। ভালো মানের ফুড গ্রেড কালার চেনার উপায় হলো ভেজা হাতে রং লাগিয়ে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেললে সহজেই উঠে যায়। কিন্তু কাপড়ের রং হাতে লাগালে হাত সাবান দিয়ে ধুলেও তা উঠতে চায় না। এসব রং কার্সিনোজেনিক, যা ক্যান্সার সৃষ্টিতে সহায়তা করে। খাদ্য পরিপাকসংশ্লিষ্ট শরীরের সব অঙ্গ সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই রঙিন ইফতারি পরিহারে ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টি অত্যাবশ্যক।<br /><strong>রঙিন শরবত :</strong> ইফতার কিংবা মেহমান আপ্যায়নে হলুদ বা লাল শরবত ইদানীং রেওয়াজে পরিণত হয়েছে। ছোট প্লাস্টিকের প্যাকেটে শরবত পাউডার পাওয়া যায়, যা পানিতে মিশিয়ে নিমেষে তৈরি হয়ে যায় কমলা বা আমের শরবত। যাত্রাবাড়ীর বাগানবাড়ীতে অভিযানে দেখা গেল, টিনের ছাপরার ভেতরে অত্যন্ত নোংরা পরিবেশে তৈরি হচ্ছে এ ধরনের শরবতের পাউডার। বাজারে এর চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় এ রকম কারখানা গড়ে উঠছে। এটি তৈরি হয় চিনি গুঁড়া করে তাতে ঘনচিনি ও রং মিশিয়ে। এতে কমলার কৃত্রিম ফ্লেভার দিলে হয়ে যায় কমলার শরবত আর আমের ফ্লেভার দিলে হয়ে যায় আমের শরবত। তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করে আমরা চিনির সঙ্গে পাচ্ছি রং, ঘনচিনি আর ফ্লেভার। প্যাকেটের গায়ে লেখা থাকে বাড়তি চিনির প্রয়োজন নেই। অধিক পরিমাণ পানিতে অল্প পাউডার দিয়ে মিষ্টি শরবত তৈরি হওয়ার কারণ এতে রয়েছে ঘনচিনি বা কৃত্রিম মিষ্টি, যা বিশ্বব্যাপী নিষিদ্ধ। আবহমানকাল ধরে আমরা যে প্রাকৃতিক লেবুর শরবত পান করি তাই শ্রেষ্ঠ পানীয়। আধুনিক যুগেও পুরনো ঐতিহ্যটি ধরে রাখতে পারলে আমরা নিঃসন্দেহে লাভবান হব।<br />পেঁয়াজু, বেগুনি, চপ, চিকেন ফ্রাই, ছোলা ভাজলে বহিরাবরণ লালচে হতে পারে; কিন্তু এটি ভাঙলে এর ভেতরটা লাল থাকলে বুঝতে হবে এতে রং মেশানো হয়েছে। ছোলা, বেগুনি, চপ, চিকেন ফ্রাই_এগুলোকে আকর্ষণীয় করতে লাল রং মেশানো হয়। একটু সতর্ক হলে এগুলো সহজেই ধরা যায়।<br /><strong>রঙিন লাচ্ছা সেমাই : </strong>ঈদের দিন জামাই আপ্যায়নে এখনো গ্রামাঞ্চলে কড়া হলুদ, লাল, এমনকি সবুজ রঙের লাচ্ছা সেমাই খাওয়ানোর নজির দেখা যায়। শহরাঞ্চলে সচেতন মানুষ রঙিন সেমাই বয়কট করায় উৎপাদিত রঙিন খোলা সেমাই গ্রামাঞ্চলে সরবরাহ করা হচ্ছে। লাচ্ছা সেমাইয়ের স্বাভাবিক রং ক্রিম কালারের এবং এর প্যাকেটের গায়ে অবশ্যই বিএসটিআইয়ের মানচিহ্ন বা লোগো থাকবে। ২০০ গ্রাম ওজনের প্যাকেট পরিমাপে প্রায়ই ১৬০ থেকে ১৭০ গ্রাম পরিমাণ পাওয়া যায়। অনুমোদিত কারখানার সেমাইয়ের ওজন সঠিক থাকে।