অচেনাকেউ wrote:
পলাশ মাহমুদ wrote:

বি:দ্র: আমি এই সাবজেটে খুবই আনারি। কোন প্রকার শিক্ষক-শিক্ষিকা ছাড়াই নিজে নিজে শিখেছি বই পরে, নেট ঘেটে। তাই ভুল হতেই পারে। ভুল হলে ধরিয়ে দেবার দায়িত্ব আপনাদের।

তাও তো আপনে পারেন ~ আমি এর কিসসু জানি না, অশিক্ষিত, গো-মূর্খ
যাকে বলে চোখ থাকতে অন্ধ !
চেষ্টা করতাছি/শিখবার/জানবার।
আপনেরে ধইন্যা, ২য় পাঠ কবে দিবেন !!

আপনি কষ্ট করে এই বয়সে শিখে আর কি করবেন আংকেল। আপনার কি লাগবে খালি আওয়াজ দিবেন, আমরা আছি না =D

মৌলিক ধারণা:

Html দ্বারা খুব সুন্দর ভাবে টেবিল তৈরি করে ব্যবহার করা যায়। আপনি এমন কোন ওয়েব সাইট পাবেন না যাতে টেবিলের ব্যবহার না করা হয়। তাই ওয়েব সাইটে টেবিলের গুরুপ্ত ব্যাপক। এই টেবিল বানানোর জন্য আপনাকে হাতুড়ি, বাটাল, কাঠ, পেরেকের দরকার নেই। দরকার হবে কিছু মৌলিক ধারনার। আসুন আগে আমরা টেবিল তৈরি করতে কি কি বিষয় জানা দরকার তার দিকে নজর দেই:

একটি টেবিল তৈরি করতে হলে একটি কলাম এবং একটি রো এর প্রয়োজন হয়ে থাকে। কলাম এবং রো সম্পর্কে ধারনা নেবার জন্য আপনি অফিস প্রোগ্রাম এক্সেল থেকে ঘুরে আসতে পারেন। এক্সেল প্রোগ্রামে A, B, C, D,…… এগুলো হচ্ছে কলাম এবং 1, 2, 3, ,4 ……ইত্যাদির সিরিয়ালকে বলে রো। একটি কলাম এবং একটি রো সমন্বয়ে যে সকল ঘরকাটা ঘরকাটা দেখছেন তার প্রতিটি হচ্ছে একেকটি টেবিল।

Html এর সাহায্যে টেবিল তৈরি করতে হলে আমাদের ব্যবহার করতে হবে table ট্যাগটি। table ট্যাগের সমাপনী ট্যাগ হচ্ছে /table।

<head>
<title>Table</title>
</head>
<body>
<table>
</table>
</body>
</html>

এখানে টেবিল তৈরি করবার পরিবেশ table ট্যাগ দ্বারা তৈরি করা হয়েছে মাত্র। এটা ওয়েব পেজে টেবিল শো করবে না কারন এখনো পর্যন্ত আমরা কোন রো এবং কলাম সেট করি নি। টেবিলের মাঝে রো সেট করবার জন্য আমাদের ব্যবহার করতে হয় tr ট্যাগটি। এই ট্যাগটির মাধ্যমে আমরা টেবিলের মাঝে রো বা সারির পরিবেশ সৃষ্টি করে থাকি। tr ট্যাগ ব্যবহার করে Html কোডিং হবে এ রকম:

<head>
<title>Table</title>
</head>
<body>
<table>
<tr>
</tr>
</table>
</body>
</html>

এখানে আমরা টেবিল এর পরিবেশ এবং রো বা কলামের পরিবেশ তৈরি করলেও এটা কিন্তু ওয়েব পেজে এখনো শো করবে না কারন যতোক্ষন আপনি রো এর মাঝে কোন টেক্স অথবা কোন ছবি, ভিডিও না দেন। রো এর ভিতর আপনাকে কোন প্রকার টেক্স, ছবি, ভিডিও দেবার জন্য আপনাকে ব্যবহার করতে হবে td এই ট্যাগটি। তাহলে আসুন দেখি td ট্যাগটি ব্যবহার করে Html এর কোডিং কি রকম হতে পারে:

<head>
<title>Table</title>
</head>

<body>
<table>
<tr>
<td>
</td>
</tr>
</table>
</body>
</html>

এখানে টেবিলের রো-কে ফরমেট করেছে td ট্যাগটি। ফলে টেবিলের ডাটা প্রকাশ করবার সকল ধরনের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। এই অবস্থায় আপনি ব্রাউজ করলে এখনো কোন প্রকার টেবিল দেখতে পাবেন না। এবার দুটি শর্ত সাপেক্ষে আপনি টেবিলকে জাতির সামনে দৃশ্যমান করতে পারেন। শর্ত দুটো হলো-
. টেবিলের বর্ডার সংযুক্ত করা।
. টেবিলের ভিতরে কোন কিছু রাখা (টেক্স, ছবি, ভিডিও ইত্যাদি)

তাহলে চলুন আমরা টেবিল দৃশ্যমান করবার জন্য দুটি শর্ত পূরন করি। তাহলে আমাদের প্রথম যা করতে হবে তা হলো td ট্যাগিটির ভিতর কোন টেক্স, ছবি, অথবা ভিডিও রাখতে হবে এবং টেবিলের বর্ডার দিতে হবে। প্রথম আসুন ট্যাগটির ভিতর কিছু টেক্স রেখে এর Html কোড কি রকম হবে তা দেখি:

<head>
<title>Table</title>
</head>

<body>
<table>
    <tr>
        <td>Polash Mahmud</td>
    </tr>
</table>
</body>
</html>

উদাহরন: ডেমো দেখতে ক্লিক করুন

দেখুন এখানে  polash mahmud লেখাটি দৃশ্যমান হয়েছে ঠিকই কিন্তু টেবিলের কোন বর্ডার না থাকায় তা দেখা যাচ্ছে না। তাহলে আসুন এবার টেবিলের বর্ডার যুক্ত করি এবং নিচে এর Html কোডটি লক্ষ্য করুন:

<head>
<title>Table</title>
</head>

<body>
<table border="1">
    <tr>
        <td>Polash Mahmud</td>
    </tr>
</table>
</body>
</html>

উদাহরন: ডেমো দেখতে ক্লিক করুন

এখানে বর্ডার এ্যাট্রিবিউট এর মান হিসাবে ১ ব্যবহার করা হয়েছে। এখানে ১ হলো পিক্সেল সংখ্যা। অথ্যাৎ আমাদের তৈরি কৃত টেবিলের বর্ডার এর দাগটি ১ পিক্সেল চওড়া হবে। আমরা যদি বর্ডার এর কোন দাগ না রাখতে চাইতাম তাহলে বর্ডার লিখতে হতো “০”(শূন্য)।

আরেকটি ছোট কোডিং:

<table border="1">
<tr>
<td>Table cell 1</td><td>Table cell 2</td>
</tr>
</table>

উদাহরন: ডেমো দেখতে এলোমেলোতে ঢু মারুন।

আজকে শুধু মাত্র টেবিল তৈরি করবার মৌলিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হলো। পরবর্তিতে টেবিলের উচ্চতা, দৈর্ঘ্য ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করবো বলে আশা রাখছি।

