Topic: ছুলি রোগের প্রতিকার

বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ‘ছুলি’, ‘ছইদ’ বা ‘কদম’ ইত্যাদি নানা নামে পরিচিত চর্মরোগটিকে চিকিৎসা পরিভাষায় বলা হয় টিনিয়া ভারসিকলর (Tinea Versicolor). এটি মেলাফথজিয়া ফারফার নামক এক প্রকার ছত্রাকের সংক্রমণ। এ রোগে ঘাড়ে, বুকে, পিঠে ও শরীরের অন্যান্য অংশে সাদা বা বাদামি গাঢ় বা হালকা ছোট ছোট দাগের মতো হয়। এসব দাগ নানা আকৃতির হয়। কিনারা সুস্পষ্ট থাকে। ত্বকের বর্ণ পরিবর্তন ছাড়া এ রোগের সাধারণত অন্য কোনও উপসর্গ থাকে না।
স্যাঁতসেঁতে ও গরম আবহাওয়ায় এ ছাত্রাকের আক্রমণ বেশি হয়। শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলে কিংবা স্টেরয়েড ট্যাবলেট অধিক সেবনেও ছুলি হতে পারে। এক সঙ্গে অনেকে যেখানে একত্রে থাকে এবং একের জিনিসপত্র অনেকে ব্যবহার করে, সেখানে এই ছত্রাকের সংক্রমণ অনেকের মধ্যে দেখা যায়। যেমন সৈনিকদের ব্যারাকে, ডরমিটরি, হোস্টেল ইত্যাদিতে। এক পরিবারের একজনের ছুলি হলে অন্য সদস্যরাও আক্রান্ত হতে পারে।
রোগাক্রান্ত অংশ দেখেই রোগ নির্ণয় করা যায়। তবে প্রয়োজনে সাদা মরা চামড়া পরীক্ষা করলেও ছত্রাক ধরা পড়ে। ছুলির চিকিৎসা বেশিদিন ধরে করতে হয়। ছুলিতে লাগানোর জন্য নানা প্রকার ওষুধ দেয়া হয়।

ওষুধ :
1। Nizoral Shampoo - এটি দিয়ে গোসলের আগে ফেনা করে 10 মিনিট আক্রান্ত স্থান টি রাখুন, (Danসিel নামে বাজারের শ্যাম্পূ টি তেও কাজ হবে) (2% ketoconazol)
2। Fungin B - cream  আক্রান্ত স্থান টি তে 2 বার ক্রীম টি লাগান
3। Fluvin OD - ট্যাবলেট (দিনে 1টা করে 10 দিন খান - 10 টা)
 
কিছু স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন
স্যাঁতসেঁতে আর্দ্র আবহাওয়ায় পরিচ্ছন্ন থাকুন।
শরীরের যেসব স্থানে ঘাম বেশি হয় সেসব স্থান বারবার ধুয়ে পরিষ্কার ও শুকনো রাখুন।
অন্যের ব্যবহৃত জিনিস ব্যবহার করবেন না। যেমন- তোয়ালে, রুমাল ইত্যাদি।
একই ক্ষুরে মাথা বা দাঁড়ি কামাবেন না।

তৌফিক হাসান
রাজসাহী মেডিকেল কলেজ



Re: ছুলি রোগের প্রতিকার

আমার মুখে হালকা একটু ছুলি দেখা যাচ্ছিল কিন্তু এখন নাই। এটা কি পরবর্তীতে আবার হতে পারে?



Re: ছুলি রোগের প্রতিকার

সাধারণত ঘামে, গরমকালে এটি বেশি হয়, একবার হলে বারবার হতে পারে।