<br /><strong>বুন্দিয়া, লাড্ডু ও জিলাপি :</strong> কড়া হলুদ বা লাল রঙের বুন্দিয়া এখনো ইফতারি বিক্রির দোকানে দেখা যায়। ব্যাপক অভিযানে ঢাকায় এর প্রকোপ কমলেও শিশুসহ এক শ্রেণীর ক্রেতা রঙিন বুন্দিয়া পছন্দ করে বলে ইফতারি বা লাড্ডু বানাতে এখনো রং ব্যবহৃত হয়। একইভাবে জিলাপিতে লাল ও হলুদ রং ব্যবহার করা হচ্ছে, যা সহজেই চেনা যায়। বেসনের তৈরি বুন্দিয়া বা লাড্ডুর স্বাভাবিক রং হালকা হলদে আর জিলাপি সামান্য লালচে। রঙিন বুন্দিয়া বা লাড্ডু যাতে আমাদের শিশুদের হাতে না যায় সেদিকে অভিভাবককে সচেতন হতে হবে।<br /><strong>দই : </strong>দুধ অতিরিক্ত জ্বালিয়ে ঘন করলে রং লালচে হয়। এ দুধ থেকে তৈরি দই লালচে হবে। এত ঘন দুধের দই ৩০০ টাকার কম হওয়ার কথা নয়। কিন্তু কিছু অসাধু দই ব্যবসায়ী ৫০ টাকা কেজি হিসেবে পাইকারি দরে বিভিন্ন দোকানে দই সরবরাহ করে। অথচ দুধ কিনতে হয় একই দামে। তাহলে কিভাবে এত কম দামে লালচে দই বাজারে সরবরাহ করে? বাড্ডা নতুন বাজারে অভিযানে দই তৈরির রহস্য বেরিয়ে আসে। বাজার থেকে নষ্ট পেঁপে এনে সিদ্ধ করে পচানো হয় এবং এর সঙ্গে নিম্নমানের গুঁড়োদুধ মিশিয়ে তাতে লাল রং যোগ করলে লালচে দই তৈরি হয়ে যায়। কিন্তু এ দই পুডিংয়ের মতো জমাট না বেঁধে একটু থলথলে হয়। স্বাভাবিক দই সাদা বা খুব হালকা হলুদ হবে কিন্তু লালচে রঙের দই দেখলে বুঝতে হবে এতে রং মেশানো হয়েছে।<br /><strong>মাঠা :</strong> পুরনো ঢাকার ঐতিহ্যবাহী ইফতারসামগ্রীর অবিচ্ছেদ্য অংশ মাঠা। ব্যাপক চাহিদার কারণে বেশ কয়েকটি মাঠা বোতলজাতকারী কারখানা গড়ে উঠেছে। অত্যন্ত নোংরা পরিবেশে এগুলো বোতলজাত করা হয়। রাজধানীর জুরাইনে সাত-আটটি কারখানায় অভিযানে দেখা যায়, দুধ, চিনি ও লবণের পাশাপাশি লাল রং ব্যবহার করা হয়। উৎপাদনকারীরা জানায়, রং না দিলে মাঠা চলে না। মাঠার স্বাভাবিক রং সাদা। তাহলে সাধারণ মানুষ রঙিন মাঠা ছাড়া খেতে চায় না কেন?<br /><strong>মসলা :</strong> শ্যামবাজারের মসলাপট্টিতে ৮-৯টি মিলে ছোট কাউন দানা গুঁড়া করে তৈরি হতো হলুদ-মরিচ আর ধনের গুঁড়া। এটি এক ধরনের কাউন দানা, যা মানুষ খায় না, পাখি খায়, মূল্য প্রতি কেজি মাত্র ১০ টাকা। মধ্যরাতে এ ধরনের কাউন ভাঙানো হয়। এ সময় প্যাকেট থেকে অল্প অল্প করে রং ঢালা হয়। হলুদ রং দিলে হলুদের গুঁড়া, লাল রং দিলে মরিচের গুঁড়া হয়ে যায়। আসল হলুদ বা মরিচ সামান্য মিশিয়ে বাজারে ছাড়া হয়। তাই খোলা মসলা কেনা খুবই বিপজ্জনক। দাঁড়িয়ে থেকে মসলা ভাঙানো উচিত অথবা প্যাকেট মসলা কিনলে বিএসটিআই লোগো আছে কি না দেখে কেনা উচিত।</p><p><a href="http://www.dailykalerkantho.com/?view=details&amp;type=gold&amp;data=Mobile&amp;pub_no=618&amp;cat_id=1&amp;menu_id=86&amp;news_type_id=1&amp;index=2" target="_blank">লেখক : র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট</a></p><p><span style="color: Red">কালেরকন্ঠ এর এই টপিক টি ভাল লাগল তাই সবার সাথে শেয়ার করলাম। </span></p>]]></description>