বি:দ্র: আমি এই সাবজেটে খুবই আনারি। কোন প্রকার শিক্ষক-শিক্ষিকা ছাড়াই নিজে নিজে শিখেছি বই পরে, নেট ঘেটে। তাই ভুল হতেই পারে। ভুল হলে ধরিয়ে দেবার দায়িত্ব আপনাদের।

৫৩

(৭ replies, posted in কবিতা, গল্পসল্প, উপন্যাস)

রিগ্যান wrote:

বস কিছু বানান ভুল আছে ঠিক করে দিন।
কবিতায় আবেগ  প্রকাশরীতি ভাল লাগল

ভাই এটা আমার জন্মগত বংশগত ত্রুটি straight face বানান ভুল ধরলে লেখাই বন্ধ করে দিতে হবে। বানান ভুল আমার ঘাড়ের ভূত হিসাবে বসে আছে। কতো যে বকা খাচ্ছি এ জন্য। কিন্তু কিছুতেই কিছু হচ্ছে না। ডাক্তারদের কাছে অনুরোধ এর কি কোন ঔষধ আছে sad

৫৪

(৫ replies, posted in কবিতা, গল্পসল্প, উপন্যাস)

চমৎকার লেখা :thumbsup:  :thumbsup:

৫৫

(৭ replies, posted in কবিতা, গল্পসল্প, উপন্যাস)

দেখিয়াছিলাম তারে আমি, পথেরী ধারে
এলোমেলো চুল নিযে তাকিয়ে ছিলো দূর ঐ নদীর তীরে,
উচ্ছৃঙ্খল ছিলো তার শাড়ির আচলে
খসিয়া পড়িয়া ছিলো তার, বুকেরই পরে।
উচ্ছৃঙ্খল-বিশৃঙ্খল, এলোমেলো সাজে
সজ্জিত কোন এ মেয়ে?
প্রশ্ন জেগেছিলো আমারি মনে-
কিছুক্ষনের জন্য দাঁড়িয়ে পড়েছিলাম,
হারিয়ে ফেলেছিলাম পথ চলার পিপাসা,
আমার এ পায়ে-
সামনে গিয়া জিজ্ঞাসা করিলাম-
“তুমি কোন গায়ের মেয়ে”?

ফিরিয়া তাকাইলো সে, ডাগড় কালো চোখ দু’টো তুলিয়া বলিলো-
আমিতো রয়েছি তোমার জন্যই দাঁড়ায়ে,
পথের পাড়ে, নদীর তীরে-
এই শস্য-শ্যামলা মানুষের ভীড়ে।
তুমি কি সকলই ভুলে গেছ?
গিয়েছ কি আমায় ভুলে?
বলিল মেয়েটি-ডাগড় কালো চোখ দু’টো তুলে।

চিনিলাম তারে আমি, বলিলাম-
আমিওতো আজও রয়েছি তোমার জন্য পথেরই পাড়ে
এই নদীর তীরে,
শস্য-শ্যামলা পৃথিবীর মানুষের ভীড়ে।

হাসিয়া উঠিলো সে-
যেন মুক্ত ঝরিয়া পড়িলো পথেরই শেষে,
খসিয়া পড়িলো শাড়ির আচল দমকা হাওয়ায়,
উড়িতে লাগিল বাতাসে কারুকার্যময় এলো চুল,
মনে হতে লাগলো এ-তো হুরপরী
আমি চিনতে নিশ্চয় করিনি ভুল।

মেয়েটি বলিল-
তাহলে কেন তুমি খুঁজোনি আমায়
পথের পাড়ে, এই নদীর তীরে,
এই পৃথিবীর মানুষের ভীড়ে?

বলিলাম তারে আমি-
খুঁজিয়াছিলাম তোমারে আমি…….
কিন্তু তোমায় তখন পাইনি,
আজ যখন তোমারে পেয়েছি এই নদীর তীরে,
চলে এসো আমার কাছে, আমার হাতে হাতটি রাখ
চলো আমরা চলে যাই,
এই মানুষের ভীড় ছেড়ে,
শস্য-শ্যামলা কোন অজানা নদীর তীরে।

আবারো হাসিয়া উঠিলো মেয়ে-
খসিয়া পড়িল শাড়ির আঁচল বুক থেকে তার-
বলিল-
যেতে যে পারবোনা তোমার সাথে এখন আর!

বিস্মিত হইয়া বলিলাম-
কেন?
ভালোবাসনা তুমি কি আমায় এখন ও?

বলিল সে-
শিশিরের বুকে আমি থাকতে চাই,
দেখতে চাই রঙ্গিন স্বপন!
বাসতে চাই সবাইকেই ভালো,
শুধু এক জনাকে নয়!
জাননা, নারী ভালো ভাসতে পায় ভয়!

ভাঙ্গিল স্বপন, কাটিল ঘোর,
শোয়া থেকে উঠে বসলাম,
মনে মনে ভাবিলাম-
কি যেন বলা হয়নি তাকে,
কি যেন বলতে চাচ্ছিল সে আমাকে,
কি যেন রয়ে গেছে বাকি,
বুঝিলাম, ভালোবাসা সেতো স্বপ্ন আর বাস্তব
দু’ এর মাঝেই ফাকি!!!

হইচই পড়ছি বই
লাটিম কই
খাবো দই।
ঠুস-ঠাস
ফাটা বাশ
হাতে লাঠি
পায়ে চটি।
কারেন্ট নাই
এখন যাই
কই যামু জানি না
আইন-কানুন মানি না।
ছিরছি চুল
হচ্ছে ভুল
খাব পান
ধরছি কান
লিখবো ছড়া
ঢাকাতে খড়া
নাই পানি
কানাকানি।
বৃষ্টি পড়ে
তাতে কি
পান্তা ভাতে
মাখছি ঘি।
কলম আছে
কালি নাই
সিমেন্ট আছে
বালি নাই।
বসে আছি
ধরে কান
রাসেলের কেন
হালকা মান
ধিরিম ধারিম
বাজে ঢোল
খালি প্যাকেল
শুধুই খোল।
ধুরতরি ছাই
হচ্ছেনা ভাই
লিখবো কবিতা
লিখছি কি
ইস ভাই নাকে
ঢালে ঘি।
হইচই চটি কই
দেব কিল
যাবো ঝিল
খাবো আম
করবো কাম
কি করবো জানি না
আইন-কানুন মানি না।
ত্রিং ত্রিং বাজে ফোন
সুলতানা নানী
আমার বোন
আকাশ কেন চমকায়
বাবা কেন ধমকায়
পকেট খালি
রাস্তায় বালি
পাশের মেয়ে
দিচ্ছে গালি।
আমি নই অচেনা
হৃদয় কি যায় কেনা
হয়ে গিয়েছি খুব দেনা
সালেহ ভাই
কেন শালা
পাশের বাড়ির মেয়ে
লাগে খালা
শিং শিং মহসিন
যেটা চয়েজ সেটা কিন
সাপ ধরতে বাজাও বিন
ইস বিষ
মারছে কিস
মাথা সরাচ্ছি
হচ্ছে মিস।
জ্বলছে আগুন
উঠছে ঝড়
দুখী ভাই
ধরেন ঘর।
ঘটাং ঘটাং
বাজে ঘটি
পরছি চটি
তুলবো খুটি
নীলের মাথায়
মারবো বাড়ি
ওর ডালিং দিছে
আমায় ঝারি।
ত্রিং ত্রিং
বাজে বেল
পলাশকে মারে
সবাই তেল
টিপ টিপ
করে বাতি
বৃষ্টি পরছে
ধরছি ছাতা
কই ধরছি জানি না
আইন কানুন মানি না।

বি:দ্র: লেখাটি গিফট করিলাম এডু(পরিচালক) ভাইকে! তার অনুপ্রেরণায়ই এখানে ছাপা।

অচেনাকেউ wrote:

: আরে ধুর.......আমি সাব্বির হতে যাবো কেন? সাব্বির তো আমাদের বাড়ির কাজের ছেলে। রান্না ঘরে এখন ঘুমাচ্ছে। ওকে ডেকে দেব।

জটিল  :cloud9:
চরম শায়েস্তা ! :whistling:
এর পরেও কি সাই মেয়েরা সাব্বিরের খোঁজ করেছিল ?

