<?xml version="1.0" encoding="utf-8"?>
<rss version="2.0" xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom">
	<channel>
		<title><![CDATA[রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ফোরাম — বেদআদ কীভাবে চালু হয় ?]]></title>
		<link>http://rmcforum.com/topic306.html</link>
		<atom:link href="http://rmcforum.com/feed-rss-topic306.xml" rel="self" type="application/rss+xml" />
		<description><![CDATA[The most recent posts in বেদআদ কীভাবে চালু হয় ?.]]></description>
		<lastBuildDate>Sun, 30 May 2010 13:23:48 +0000</lastBuildDate>
		<generator>PunBB 1.4.2</generator>
		<item>
			<title><![CDATA[Re: বেদআদ কীভাবে চালু হয় ?]]></title>
			<link>http://rmcforum.com/post1300.html#p1300</link>
			<description><![CDATA[<div class="quotebox"><cite>অচেনাকেউ wrote:</cite><blockquote><p><span style="color: blue"> হে মহান রাব্বুল আলামিন আমাদের সবাইকে বেদআদ হতে হেফাজত করুন। আমিন,<br />ছুম্মা আমিন ।</span></p></blockquote></div><p>কষ্ট করে লিখাগুলো পড়ায় আপনাকে ধন্যবাদ অ,কে ভাই।</p>]]></description>
			<author><![CDATA[null@example.com (প্রচেষ্টা)]]></author>
			<pubDate>Sun, 30 May 2010 13:23:48 +0000</pubDate>
			<guid>http://rmcforum.com/post1300.html#p1300</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[Re: বেদআদ কীভাবে চালু হয় ?]]></title>
			<link>http://rmcforum.com/post1281.html#p1281</link>
			<description><![CDATA[<p><span style="color: blue"> হে মহান রাব্বুল আলামিন আমাদের সবাইকে বেদআদ হতে হেফাজত করুন। আমিন,<br />ছুম্মা আমিন ।</span></p>]]></description>
			<author><![CDATA[null@example.com (অচেনাকেউ)]]></author>
			<pubDate>Sun, 30 May 2010 06:15:11 +0000</pubDate>
			<guid>http://rmcforum.com/post1281.html#p1281</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[Re: বেদআদ কীভাবে চালু হয় ?]]></title>
			<link>http://rmcforum.com/post1274.html#p1274</link>
			<description><![CDATA[<p>A nice post. I wish everyone will go through it</p>]]></description>
			<author><![CDATA[null@example.com (shemul49rmc)]]></author>
			<pubDate>Sat, 29 May 2010 18:24:53 +0000</pubDate>
			<guid>http://rmcforum.com/post1274.html#p1274</guid>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[বেদআদ কীভাবে চালু হয় ?]]></title>
			<link>http://rmcforum.com/post1270.html#p1270</link>