			<author><![CDATA[null@example.com (dr.shamim)]]></author>
			<pubDate>Sat, 20 Aug 2011 13:50:19 +0000</pubDate>
			<guid>http://rmcforum.com/topic1508new-posts.html</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[ফ্রোজেন শোলডার বা জমাট কাঁধে করণীয়: ডা. সাহিদা সুলতানা সিমু]]></title>
			<link>http://rmcforum.com/topic1493new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<p>মাঝবয়সে এসে অনেকের ক্ষেত্রে দেখা যায়, প্রচণ্ড ব্যথায় কাঁধ নাড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। ধীরে ধীরে কাঁধের সব ধরনের নড়াচড়া বন্ধ হয়ে আসছে এবং কাঁধ অসাড় হয়ে মনে হয় জমে গিয়েছে। এই পরিস্থিতিকে বলে ফ্রোজেন শোলডার বা জমাট কাঁধ। ফ্রোজেন শোলডার একটি দীর্ঘমেয়াদি রোগ। </p><p><p class="bbcenter"><img class="sigimage" src="http://i.imgur.com/iYaoa.jpg" alt="http://i.imgur.com/iYaoa.jpg" /></p></p><p>এতে কাঁধের অস্থি-সন্ধির নড়াচড়া ব্যথাজনিত কারণে উত্তরোত্তর ব্যাহত হয়ে কাঁধ অসাড় হয়ে পড়ে। জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানের (নিটোর) সহকারী অধ্যাপক ডা. আব্দুল গনি মোল্লা ফ্রোজেন শোলডার আলোচনা কালে রোগটির লক্ষণ ও উপসর্গসহ নানা দিক তুলে ধরেন। রোগটি বেশ পরিচিত হলেও তিনি বলেন, এই রোগের আসল কারণ এখনও অজানা। তবে ধারণা করা হয়, কাঁধের মাংসপেশির পেশিবন্ধের (মাংসপেশির যে প্রান্তর অংশই হাড়ের সঙ্গে যুক্ত থাকে) প্রদাহ, অপারেশনজনিত কারণে বাহুর পেশিবন্ধের প্রদাহ, প্লাস্টার বা অন্যান্য কারণে কাঁধের মাংসপেশির নড়াচড়া দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা, স্নায়ুর ত্রুটি, বারবার আঘাতে সৃষ্ট ক্ষয় ইত্যাদি কারণে ফ্রোজেন শোলডার হতে পারে। ফ্রোজেন শোলডার সাধারণত পঞ্চাশ থেকে ষাট বছর বয়সী মানুষের ক্ষেত্রে দেখা যায়। মহিলাদের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা পুরুষদের তুলনায় বেশি। শুরুটা হয় ধীরে ধীরে। দীর্ঘদিন কাঁধের ব্যবহার না হওয়ায় অথবা যে কোনো একপাশে হাত একটানা ঝুলিয়ে রাখায়, এক সময় দেখা যায় ওই কাঁধে তীব্র ব্যথা হচ্ছে। ব্যথা অনুভূত হয় কাঁধের অস্থি-সন্ধির সম্মুখ ও পার্শ্বীয় অংশে। এই ব্যথা বিস্তৃত হতে পারে ওই পাশের বাহুর সম্মুখভাগে এবং হাতের সম্মুখ ভাগে। অস্বস্তি অসহনীয় হতে পারে রাতে। ঘুমে ব্যাঘাত ঘটতে পারে। বাহুর অস্থির ওপরিভাগে প্রযুক্ত চাপ তীব্র ব্যথার জন্ম দিতে পারে। আক্রান্ত কাঁধের পরিধি কমতে থাকে। সঙ্গে থাকতে পারে আশপাশের মাংসপেশির সংকোচন। ফলে সময়ের পরিক্রমায় এক সময় কাঁধের সব ধরনের নড়াচড়া বন্ধ হয়ে যায়। নড়াচড়ার অভাবে এক সময় আশপাশের মাংসপেশি শুকিয়ে আক্রান্ত কাঁধের হাড়গুলোকে