এর পর কখনো আর কথা হয় নাই। এখনো মাঝে মাঝে স্বৃতির পাতা থেকে কন্ঠটা কানের মাঝে বেজে উঠে- “যাক বাবা কথা বললা তা হলে। কেমন আছো?”

sawontheboss4 wrote:

দারুন দিয়েছেন! সাব্বির রে লাস্টে কাজের ছেলে!!  :crackup:    :crackup:    :crackup:   তবে আমাদের ফোরামেও কিন্তু একজন সাব্বির ভাই আছেন! সত্যি যদি তারা সাব্বির ভাই রে ফোন লাগাইত !  :crackup:    :crackup:

উনিই কি সেই সাব্বির? :optimist:  :optimist: জাতির বিবেকের কাছে প্রশ্ন :optimist:

বি:দ্র: সাব্বির ভাই মাইন্ড খাইয়েন না। :thumbsup:

পট-পট-পট ধুম! বিকট শব্দে বোমা ফাটার শব্দ হলো। কিছু বুঝবার আগেই মেশিন গানের গুলি ঠুস-ঠাস শব্দে বাহির হতে থাকলো তার সাথে সাথে যুক্ত হলো কামানের শব্দ।

আমি ধরমরিয়ে শোয়া থেকে বসলাম। এ আমি কোথায়? চারিদিকে গোলাগুলির শব্দ কেন? চারিদিক ঘুটঘুটে অন্ধকার। আমি অবাক হয়ে চারপাশে তাকাতে থাকলাম।

কিছুক্ষনের মাঝেই বুঝুলাম আমার মোবাইল বাঝছে। বালিশের পাশে হাত দিয়ে ঘড়িটা নিলাম। মোবাইলের আলোতেই টাইম দেখলাম। রাত পোনে-তিনটা। এতো রাতে কে কল দিয়েছে? প্রচন্ড বিরক্তির ভাব চলে আসলো। একি নিশাচর নাকি? রাত-বিরাতে পরের ঘুম নষ্ট করে।

একবার কল বেজে কেটে যাবার পাঁচ মিনিট পর আবারো গোলা-গুলি শুরু হয়ে গেল। হায়রে.........মোবাইল কোম্পানী! কী জন্য যে রাত বারটার পর ফ্রি দিলো? দুনিয়াতে মোবাইল ও থাকা উচিত না, ফ্রি থাকাও উচিত না। প্রচন্ড বিরক্ত হয়ে ফোন ধরলাম-

: “আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হোক” হ্যালো!
: মানে? কি বললেন বুঝলাম না?

ফোনটা করেছে একটা মেয়ে। আশে পাশে আরো মেয়েদের চাপা কন্ঠস্বর শোনা যাচ্ছে। এ ধরনের মেয়েদের আমার খুব ভালো ভাবেই চিনা আছে। হয়তো কোন কলেজ অথবা কোন ইউনিভার্সিটিতে পড়ে। হোস্টেলে থাকে। মানুষকে মদন বানানোর জন্য আননোন নম্বরে কল দিয়ে মধুর কন্ঠে কথা বলে। এরা জীবনে যেমন হুট করে আসে তেমনি হুট করেই চলে যায়।

: বাংলা ভাষায় সালাম দিলাম। আপনি কি লেখাপড়ায় কাচাঁ নাকি? সালামের বাংলা অর্থটুকুও জানেন না?
: কেমন আছো সিব্বির?

এই শুরু হয়ে গেল। কন্ঠ মাশাল্লাহ সুন্দর। যে কোন ছেলেই পাগল করবার মতো কন্ঠ। প্রথম কথায় আপনি, দ্বিতীয় কথায় তুমি। আল্লাহ-ই জানে তার পরের কথায় কি বলবে? এদের হাত থেকে সর্বদা দের হাজার মাইল দূরে থাকা উচিত!

: কি ব্যাপার! কি হলো তোমার? কথা বলছো না কেন সিব্বির?
: আমি আমার ফ্যামিলির বায়োডাটা সার্চ দিতাছি!
: মানে?
: মানে আর কি? আমিতো সিব্বির না। আমার চৌদ্দপুরুষের মাঝে কেউ সিব্বির নামে আছে কিনা তাই দেখতাছি।
: তাহলে তুমি খোকন! তাই না?
: না!
: এবার চিনেছি তুমি সাব্বির! সাব্বির না হযে পারোই না।
: এবারও হলো না।
: তাহলে তুমি কে?
: আমি কে তা বলবার আগে খালাম্মা একটা ছোট্র প্রশ্ন করি।

খালাম্মা বলাতে মনে হয মেয়ে মাইন্ড খাইছে। করুন কন্ঠে বললো- “ করেন”। যাক তুমি থেকে এক ধাপ খালাম্মার গুনে উপরে উঠা গেল।

: প্রশ্নটা করলে মাইন্ড করবেন না তো?
: না।
: কসম করি কন- মাইন্ড করবেন না তো?
: বললাম তো করবো না।
: আপনার সিব্বির, সাব্বির, খোকন কার সাথে এফেয়ার। নাকি এক ফ্যামিলির তিনজনের সাথেই। মাশাল্লাহ আপনিই পারবেন।

মেয়েটি কোন কথা বললো না কিন্তু চারপাশের মেয়েদের চাপা হাসির শব্দ শোনতে পেলাম। কিছুক্ষন পর লাইন কেটে দিলো। আমি আবারো ঘুমের রাজ্যে হারিয়ে গেলাম।

পরের রাতে আবারো কল দিলো। যাক রাত ১২টা বাজার সাথে সাথেই দিয়েছে। এই টাইমে আমি ঘুমানোর জন্য প্রস্তুতি নেই।

: হ্যালো!
: কেমন আছো?

আমি নিরব হয়ে গেলাম। এটা কালকের মেয়ে না। এর কন্ঠ আরো সুন্দর। এই সুন্দর কন্ঠের সাথে যে একটা বান্ধর লুকায়িত আছে তা বুঝতে পারছি। কাল আমাকে জব্দ করতে গিয়ে নিজেরাই জব্দ হয়েছিলো, তাই মনে হয় নামি দামি কোন বিটলানী(বিটলার স্ত্রী লিংগ) কে হায়ার করে নিযে এসেছে। মনে মনে নিজেকেই বললাম- “পলাশ এবার তোর খবরই আছে”।

: কি ব্যাপার কথা বলছো না কেন তুমি? আমার উপর রাগ করেছো? রাগ করোনা লক্ষিটি? প্লিজ কথা বলো!