			<description><![CDATA[<p>কুরআন-হাদিসে বিদআতের ভয়াবহতা দেখে সাধারণের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে,আমল বিনাশী ভয়াবহ বিদআদ মুসলিম সমাজে কীভাবে চালু হলো । সামগ্রিকভাবে বিশ্লেষণ করে বিদআদ মুসলিম সমাজে চালু হওয়ার প্রধানত ৭টি কাযর্কারণ পাওয়া যায়। যা নিম্নরূপ <br />১। অজ্ঞতা : ইসলাম সম্পর্কে অজ্ঞতাই মুসলিম সমাজে বিদআত চালু হওয়ার অন্যতম কারণ। ঈমান-আমল হেফাযত করতে আবশ্যক পরিমাণ ইলম শিক্ষা করা প্রত্যেক মুসলমান নর-নারীর জন্যই ফরজ করা হয়েছে। দ্বীনের যথার্থ জ্ঞানের অনুপস্থিতি মুসলিম সমাজকে যেমন কলুষিত,পশ্চাৎপদ করেছে ঠিক তেমনি ইসলাম সম্পর্কে অজ্ঞতাই<br />বিদআত প্রসারে যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করেছে। <br />২। ইসলামী চেতনা, ঐতিহ্য ধ্বংস করার হীন উদ্দেশ্য : মুসলিম উম্মার মধ্যে গড়ে উঠা সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বিনষ্ট করার অসৎ উদ্দেশ্য ইসলাম বিরোধী শক্তির প্রত্যেক্ষ বা পরোক্ষ মদদে বিদআদ সৃষ্টি করে তা সমাজে চালু করা হয়। একতাই শক্তি- একতাই বল। ঐক্যবদ্ধ কোন জাতিকে কোন অবস্থ্বাতেই ধ্বংস করা সম্ভব নয়। এ কথা <br />ঐহিহাসিকভাবে সত্য প্রমাণিত। মুসলিম সমাজে ইবাদতরূপে নতুন নতুন বিদআত সৃষ্টি করা হলে মূর্খ ও স্বার্থপর লোকেরা জান্নাতে যাওয়ার সহজ পথ পেয়ে ইসলামের মূল চেতনা হতে সরে আসবে,আর প্রকৃত দ্বীনদার ব্যক্তিরা কখনো বিদআত গ্রহন করবে না। ফলে তাদের উভয়ের মধ্যে শুরু হবে সংঘাত। অগ্রগতি দূরের কথা নিজেদের অস্তিত্ব <br />টিকিয়ে রাখার জন্যে একে অন্যের দমনে শুরু নিজেরাই উদ্যোগী হবে না বরং ভিন্নমত পোষনকারী গোষ্ঠকে নিমূর্ল করার জন্যে প্রয়োজনে অমুসলিমদের ডেকে আনবে। সৃষ্টি হবে বিভিন্ন দল-উপদলের। ফলে মুসলিম সমাজ কখনো<br />ইসলামী আদর্শের ভিত্তিতে শান্তির সমাজ কায়েমের সৌভাগ্য লাভ করতে পারবে না। এমনই একটি ভয়ানক পরিস্থিতি সৃষ্টি করার জন্য স্বার্থবাদী,অনভিজ্ঞ কতিপয় নামধারী আলেম,<br />তথাকথিত পীর-মাশয়েখদের দূর হতে ব্যবহার করে ইসলাম বিরোধী শক্তি। আর এভাবে সমাজে প্রচলিত হতে থাকে অসংখ্য বিদআদী বিদআদ। যার বাস্তব নমুনা আমরা আজ গোটা মুসলিম বিশ্বে প্রত্যেক্ষ করছি।<br />৩। আলেম সমাজের কাজ-কর্ম : কোন আলেম হয়ত অসতর্কতার দরুন বা কোন অবস্থার প্রেক্ষিতে বাধ্য হয়ে শরীয়াত বিরোধী বা সুন্নাতের খেলাফ কোন কাজ করে ফেলেছেন। তিনি নিজেও জানেন যে, তার কাজ সুন্নাতের খেলাফ বা তার কাজের সমথর্নে ইসলামী শরীয়াতের গ্রহনযোগ্য কোন দলিল-প্রমাণ নেই। তিনি হয়তো অনিচ্ছাকৃত <br />ত্রুটির জন্য তাওবাও করেছেন। কিন্তু তার কাজ দেখে