অপেক্ষাকৃত স্পষ্ট দেখতে পাওয়া যায়। অবশ্য কোনো কোনো ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন পর ব্যথা কমে গিয়ে কাঁধের কিছুটা নড়াচড়ার ক্ষমতা ফিরে আসতে পারে। এ ছাড়া স্নায়ুর ত্রুটিজনিত কারণে অনেক সময় আক্রান্ত পাশের হাতের আঙুল ফুলে যাওয়া, ত্বক চকচকে হয়ে যাওয়া, ত্বকে ছোট ছোট দাগের সৃষ্টি হওয়া, হাত ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়া, বেশি বেশি হাত ঘেমে যাওয়া (অথবা শুষ্কহাত) প্রভৃতি দেখা যায়। ফ্রোজেন শোলডারের চিকিৎসার প্রাথমিক পর্যায়ে কিছু সাধারণ চিকিৎসা, কিছু নির্দেশিত ব্যায়াম প্রয়োজনে বেদনানাশক ওষুধ প্রভৃতি, সঙ্গে একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কিছু উপদেশ মেনে চলা। সাধারণ ব্যবস্থার মধ্যে রয়েছে পূর্ণ বিশ্রাম, গরম সেঁক, হাত ঝুলিয়ে রাখা প্রভৃতি। এই পদ্ধতি অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পালন করা উচিত। ব্যথা অসহনীয় হলে, কিংবা সঙ্গে বাতজনিত ব্যাধি থাকলে, প্রয়োজনে অস্থি-সন্ধিতে ইনজেকশন নেওয়া যেতে পারে। ব্যায়াম করতে হবে চিকিৎসকের দেখিয়ে দেওয়া পদ্ধতিতে। বেশি টানাহেঁচড়া না করাই ভালো, তাতে কাঁধের কোনো প্রত্যঙ্গ বা তার অংশ ছিঁড়ে যেতে পারে। তবে প্রয়োজনে সম্পূর্ণ অজ্ঞান করে ম্যানিপুলেশন করা যায়। আর সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার সর্বশেষ সমাধান হলো অপারেশন, তবে ভয় নেই। ফ্রোজেন শোলডার বেশিরভাগ ক্ষেত্রে চিকিৎসকের নির্দেশিত সাধারণ ব্যবস্থার মাধ্যমেই ভালো হয়ে যায়। অপারেশন যদি প্রয়োজন হয়ও, তথাপি এটি জটিল অপারেশন নয়। </p><p>ডা. সাহিদা সুলতানা সিমু<br />রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল</p>]]></description>
			<author><![CDATA[null@example.com (sawontheboss4)]]></author>
			<pubDate>Thu, 11 Aug 2011 13:58:34 +0000</pubDate>
			<guid>http://rmcforum.com/topic1493new-posts.html</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[মস্তিষ্কের টিউমার দেশেই চিকিৎসা: ডা. মোঃ আবু সাঈদ]]></title>
			<link>http://rmcforum.com/topic1492new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<p>শরীরের যে কোনো টিস্যুর অস্বাভাবিক বৃদ্ধিকে টিউমার বলা হয়। মস্তিষ্কের টিস্যুর অস্বাভাবিক বৃদ্ধিকে ব্রেইন টিউমার বা মস্কিষ্কের টিউমার বলে। এ টিউমারগুলোকে বিনাইন ও মেলিগন্যান্ট দু&#039;ভাগে ভাগ করা যায়। বিনাইন টিউমার অপেক্ষাকৃত ভালো। সঠিক সময় সঠিক চিকিৎসা করালে এটি পুরোপুরি নির্মূল সম্ভব। মেলিগন্যান্ট টিউমার খারাপ প্রকৃতির। এটাকেই বলে ব্রেইন বা মস্তিষ্কের ক্যান্সার।