আমি চুপ করেই থাকলাম। খালাম্মা বলবো কিনা ভাবতাছি কিন্তু বলতে পারছি না। কথার মাঝে আশ্চার্য্য রকমের একটা আকর্ষন আছে। শুনলে শুধু শুনতেই মন চায়।

: আসসালামলাইকুম!
: যাক বাবা কথা বললা তা হলে। কেমন আছো?
: ভালো!
: খাওয়া দাওয়া করেছ?
: জ্বি।
: আমার উপর রাগ করেছিলে তাই না?

এ রকম প্রশ্নের উত্তর কি দেব বুঝতে পারছি না তাই নিরবতা পালন করলাম।

: কি হলো তোমার? কথা বলছো না কেন?
: আমার মনে হয় আপনি ভুল করছেন? ঠিক নম্বরে কল দেন-নি।
: কি বলছো তুমি? তুমি এখনো আমার উপর রাগ করে আছো তাই না। তুমি সাব্বির না?

এই মেয়ে কথার মারপ্যাচ ভালোই পারে। একে না বললে জাোর করে হলেও আমাকে সাব্বির বানিয়ে ছাড়বে। এর কন্ঠের মাঝ সেই ক্ষমতা আছে। তাই আমি অস্বিকার করলাম না। আনন্দে চিৎকার দিয়ে বললাম-

: ও হ্যা, সাব্বির! এবার চিনেছি। কাল বলেছিলেন চিনতে পারি নি। আজ চিনেছি।
: মানে কি? তুমিই তো সাব্বির।
: আরে ধুর.......আমি সাব্বির হতে যাবো কেন? সাব্বির তো আমাদের বাড়ির কাজের ছেলে। রান্না ঘরে এখন ঘুমাচ্ছে। ওকে ডেকে দেব।

তারপর কি হলো-বুঝলাম না। হুট করে লাইন কেটে দিলো। এর পর কখনো আর কথা হয় নাই। এখনো মাঝে মাঝে স্বৃতির পাতা থেকে কন্ঠটা কানের মাঝে বেজে উঠে- “যাক বাবা কথা বললা তা হলে। কেমন আছো?”

বি:দ্র: পুরাতন ডাইরির পাতা উল্টাতে উল্টাতে এই কাহিনীটা মনে পরে গেল তাই তুলে ধরলাম।

আমি ফোরাম খুললে প্রথমই বিজ্ঞাপনে দেখি কয়েকটা মেয়ে । যারা খুবই দরিদ্র। কাপড় চোপর যা আছে তা রুমাল সাইজের ও কম। হয় এই সব মেয়েদের কাপড়-চোপড় দান করেন নয়তো বিজ্ঞাপন দেওয়া বন্ধ করেন। আমার লোড হতে সময় নিচ্ছে।
বিজ্ঞাপন দেখলেই আমার কেমন যেন লাগে। ভালো লাগে না। মাথা ঘুরায়। রুচি কমে যায় ফোরামে ঘুরাফেরা করার। তবে যদি দিতেই চান তবে নিচে দেন। এতে করে কারও সমস্যা হবে না। ফোরামে ঢু্কেই বিজ্ঞাপন দেখতে ভালো লাগে না।

http://s3.postimage.org/EAX5S.jpg

এ রকম বিজ্ঞপ্তি না দিলেই কি নয়? এ গুলো কি? একটি শিক্ষ্যাপ্রতিষ্টানের ফোরামে।
সাধারন সদস্য হিসাবে আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এ রকম বিজ্ঞপ্তি দৃষ্টি কটু। মডু, এডু যেন এদিকে সু-দৃষ্টি নিক্ষেপ করেন।

আমার একান্ত মন্তব্য: একটা ফোরাম চালানো জন্য এমন কোন রাজবাদশাহর ধন ধ্বংস হয় না, যে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে টাকা ইনকাম করা লাগে। একটা ফোরাম চালানোর জন্য একজন এর সৎ ইচ্ছাই যথেষ্ট। অনেক বহুত ফোরাম আছে যা খুবই জনপ্রিয় কিন্তু তারা কোন প্রকার বিজ্ঞপ্তি দিচ্ছে না। গোটা কয়েক হৃদয়বান লোক তা চালনা করে যাচ্ছে।
তাহলে আপনাদের অবস্থা কেন এমন। বিজ্ঞপ্তি যদি দিতেই হয় ভালো কোন বিজ্ঞপ্তি দেন অথবা বিজ্ঞপ্তি বাদ দিয়ে দেন।
আমি বাদ দেবার পক্ষে।

এগুলো আমার একান্তই মতামত। আপনারা আপনাদের ফোরাম কেমন করে সাজাবেন তা একান্তই আপনাদের।

sawontheboss4 wrote:

তবে আমার জানামতে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হতে বুদ্ধি থাক লাগে না।  :jaw-dropping:

বুশকে এই পর্যায়ে ফেলা যায় নিশ্চয় :d  :d

৬২

(১৩ replies, posted in আত্মপরিচয়)

স্বাগতম ভাই :cloud9:

sawontheboss4 wrote:

career বড় খারাপ অভিলাষ, কেন এরা কী Aitraaz ছবি টা দেখে নাই?  :rotfl:

জাতির সকল পোলাপানদের ফ্রিতে উপদেশ- যাদের যাদের সুন্দরী বান্ধবী আছে, তারা তাদের বান্ধবীদের অবশ্যই Aitraaz ছবিটা গিফট করবেন। এতে করে এদের ক্যারিয়ার সম্পর্কে ধারনা জন্মাবে straight face

পরের ঘটনা পরেই বলি! এই মুন্সির সাথে আমার বহু ফাইট হয়েছিলো,আস্তে আস্তে তা জাতির সামনে তুলে ধরবো ইনশাল্লাহ :jump:

: তুই কখনো কি মানুষ হবি না?

আমি বিরক্ত হয়ে ভুরু কুচকালাম। ইদানিং কিছু হলেই অটোমেটিক ভুরু কুচকে যাচ্ছে। আম্মু কেন মানুষ হবার কথা বলছে, বুঝতে পারছি না। লেখাপড়া করছি, সাথে একটা ব্যবসাও করছি। অন্যান্য ছেলেরা যখন মাঠে খেলাধুলা করতে যায় আমি তখন দোকান খুলে বসি। সকালে ঘুম আংটিকে চোখ থেকে বিদেয় দিয়ে দুটো টিউশনিও পড়াচ্ছি। তারপরও কোন অংশে মানুষ হতে এখনো বাকি আছে? তা বুঝতে পারছি না।

: তোর প্রবলেমটা কি? তুই নাকি আবারো মোবাইল এর কল রেট কমিয়েচ্ছিস?

আমার ব্যবসা হচ্ছে মোবাইলের ব্যবসা। প্রতি মিনিট চার টাকা। ছোট-খাট একটা দোকান। এখন আটানা কমিয়েছি তাও প্রথম মিনিটের পর থেকে কিন্তু এটা নিয়ে আম্মুর মাথাব্যাথা কেন? কিছুই বুঝতেছি না। আমার ভুরু আরো কুচকে গেল।

: এই ভুরু কুচকাবি না, ভুরু টান।

আমি ভুরু টান করলাম।

: তা মোবাইলের কলরেট কমিয়েছি তাতে প্রবলেমটা কোথায়? দোকান নিয়ে আপনার এতো চিন্তা ভাবনা কবে থেকে শুরু হলো?

আম্মু রেগে গিয়ে বললো- “আমার চিন্তা শুরু হয়নি, হয়েছে হোমপ্যাত মুন্সির”।

আমি অবাক হয়ে বললাম – “কেন”?

: তুই বলে তাদের ব্যবসা বন্ধ করে দিচ্ছিস! আরো যা-তা বলে গেল মুন্সির ওয়াইফ।

এতোক্ষনে বুঝলাম ঘটনাটা কি? আমি কলরেট কমানে পাশের বাড়ির দোকানদারের গায়ে কষ্ট লেগেছে। আমি হাসি হাসি মুখে আম্মুকে বললাম- “এটা নিয়ে আপনি কোন টেনশন করবেন না। ওরা যা-তা লোক, যা-তা তো বলবেই। বিষয়টা আমি দেখতাছি”।

যতোই হাসিমুখে আর ঠান্ডা মাথায় কথাগুলো বললাম কিন্তু কথাগুলো শোনার পর মাথা ততোটা ঠান্ডা না। ভিষন গরম। কতো বড়ো সাহস। বাড়িতে এসে আম্মুকে যা-তা বলে যায়? আইজকা ওর একদিন তো আমার যতোদিন লাগে।

বিকেলে বন্ধুদের নিয়ে মিটিং এ বসলাম। বিষয় বস্তু- “ কি ভাবে হোমপ্যাত মুন্সিকে একটা শিক্ষা দেওয়া যায়”?

কেউ বললো- রাতে চল বাড়ির চালে ঢিল ছুড়ি, আরেকজন বললো- চল ওর শালিকে লাভ লেটার পাঠাই, অন্য একজন বললো- চল তুলে নিয়ে আসি। তখন সবারই উঠতি বয়স। উঠতি বয়সের যুবকরা বড়োই ডেঞ্জারাস হয়। আমি সবার প্রস্তাব নাকোচ করে দিয়ে দোকানে চলে আসলাম।

বহু ভেবে চিন্তে একটা বুদ্ধি বের করলাম। সব বন্দুদের কল করে খবর দিলাম- “ রাত ১২টার সময় দোকানে আসবি। জরুরী কাজ আছে”।

রাত ১২টা থেকে রাত ২টা পযর্ন্ত আমরা পাচ বন্ধু খুব পরিশ্রম করলাম। পুরো দু’ঘন্টাই হাটা-হাটির উপরেই ছিলাম। তারপর সবাইকে বিদেয় দিয়ে নিশ্চিত মনে ঘুমুতে গেলাম। যাক হোমপ্যাত মুন্সি কাল সকালে ঘুম থেকে উঠে জীবনের বড়ো একটা সারপ্রাইজ পাবে জাতির সবার তরফ থেকে ভাবতেই হাসি পাচ্ছে।

পরের দিন জুম্মাবার। নামাজ পরতে মসজিদে গেলাম। জুম্মার নামাজ শেষ হতে না হতেই হোমপ্যাত মুন্সি দাড়িয়ে বললেন- “হুজুর সবার উদ্দেশ্যে আমার একটা নালিশ আছে। দয়া করে কেউ যাবেন না”। বলেই হন হন করে হুজুরের সামনে গিয়ে হুজুরের হাত থেকে মাইক নিয়ে বলা শুরু করলেন- “আজকালকার পোলাপান এতো বেয়াদপ হয়েছে, এতো ফাজিল হয়েছে কি আর বলবো। এখন কার পোলাপান গুরু জনদের সালাম দেয় না। এদের শ্রদ্ধা করে না”।

আমি অবাক হয়ে ভাবতে থাকলাম, এর কি মাথা নষ্ট হয়ে গেল নাকি। এখন বাসায় যাবো, যাবার সময় এগোলো কি বলা শুরু করেছে। পুরো পাচ মিনিট বহুত ধৈয্য নিয়ে শুনলাম তারপর আর টিকতে না পেরে দাড়িয়ে বললাম- “দয়া করে কি বলবেন আপনার মেইন প্রবলেমটা কোথায়? আজকালকার পোলাপান কেমন তাতো জাতি ভালো ভাবেই জানে”। মসজিদের সবাই আমার কথায় সায় দিলো- “হ্যা, আসল কথা বলেন? এতো লেকচার শুনতে ভালো লাগছে না”।

হোমপ্যাত মুন্সি পকেটে হাত দিলেন। একটা কাগজ বের করে আনলেন। সবার সামনে তুলে ধরে বললেন- “আসল কথা হচ্ছে এটা! আজকালকার পোলাপান আমাকে নিয়ে পোষ্টারিং করেছে পুরো এলাকা জুড়ে। এখন আমি ঘরেও থাকতে পারছি না আবার বাইরেও থাকতে পারছি না”।

একজন বললো- “কাগজে কি লেখা আছে তা একটু পড়ে শোনান! দূর থেকে দেখা যাচ্ছে না”।

হোমপ্যাত মুন্সি পড়া শুরু করলেন-

সুখবর,                             সুখবর,                                            সুখবর

                        ৫০তম বিবাহ বার্ষিকি উপলক্ষ্যে বিশেষ ছাড়
                                    মোবাইল  টু  মোবাইল

                                   প্রতি মিনিট মাত্র ১টাকা

বি:দ্র: জনাব…………….সাহেব আপনাদের দোয়া প্রার্থী। আপনারা সবাই তার ফ্যামিলির জন্য দোয়া করবেন।

যোগাযোগের ঠিকানা:.……………………………………………………..গাজীপুর, বাংলাদেশ।

পুরো মসজিদ জুরেই হাসির প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে গেল। একজন আরেকজন এর উপর হাসতে হাসতে গড়িয়ে পরছে আর হোমপ্যাত মুন্সি অবাক হয়ে তাকিয়ে আছেন।

কিছুক্ষন পর হাসির পরিমান কমলো। মুন্সি বিচার চাইলো- কিন্তু কার বিচার কে করে? কে লিখে পোষ্টারিং করেছে তা কে জানে? তবুও হুজুর আমাকে ডাক দিলেন- “পলাশ তুমিতো সবার সাথেই চলাফেরা করো, তোমার কি ধারনা, এই কাজ কে করতে পারে”?

আমি বললাম- “হুজুর আপনিতো জানেন আমাদের এই এলাকার পোলাপান এতো টেলেন্ট না। এটা মনে হয় অন্য এলাকার ছেলেরা করেছে। তবুও হুজুর আপনার কথায় আমি প্রতিটি ছেলেকে ডেকে এক এক করে জিজ্ঞাসা করছি, এ নিয়ে কোন টেনশন করবেন না”।

হোমপ্যাত মুন্সি করুন কন্ঠে বললেন- “এখন যে মানুষজন আমার বাড়ি আসা-যাওয়া করছে, এটার কি হবে”?

হুজুর বললেন- “এটাতো একটা সমস্যা। কয়েক এলাকায় যদি পোষ্টারিং করে থাকে তাহলেতো সমস্যা”।

আমি হাসি মুখে বললাম- “হুজুর এ দায়ত্ব আমার উপর ছেড়ে দেন। আমি এ সমস্যার সমাধান করে দিচ্ছি”।

বিকেলে বন্ধুদের নিয়ে বের হলাম। এলাকার লোকজন হোমপ্যাত মুন্সির বাড়ি আসা বন্ধ করতে হবে। বহুত জামেলাম কাজ। সন্ধ্যার দিকে পুরো এলাকার প্রতিটি মসজিদে মসজিদে মাইকিং করলাম-

    প্রিয় এলাকাবাসি……………………..প্রিয় এলাকাবাসি………………………..