</p><p><p class="bbcenter"><img class="sigimage" src="http://i.imgur.com/7I3d4.jpg" alt="http://i.imgur.com/7I3d4.jpg" /></p></p><p>সব ব্রেইন টিউমার খারাপ প্রকৃতির বা ক্যান্সার না হলেও অবস্থানগত কারণে এর চিকিৎসা দ্রুত ও জরুরি হয়ে পড়ে। অধিকাংশ টিউমারের উৎপত্তি মস্তিষ্কে হলেও বেশ কিছু টিউমার শরীরে অন্যত্র হতে মস্তিষ্কে দানা বাঁধে। যে কোনো বয়সের নারী-পুরুষ এ টিউমারে আক্রান্ত হতে পারেন। এমনকি শিশু মস্তিষ্কের টিউমার নিয়েও জন্ম নিতে পারে। এ ছাড়াও কিছু কিছু টিউমার শিশু ও মেয়েদের হওয়ার প্রবণতা বেশি।<br />লক্ষণ : অস্বাভাবিক মাথাব্যথা, বমি বমি ভাব বা বমি, চোখের দৃষ্টিশক্তি ধীরে ধীরে কমে যাওয়া ও খিঁচুনি মস্তিষ্কে টিউমার হওয়ার লক্ষণ। মাথাব্যথার সঙ্গে যদি দ্রুত চোখের দৃষ্টিশক্তি কমে যেতে থাকে বা বিনা কারণে কেউ যদি খিঁচুনি দিয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়ে তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। মনে রাখবেন যত আগে রোগ নির্ণয় করা যাবে চিকিৎসা করে তার ব্যবস্থা নেওয়া তত সহজ হবে।<br />পরীক্ষা-নিরীক্ষা : মাথাব্যথাসহ চোখের দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়ার কারণে স্বাভাবিকভাবেই সবাই চোখের চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। যদি ঘন ঘন চশমার পাওয়ার বাড়াতে হয় বা মাথাব্যথা না কমে তাহলে নিউরো সার্জনদের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। মস্তিষ্কের ক্যান্সার নির্ণয়ে সিটি স্ক্যান ও এমআরআই বেশ ভূমিকা রাখে। তবে এমআরআই সিটিস্ক্যানের চেয়ে বেশি নির্ভুল ও নিরাপদ। এর ক্ষতিকর দিক খুব কম। বাংলাদেশের অধিকাংশ জেলা শহরে সিটি স্ক্যান ও বড় শহরগুলোতে এমআরআই করা যায়।<br />যা করবেন : ওপরের লক্ষণগুলো কারও মধ্যে দেখা দিলে মস্তিষ্কের ক্যান্সার হয়েছে এমনটি ভাবার কারণ নেই। মাথাব্যথা বা বমি অনেক কারণেই হতে পারে। আতঙ্কিত না হয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন। দেরি করবেন না। যেহেতু কোনো রকমের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই টিউমার নির্ভুলভাবে নির্ণয় করা যায়, তাই অবহেলা না করে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মতো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দুশ্চিন্তামুক্ত হন। যদি টিউমার ধরা পড়ে তাহলে সঠিক চিকিৎসা নিন।<br />দেশেই চিকিৎসা সম্ভব : ব্রেইন টিউমার বা মস্তিষ্কের টিউমারে আক্রান্ত ব্যক্তির খিঁচুনি হলে কুসংস্কারবশত তাকে জিনে ভর করেছে বা খারাপ বাতাস লেগেছে বলে মনে করা হতো। এখনও অনেক স্থানে তাই মনে করা হয়। এরপর আক্রান্ত ব্যক্তির ওপর চলে চিকিৎসার নামে অপচিকিৎসা, নির্যাতন। হয় কালক্ষেপণ। সঠিক রোগ নির্ণয় করতে দেরি হওয়ায় চিকিৎসকের কিছুই করার থাকে না। অনেকই জানেন না যে, আমাদের দেশেও এখন ব্রেইন টিউমারের আধুনিক চিকিৎসা সম্ভব। আক্রান্তরা মনে করেন এত