“আজ সকাল বেলা যে বিবাহ বার্ষিকির পোষ্টারিং দেয়ালে দেয়ালে করা হয়েছিলো তা বাতিল হয়ে গিয়েছে। গোপন সূত্রে জানা গিয়েছে আজ তার ৫০ তম বিবাহ বার্ষিকি না। তাই তিনি মোবাইলের কল রেট কমান নি। সামনে ওনার ৩০তম বিবাহ বার্ষিকি। আপনারা সবাই ওনার জন্য দোয়া করবেন।”

খুব ভালো লিখেছেন! যদিও কবিতা লেখা আমার দ্বারা হয়ে উঠে না। তবে লিখতে না পারলেও পড়তে খুবই ভালো লাগে।

যাক আর্জে নীরবকে দেখে মনের খায়েশ পূর্ন হলো। হেতে আমার মতোই চিকনা পটাশ।

৬৮

(৬ replies, posted in রসের হাঁড়ি)

অচেনাকেউ wrote:

আম্মু-আব্বু...আমি কি আছি নাকি গেছি ???


এইটা বেশি মজার  :awesome:  :awesome:  :awesome:

সহতম :innocent:

অচেনাকেউ wrote:
পলাশ মাহমুদ wrote:

ভাই আমি গাড়ী না ,গাড়ীর ড্রাইভারও না তাই চালাতে পারুম না :innocent:  :innocent:


খালি কথার উলটা পাল্টা মানে বাইর করে ! happy
তুমারে গাড়ী কে চালাইতে কইসে ?  :bouncy:

ও গাড়ী চালাতে বলে নাই, তাহলে কি চালাতে বলেছে? :optimist:  :optimist: দিন দিন অচেনা ভাই এর মতো বুদ্ধি-শুদ্ধি সব অচেনা হয়ে যাচ্ছে :optimist: বুদ্ধি কী লোপ পাচ্ছে নাকি? :optimist:  :optimist: হবু ডাক্তার-ডাক্তারনীরা কই? :optimist:

অচেনাকেউ wrote:

তারপর !

তারপর পলাশ মাহমুদ এখন আড্ডার আসরে।

৭১

(৬ replies, posted in রসের হাঁড়ি)

:crackup:  :crackup:  :crackup: ছবিগুলো দেখে বড়োই আমোদিত হইলাম।

আমি দপ্তরিকে ডেকে নির্দেশ দিলাম- “ এক্ষুনি সকল ক্লাসে ক্লাসে গিয়ে বলো তারছিড়া কোম্পানীর পলাশ মাহমুদ সবাইকে কনফারেন্স রুমে ডেকেছে, আদেশক্রমে পলাশ মাহমুদ, নির্দেশক্রমে ম্যাডাম”। (তারছিড়া কোম্পানী আমার তৈরি করা সাংস্কৃতিক সংগঠনের নাম ছিলো, ভালো একটা নাম ছিলো কিন্তু আমি এই নামেই ডাকতাম)।

দপ্তরী বললো- “পলাশ ভাই, স্যারদেরও কি আসতে বলবো”?
: না, ওনারা গুরু মানুষ। আমি স্বয়ং গুরু দর্শনে বের হবো।
কলেজের সকল ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকাকে অনুরোধ করে আসলাম, আর যেন ঐ লোকটাকে কলতো দূরে থাক মিস কলও যেন না দেয়। বিকালে কলেজ শেষ করে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হলাম।

রাত সারে আটটা। কল দিলাম ম্যাডামকে।

: হ্যালো, আসসালামলাইকু! তারছিড়া কোম্পানীর পলাশ মাহমুদ বলছিলাম।
: বল পলাশ। কি খবর?
: আমি সংবাদ মাধ্যম নই। তবুও একটি শোক সংবাদ আপনাকে দিচ্ছি। আপনার মোবাইলটা কিছুক্ষন এর মাঝেই বন্ধ করে দিতে হবে। আমি যতোক্ষন পর্যন্ত না বলবো মোবাইল ওপেন করবেন না।
: আচ্ছা তুই কি করতে চাচ্ছিস, বল তো।
: লোকটা যাতে কল না দেয তার ব্যবস্থা।
: কিন্তু কি ভাবে?
: এখনো ভেবে দেখি নাই। আপনাকে সময় দিলাম আধ ঘন্টা। এর মাঝেই যাকে যাকে কল দেবার কল দিয়ে বলে দেন মোবাইল দু’ তিনদিনের জন্য বন্ধ থাকবে। তারপর মোবাইল বন্ধ করে দিবেন। কাল কলেজে কথা হবে।
: মোবাইল অফ করছি। কিন্তু তুই যে একটা পাগল সেটা কি তুই জানিস?
: জানাবার জন্য ধন্যবাদ! আগে থেকেও জানতাম। আমার দাদি ছিলো পুরো পাগল, মা তার অর্ধ্যেক সেই মতে আমারো মাঝে মাঝে নিজেকে পাগল মনে হয়। এতে করে মন খারাপ হয় না। এটা আমাদের বংশগত ঐতিজ্য, বংশগত রেওয়াজ। ওকে ম্যাডাম, বায়........ভালো থাকবেন। আসসালামলাইকু।
: তুইও ভালো থাকিস।

রাত সাড়ে দশটা। আমি খোলা মাঠে দাড়িয়ে রয়েছি। আশে পাশে কেউ নেই। উপরে খোলা আকাশ। চাদের  সনে হাজারো তারা খেলা করছে। আমি কল দিলাম লোকটাকে। তিনবার রিং হবার পর লোকটা মোবাইল ধরলেন। মথা বিরক্ত মাখা কন্ঠে বললেন- “হ্যালো”। আমি মহা খুশি খুশি ভাব নিয়ে বললাম- “আসসালামলাইকুম”।

লোকটার সাথে টানা চল্লিশ মিনিট কথা বললার পর হাসিমুখে ফোন রাখলাম। আকাশের পানে তাকালাম। জোৎসনা ছড়াচ্ছে চারিদিকে। আজ কি পূর্নিমা নাকি। বাংলা মাসের আজ কতো তারিখ। হায়রে বংগালি, ইংরেজি মাস, তারিখ, সন সবই মনে থাকে বাংলাটা মনে তো দূরের কথা জানাই থাকে না। আমি উপরের দিকে তাকিয়ে বললাম- “হে আল্লাহ! আজ খুব বেশি মিথ্যে কথা বলে ফেলেছি। অন্য দিনের চেয়েও বেশি। প্লিজ ক্ষমা করে দিও। এ ছাড়া কোন উপায় খুজে পাচ্ছিলাম না। প্লিজ ক্ষমা করে দিও.........প্লিজ”।

রাত থেকেই মাথা ব্যাথা শুরু হতে থাকলো। আমার প্রায় সময়ই মাথা ব্যাথা করে। এ ব্যাথাটা অটো। যখন ইচ্ছে হয় শুরু হয় আবার যখন ইচ্ছে হয় থেমে যায়। আজকের ভাবমূর্তি ভালো না। মনে হয় অনেকক্ষন থাকবে।

সকালেও মাথা ব্যাথা কমলো না তাই কলেজে গেলাম না। সকাল বারটার দিকে স্যার এর নম্বর থেকে কল আসলো-

: স্যার, আসসালামলাইকু, তারছিড়া কোম্পানীর পলাশ মাহমুদ বলছি।
: আমি স্যার নই, আমি ম্যাডাম। কি খবর তোর? কলেজে আসিস নাই কেন?
: ম্যাডাম মাথা ব্যাথা করছে তাই, আর একটা দু:খের সংবাদ আছে।
: আবার কি হলো? রাতে শোক সংবাদ দিলি এখন দু:খের সংবাদ দিচ্ছিস।
: ম্যাডাম মোবাইল বন্ধ করবার মেয়াদ কিছুদিন বাড়াতে হবে।
: কেন?
: কেন তা জানি না? তবে বাড়ানো দরকার। আমি কাল কলেজ এসে কথা বলবো। ভালো থাকবেন? আসসালামলাইকু।
: তুই ও ভালো থাকিস।

পরের দিন কলেজে গেলাম। সবার মুখেই শুধু মাত্র একটি প্রশ্ন- “পলাশ লোকটা কি কল দেওয়া বন্ধ করেছে? কি করেছিস তুই”? আমি বললাম তেমন কিছুই না, শুধু মাত্র চল্লিশ মিনিট কথা বলেছি।
: এখন কি কল দেওয়া বন্ধ করেছে?
: আমি কি করে বলবো, ম্যাডামের ফোন তো বন্ধ।

আরো কথা বলতে যাচ্ছিলাম এমন সময় দপ্তরী এসে বললো- “পলাশ ভাই, টিচার রুমে আপনার ডাক পরছে”।
আমি পা বাড়ালাম। পিছন দিক থেকে আমার এক বন্ধু বললো- “যাবার আগে অন্তত কি করেছিলি তা বলে যা!” আমি হাসিমুখে বললাম- “কিছুই না! শুধু মাত্র কল দিয়ে বলেছিলাম- ভাই আম্মাজানরে আর জ্বালাইয়েন না”। বলেই আমি শিক্ষক রুমের দিকে পা বাড়ালাম।

: স্যার, আসতে পারি?
: এসো, এসো, তোমার জন্যই তো ওয়েট করছি।
: এ জন্য আমি ধন্য, কি ভাবে আপনাদের সাহায্য করতে পারি বলুন।
: তোমাকে যে কাজ ম্যাডাম দিয়েছিলেন তা সম্পূর্ন করেছ?
: হ্যা, করেছি লোকটা আর কল দিবে না।
ম্যাডাম হাসিমুখে বললেন- “তাহলে কি আমি মোবাইল ওপেন করতে পারি?”
: হ্যা, পারেন! লোকটা আর একবার কল দিতেও পারে নাও দিতে পারে। যদি কল দেয় তাহলে ক্ষমা চাবে। ক্ষমা করে দিয়েন।
একজন স্যার কৌতুহলি দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকিয়ে বললো- “তা, কি করেছিলি তুই পলাশ”?
: তেমন কিছুই না! লোকটাকে কল দিলাম। লোকটাতো আননোন নম্বর দেখে মহা বিরক্ত। বিরক্ত হবেই না কেন, এতোদিন তো কম বকা খায় নি।
: পলাশ তুই খালি কথা পেচাচ। আসল ঘটনা বল।
: আসল ঘটনা হলো। আমি সর্বপ্রথম লোকটাকে অনুরোধ করলাম, তিনি যেন আমার সকল কথা খুব মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং আমার কথা বলা শেষ না হওয়া পর্যন্ত যেন লাইন না কাটেন।
: তারপর?
: তারপর আর কি, আমি আমার পরিচয় দিলাম। বললাম আমি একজন ডাক্তার। আমার বয়স ৩০ বছর এর কাছাকাছি। আপনি যাকে কল দিয়ে ডিস্টাব করছেন তিনি আমার মা হন। আম্মু একজন শিক্ষিকা। আমার বয়স যদি ৩০ বছর হয় তাহলে আমার মার বয়স কতো তাতো বুঝতেই পারছেন। আপনার বয়সে আমিও মেয়েদের জ্বালাতন করেছি তাই বলে কারো মাকে জ্বালাতন করি নি। আমি যদি আপনার মাকে ডিস্টাব করি তাহলে আপনার যেমন খারাপ লাগবে আমারো তেমন খারাপ লাগছে। আপনার জন্য আম্মু এখন অসুস্থ। মোবাইল বন্ধ করে রাখছেন। শিক্ষকতার মাঝে একটা গুজব রটে গিয়েছে। ছি: ছি: আপনার ভিতর কি কোন মনুষত্ব বোধ আছে।
: তারপর?
: তারপর আবার কি? আমি বললাম, আপনার ভিতর যদি মনুষত্ব বোধ থেকে থাকে বিন্দু পরিমান তাহলে আর আমার আম্মুকে জ্বালাতন করবেন না।
: তারপর?
: কি বারবার তারপর তারপর করছেন? তারপর লোকটার মনুষত্ব জেগে উঠলো। তিনি আমার কাছে ক্ষমা চাইলেন। আম্মুকে আর ডিস্টাব করবে না বলে ওয়াদা করলো। বিনিময়ে আমি যেন সকল ছাত্রদের বলে দেই তারা যেন আর কল না দেয়। আমিও প্রমিস করলাম। ছাত্ররা আর কল দিবে না, আমি কলেজে বলে দেব।
: তাহলে কি ম্যাডামকে লোকটা দেখে নাই?
: না, কোথা থেকে যেন নম্বর পেয়েছিলো। কল দিয়ে দেখেছে সুইট কন্ঠি মেয়ে। তাই বারবার কল দিচ্ছিলো। আর ম্যাডামও ছাত্রদের নম্বর দিয়ে দিলো। ছাত্রদেরতো মাথা অলটাইম গরম থাকে। তারাও শুরু করলো গালি-গালাজ। লোকটাও গেল ক্ষেপে। আরো বেশি করে জ্বালাতন করা শুরু করলো।

এরপর ম্যাডামের মুখে শুনেছিলাম লোকটা কল দিয়ে ক্ষমা চেয়েছিলো। আমার অবশ্য ভালোই হয়েছিলো- লোকটার কারনে ফ্রিতে একটা আম্মু পেয়ে গিয়েছিলাম। কলেজে এর পর থেকে ম্যাডামকে আম্মু বলেই ডাকতাম। এখনো যদি কখনো কলেজের দুয়ারে পা রাখি সর্বপ্রথম আম্মুর সাথে দেখা করি।

হায়রে কলেজ জীবন। কোথায় হারিয়ে গেল। তাইনা। এখনো স্বৃতির পাতা থেকে সে সব স্বৃতি চোখের সামনে ভেসে উঠে। এখন খুব বেশি মিস করি কলেজ লাইফটাকে, আগের হাসি-খুশি জীবনটাকে।

উপল BD wrote:
পলাশ মাহমুদ wrote:

মাত্র তিনশত টাকা আমার মোবাইলে দিয়ে দেন। কালকের পরের দিন থেকে লোকটা আর কল দিবে না। কল দেওয়া বন্ধ হয়ে যাবে।