খরচ করে বাইরে চিকিৎসা করাতে আগ্রহী হন না। বরং বিনা চিকিৎসায় ধুঁকে ধুঁকে মরার অপেক্ষায় থাকেন। ঢাকায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতাল ছাড়াও অনেক বেসরকারি হাসপাতালে ব্রেইন টিউমারের চিকিৎসা হচ্ছে। <br />যদিও পার্শ্ববর্তী দেশের তুলনায় আমাদের জনবল ও উন্নত প্রযুক্তির স্বল্পতা আছে, তবুও কম খরচে মানসম্মত চিকিৎসা, অপারেশন পরবর্তী চিকিৎসা সেবা আমাদের দেশেই সম্ভব। </p><p>ডা. মোঃ আবু সাঈদ <br />সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান<br />নিউরো সার্জারি বিভাগ<br />স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতাল</p>]]></description>
			<author><![CDATA[null@example.com (sawontheboss4)]]></author>
			<pubDate>Thu, 11 Aug 2011 13:57:03 +0000</pubDate>
			<guid>http://rmcforum.com/topic1492new-posts.html</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[বুকের দুধ: আছে মা ও শিশুর উপকার]]></title>
			<link>http://rmcforum.com/topic1488new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<p>বুকের দুধ: আছে মা ও শিশুর উপকার<br />বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম</p><p><p class="bbcenter"><img class="sigimage" src="http://i.imgur.com/NV9RI.jpg" alt="http://i.imgur.com/NV9RI.jpg" /></p></p><p>৭ আগস্ট থেকে শুরু হয়েছে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ ২০১১। এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় হলো, ‘শিশু খাবে মায়ের দুধ আর ঘরের তৈরি খাবার, এই কথাটি বলতে হবে সবসময় বারবার’। বিশ্বব্যাপি শিশুদের মায়ের দুধ খাওয়ানোর উপর গুরুত্ব আরোপ করে প্রতিবছর এ দিবস পালন করা হয়। </p><p>মায়ের দুধ শিশুর জীবনধারণ ও বৃদ্ধির জন্য সুষম খাদ্য।&nbsp; জন্মের পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব শিশুকে মায়ের দুধ খাওয়াতে হবে। শিশু জম্মের ৬ মাস বা ১৮০ দিন পর্যন্ত শিশুকে শুধুমাত্র মায়ের দুধ খাওয়াতে হবে। এসময় পানি বা অন্য কোন পানীয় খাওয়ানোর দরকার নেই। কেননা, মায়ের দুধেই আছে শতকরা ৯৫ ভাগ পানি। অন্যান্য পুষ্টিগুন তো আছেই। ৬ মাসের পার থেকে পরিপূরক খাবারের পাশাপাশি ২ বছর পর্যন্ত শিশুকে মায়ের দুধ খাওয়াতে হবে। শিশুকে দিনে রাতে ৮-১২ বার বুকের দুধ খাওয়ানো যেতে পারে।</p><p><strong>শাল দুধ: </strong></p><p>প্রসবের পরে মায়ের বুকে প্রথম যে দুধ আসে তা শালদুধ। এ দুধ ঘন, আঁঠালো এবং একটু হলুদ রংয়ের। প্রসবের পরে প্রথম ২-৩ দিন যতটুকু শালদুধ আসে তাই নবজাতকের জন্য যথেষ্ট। অনেকে শিশু জম্মের পরপরই মধুু, চিনি বা পানি দিয়ে থাকে। অথচ, এসময় শিশুকে পানি, মধু বা চিনির পানি দেওয়া শিশুর জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। তাই জম্মের পরপর শালদুধ ছাড়া আর কিছু দেওয়া যাবেনা। এসব দিলে পাতলা পায়খানা হবার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। অন্যদিকে শিশুর বুকের দুধ খাবার আগ্রহ কমে যায়।