ভাই রহস্যের গন্ধ পাচ্ছি। মাত্র তিনশ টাকায় এত কিছু,ভাবছি ওই পোলার সাথে আপনার আবার এই বিষয়ে পার্টনারশিপ ছিলো নাতো?? :veryhappy:   :veryhappy:

কোন পার্টনারশিপ ছিলো নারে ভাই...........তবে নিজের প্রতি আত্ববিশ্বাস ছিলো প্রচুর। এখনো আছে। এ জন্যই আমি আমাকে খুব বেশি ভালোবাসি। tongue  tongue

স্বাগতম হে মহান ছেইল্যে..............
আমি পলাশ মাহমুদ। আপনার মতোই নতুন পাবলিক। তবে আমি কুমিল্লার পোলা। থাকি গাজীপুর। আপনার দেশিয় ভাষা খুবই জটিল লাগলো। নিয়মিত দেশি ভাষায় লিখবেন আশা করছি।

আমি অবাক হয়ে শুনছি, আমার ক্লাসমেট ফোনে কাকে যেন বকাবকি করছে। সে কি ভাষা। তুই কেন কল দিস? তোরে যদি হাতের সামনে পাই? ব্যাটা তোর পিছন দিক দিয়ে মোবাইল? আরো আজিব আজিব শব্দ। তার গালিগালাজ শুনে মনে হচ্ছে এর উপরে সে পি.এইচ.ডি. পাশ করে এসেছে। এখন কোন ছাত্রকে শিখাচ্ছে। আমি আর আমার বন্ধুরা বসে আছি হোটেলে। আমি টেবিলে দু’হাত রেখে ওর দিকে তাকিয়ে আছি। পাচ দিন পরে কলেজে এসেছি, কিছুই বুঝতাছি না। বাকি সবাই খুব আগ্রহ নিয়ে শুনছে। কেউ কেউ মোবাইল টেনে নিয়ে নতুন উদ্দোমে গালিগালাজ দিচ্ছে। এদের প্রবলেমটা কি? আজ কি গালিগালাজের উপর কোন পরীক্ষা আছে নাকি? সবাই এ ভাবে রিহার্সেল দিচ্ছে কেন?

পুরো সাত মিনিটেও যখন গালিগালাজ বন্ধ হলো না তখন আমি সুবোধ বালকের মতো কলেজের দিকে পা বাড়ালাম। পরে শোনা যাবে কি ঘটনা, আগে সবার সাথে দেখা সাৎকাত করে আসি। বহুদিন পর কলেজে এসেছি।
আমি ক্লাসে ঢুকেই পুরোনো ডাইলক নতুন ভাবে দিলাম- “হ্যালো, লেডিস এন্ড জেন্টল ম্যান, বুড়ো এবং বুড়ির নায়-নাতুর, আংকেল এবং আংটির ছোকরা-ছুকড়িরা, কেমন আছিস সবাই”?
আমার প্রশ্নের উত্তর না দিয়েই একজন বলে উঠলো- “আরে পলাশ তুই তো জানিস না, পুরো কলেজ জুড়েই এখন কি যে শুরু হয়েছে? ঐ ব্যাটারে তো সবাই কল করে কি যে বকা দিচ্ছে”?
: হ্যা, বুঝতে পেরেছি! কলেজে পা দিয়েই বুঝতে পেরেছি! তোরা এখন গালিগালাজ রিহার্সেল দিচ্ছিস। তা এর উপর কি টিচার ভাইবা পরিক্ষা নিবে নাকি? তোদের প্রবলেমটা কি?
: আরে আমাদের প্রবলেম না, প্রবলেম ঐ ব্যাটার।
: কেন? গালিগালাজ শুনতে কি ওর খুব ভালো লাগে?
: আরে না, ঐ ব্যাটা ম্যাডামকে ডিস্টাব করে। যখন তখন কল দিয়ে উল্টা পাল্টা কথা বলে। ম্যাডাম বিরক্ত হয়ে আমাদের বলেছেন। আমরা পুরো কলেজে নম্বর দিয়ে দিয়েছি। সবাই এখন ঘন্টা চুক্তিতে ব্যাটাকে গালিগালাজ দিচ্ছে………
আমার ক্লাসমেট মনে হয় আরো কিছু বলতে যাচ্ছিল তার আগেই ঝড় এর বেগে ম্যাডাম প্রবেশ করলেন।
: পলাশ তুই এসেছিস? তোকেই দরকার?
অস্থির ভঙ্গিতে ম্যাডাম আমাকে বললেন। কলেজের সব শিক্ষক-শিক্ষিকা সব ছাত্র-ছাত্রীকে তুমি অথবা আপনি করে বলে শুধু মাত্র আমাকেই তুই করে কেন যে বলে আজো তার রহস্য আমি বেধ করতে পারি নাই। আমি মুখে একটা হাসি নিয়ে বললাম-
: কেন ম্যাডাম, এখনো কি আপনার সন্দেহ আছে?
: ফাইজলামী মার্কা কথাবার্তা বাদ দে……শোন আমি মহা জামেলায় পরেছি। তুই তো মনে হয় জানিস?
আমি মাথা নাড়লাম।
: কুচ কুচ।
: ছাত্রদের বকাবকিতে এখন লোকটা আরো বেশি কল দিচ্ছে এমন কি হুমকিও দিচ্ছে। তুই একটা কিছু কর?
: মোবাইল এর সিম খুলে হাতুড়ি দিয়ে বাইরিয়ে পাউডার বানাইয়া ফালান। মোবাইলও বন্ধ, কলও বন্ধ।
: তুই জানিস, মোবাইল নম্বর কতো জায়গায় দেওয়া আছে? মোবাইল বন্ধ করা যাবে না।
: তাহলে আমি গেলাম, আর কোন সমাধান আমার কাছে নাই।
: কই যাবি?
: বাসায়, ক্লাস করবো না। ক্লাসে এখন আর মন বসবে না।
: আমার বিষয়টার কি হবে?
: জাতির মাঝে আমার থেকেও বহু জ্ঞানী-গুনী লোক আছে তাদের সাহায্য নেন, আমাকে নিয়ে আবার এর মাঝে টানাহেচরা করছেন কেন?
ম্যাডাম মনে হয় আমার কথা শুনে বিরক্ত হয়েছেন। তিনি বললেন-
: জাতির মাঝে তোর মতো ফাজিল নাই, তাই টানাটানি করতাছি। তুইও ফাজিল, লোকটাও ফাজিল। ফাজিলে ফাজিলে কাটাকাটি বুঝলি। সবাই বলছিলো তুই কিছু করতে পারবি, তাই তোকে বলা। তুই কিছু করতে পারবি কি পারবি না, তা বল।
: পারবোনা কেন? অবশ্যই পারবো? তবে আমাকে কিছু ঘুস দিতে হবে।
: কি দিতে হবে?
: মাত্র তিনশত টাকা আমার মোবাইলে দিয়ে দেন। কালকের পরের দিন থেকে লোকটা আর কল দিবে না। কল দেওয়া বন্ধ হয়ে যাবে।
: ওকে ঠিক আছে। না পারলে জরিমানা হিসাবে তুই আমাকে পাচশত টাকা দিবি। বলেই ম্যাডাম তিনশত টাকা বাহির করে আমার হাতে দিলেন।

বি:দ্র: বাকি কাহিনী বাকিই থাক। দেখি কবে বাকির হালখাতা খুলে তা জমা দিতে পারি।