</p><p> শিশুকে শাল দুধ খাওয়ানোর উপকারিতা:</p><p>১. শালদুধ শিশুর জীবনের প্রথম টিকা হিসাবে কাজ করে ।</p><p>২. শালদুধ আমিষ সমৃদ্ধ এবং এতে প্রচুর ভিটামিন-এ আছে।</p><p>৩. এতে আছে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ।</p><p>৪. শালদুধ শিশুর পেট পরিষ্কার করে এবং নিয়মিত পায়খানা হতে সাহায্য করে।&nbsp; </p><p>৫. শিশুর জন্ডিস হবার সম্ভাবনা কমে যায় ।</p><p>বুকের দুধ: আছে মা ও শিশুর উপকার</p><p>বুকের দুধ খেলে শুধুমাত্র যে শিশুর উপকার আছে তা নয়। এতে আছে মায়ের উপকারও। </p><p>ক. শিশুর উপকার&nbsp; </p><p>১. মায়ের দুধে শিশুর প্রয়োজনীয় সব ধরণের পুষ্টি উপাদান থাকে সঠিক মাত্রায়। আর তাই, ৬ মাস বয়স পর্যন্ত শুধুমাত্র বুকের দুধই শিশুর জন্য যথেষ্ট । মায়ের দুধে পুষ্টি উপাদান ছাড়াও আছে শতকরা ৯০ ভাগ পানি। সেইজন্য শিশুকে ৬ মাস বয়স পর্যন্ত আলাদা পানি দেবার প্রয়োজন নেই।</p><p>২. বুকের দুধ পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত। বায়ু বা পানি বাহিত জীবানু দ্বারা সংক্রমিত হবার সুযোগ নেই। মায়ের দুধে আছে শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা জন্মার উপাদান। ফলে শিশুর অসুখ বিসুখ বিশেষ করে ডায়রিয়া, কান পাকা রোগ, নিউমোনিয়া, শ্বাসনালীর রোগ, হাঁপানী, এলার্জি,&nbsp; চুলকানি ইত্যাদি সংক্রমণের আশংকা কমে যায়।</p><p>৩. শিশুর স্বাভাবিক শারীরিক ও মানসিক বিকাশে মায়ের দুধ উপকারী। গবেষণায় দেখা গেছে,&nbsp; যে সব শিশু কৌটার দুধ খায় তাদের তুলনায় মায়ের দুধ যারা খায় তাদের বুদ্ধির বিকাশ বেশি হয়।</p><p>৪. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি থাকার ফলে অসুস্থ হলেও শিশু তাড়াতাড়ি ভাল হয়ে যায়।</p><p>৫. মায়ের দুধ শিশু মৃত্যুর হার কমিয়ে দেয়।</p><p>৬. মায়ের দুধ সহজে হজম হয় । প্রাথমিক অবস্থায় শিশুর দেহ জটিল খাবার হজম করতে পারেনা। কিন্তু মায়ের বুকের দুধের উপাদান সহজে হজম হয়।</p><p>৭. মায়ের দুধে পূর্ণমাত্রায় ভিটামিন ‘এ’ থাকে বলে শিশুর রাতকানা হবার সম্ভাবনা থাকে না।</p><p>৮. পরবর্তীতে শিশুর ক্যান্সার, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ইত্যাদি ভয়াবহ রোগ হাবর সম্ভবনা কমে যায়।</p><br /><p> খ.মায়ের উপকার&nbsp; </p><p>১. জম্মের পরপরই শিশুকে বুকের দুধ দিলে মায়ের প্রসবজনিত রক্তপাত বন্ধ হয়। পরবর্তীতে রক্তস্বল্পতা হয়না। গর্ভজনিত স্ফীত জরায়ু দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে।</p><p>২. শিশুকে নিয়মিত বুকের দুধ খাওয়ালে মায়ের স্বাস্থ্য ভাল থাকে।</p><p>৩. যে সব মা শিশুদের বুকের দুধ খাওয়ান তাদের স্তন, জরায়ু এবং ডিম্বকোষের ক্যান্সার হবার সম্ভাবনা কম থাকে।</p><p>৪. ৫ মাস বয়স পর্যন্ত বুকের দুধ খাওয়ালে স্বাভাবিকভাবে জন্মনিয়ন্ত্রনে সাহায্য করে এবং ২ বৎসর বয়স পর্যন্ত বুকের দুধ খাওয়ালে ঘন ঘন গর্ভবতী হবার সম্ভাবনা কমে যায়।</p><p>৫. বুকের দুধ খাওয়ালে মায়ের আত্মবিশ্বাস বাড়ে। শিশুর সাথে মায়ের আত্মিক বন্ধন দৃঢ় হয়।</p><p>৬. মায়ের দুধ নিরাপদ, ঝামেলামুক্ত এবং মায়ের বাড়তি খাটুনি ও সময় বাঁচায় এবং অর্থের সাশ্রয় হয়।</p><p>ডা. মহিউদ্দিন মাসুম</p>]]></description>
			<author><![CDATA[null@example.com (sawontheboss4)]]></author>
			<pubDate>Thu, 11 Aug 2011 13:21:55 +0000</pubDate>
			<guid>http://rmcforum.com/topic1488new-posts.html</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[চিপ কার্ডে এইডস নির্ণয়!]]></title>
			<link>http://rmcforum.com/topic1486new-posts.html</link>
			<description><![CDATA[<p>ছোট ক্রেডিট কার্ড আকৃতির একটি চিপ ব্যবহার করে ক্ষণিকের মধ্যেই জানা যাবে ভয়াবহ ব্যাধি এইডসের খবর। ১৫ মিনিটেরও কম সময়ে &#039;এমচিপ&#039; নামের এ ডিভাইসটি এইচআইভি সংক্রমণের শতভাগ নিখুঁত ফলাফল দিতে পারে। </p><p><p class="bbcenter"><img class="sigimage" src="http://i.imgur.com/DEXz7.jpg" alt="http://i.imgur.com/DEXz7.jpg" /></p></p><p>&#039;এমচিপ&#039; নামের এ ডিভাইসটি উন্নয়নশীল দেশগুলোতে ইতোমধ্যে ব্যবহার শুরু হয়েছে। এ চিপ ব্যবহারে শতভাগ সাফল্য এসেছে আফ্রিকার দেশ রুয়ান্ডায়। এটি উদ্ভাবন করেছিলেন ইউনিভার্সিটি অব কলাম্বিয়ার গবেষকরা। প্লাস্টিকের তৈরি ডিভাইসটির দাম মাত্রই ১ ডলার। ডিভাইসটিতে কেবল এক ফোঁটা রক্ত পড়লে এমচিপে থাকা অপটিক সেটাকে বিশ্লেষণ করে ফলাফল জানিয়ে দিতে পারে। এ চিপটিতে রয়েছে ১০টি শনাক্তকরণ এলাকা। রক্ত যখন এসব এলাকায় প্রবেশ করে তখন এইচআইভি বা সিফিলিস রোগ আক্রান্ত হলে এটির রং বদলে যাবে। এক্ষেত্রে ফলাফল পাওয়া যাবে মাত্র ১৫ মিনিটে। চিপটির ফলাফল জানতে কেবল রংগুলোর পরিবর্তন খেয়াল করলেই চলবে। এই পদ্ধতি অনেকটাই গর্ভধারণ নির্ণয় করার মতো। এতেও যদি ফলাফল বুঝতে সমস্যা হয় তবে বিকল্প হিসেবে গবেষকরা আরও একটি &#039;ল্যাব&#039; নামের শনাক্তকারী যন্ত্র তৈরি করেছেন। এটিই ফলাফল জানিয়ে দেবে। </p><p>সূত্র : বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম</p>]]></description>
			<author><![CDATA[null@example.com (sawontheboss4)]]></author>
			<pubDate>Thu, 11 Aug 2011 12:28:29 +0000</pubDate>
			<guid>http://rmcforum.com/topic1486new-posts.html</guid>
		</item>
	</channel>
</rss>