জাহিল বা অতিভক্ত লোকেরা মনে করতে শুরু বিরোধী কোন কাজ করতেই পারেনা। কারণ মস্ত বড় আলেম-বুজুর্গ শরীয়াত বিরোধী কোন করতেই পারেন না। ইসলামী আইনের উৎস সম্পর্কে জাহিল লোকেরা এভাবে এক ব্যক্তির কারণে গোটা সমাজেই বিদআতের প্রচলন করে ফেলে। সেজন্য <br />বিজ্ঞজনেরা বলেন- حسناڽ اللابرار سيءات للمقر بين<br />অর্থাৎ- “বুজর্গ ব্যক্তির ভাল কাজে ভক্তের জন্যে মন্দ হয়ে যায়”। বাধ্য হয়ে বুজর্গ ব্যক্তি যা করেছেন তা ছিল বুজর্গের জন্য হালাল। আর বুজর্গকে দেখে বিনা কারণেই যিনি বুজুর্গের অনুসরন করলেন,তিনি হলেন পাপী। সংশ্লিষ্ট বুজুর্গ হয়তো জানেন-ই না যে, তাকে নিয়ে এতো কিছু হয়েছে বা হচ্ছে। এ ধরনের কাজ সাধারণত ঐ বুজর্গের ওফাতের <br />পরই হয়ে থাকে। আবার এক শ্রেণীর আলেম সাধাণত জনগণের মধ্যে এমন একটি ধারণাও প্রচার করেন যে, বুজুর্গ ব্যক্তির ভুল ধরা বা বলাও পাপ(!) শরীয়াতের সুস্পষ্ট বিধান লঙ্ঘনের পরও বলা হয়- তিনি মাদারজাত অলি(মাতৃগর্ভ হতেই আল্লাহর প্রিয় বান্দা), তার ব্যাপারে শরীয়াতের সব হুকুম প্রযোজ্য নহে(!) বিদআতের ব্যাপারে উদারনীতি গ্রহনকারীদের আচারণও বিদআত সম্প্রসারাণে কার্যকার ভূমিকা পালন করে। সর্বমহলে নিজ অবস্থানকে গ্রহনযোগ্য করার মানসিকতা উদারনীতি গ্রহনে প্রাণ সঞ্চার করে। আবার ২/১ বার বিদআতী কাজের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে যাওয়ায় এখন ঐ কাজেকে কীভাবেই বা বিদআত বলা যায়? উদারপন্থী এসব সম্মাণিত উলামা হযরত যদি তাদের যবান মোবারক দিআতের বিরুদ্ধে সোচ্চার করতেন,তবে কুসংস্কারের কড়াল গ্রাস হতে মুসলিম উম্মাহ রক্ষা পেয়ে প্রভূত উন্নতি সাধনে ব্রত হতো। <br />৪। নেতৃস্থানীয় জাহিল লোকদের কর্মতৎপরতা : দ্বীন সম্পর্কে জাহিল লোকেরা হয়ত কোন কাজ করতে আরম্ভ করল। <br />আলেম সমাজ তার প্রতিবাদ করলেন না,বাধাও দিলেন না। এ কাজ শরীয়াত বিরোধী,তোমরা মুসলামান হিসাবে এ কাজ কিছুতেই করতে পারো না ইত্যাদি কিছুই বললেন না। ফলে সাধাণত লোকদের মধ্যে এমন ধারণা বদ্ধমূল হতে থাকে যে, নিশ্চয়ই এ কাজ অবৈধ্য নয়। যদি অবৈধ হতো তবে উলামায়ে কেরাম বাধা দিতেন অমুক মজলিসে এমনি কাজ হয়েছে। ওখানে অমুক বড় বড় আলেম ছিলেন। কেই বাধা দেননি। অতএব এ কাজ শরীয়াত সম্মত। অবস্থা শেষ পযর্ন্ত এমন পর্যায়ে গিয়ে পোঁছে যে, একদিকে জনরোষের বয় অপর দিকে নিজেও দু’চার বার করে ফেলেছেন- এখন বাধা দিবেন কীভাবে? এমন কিছু সংখ্যক আলেম তাদের পক্ষে দলিল-যুক্তি আবিষ্কার করতে থাকেন। তখন আবার কিছু সংখ্যক আলেম বাধা দিয়েও আর সমাজের জোয়ার ফেরাতে ব্যর্থ হয়ে যান। বিদআতীগণ নিজেদের পক্ষে কিছু কিছু আলেমও পেয়ে যাওয়ায় তারা শরীয়াত বিরোধী কাজটি ত্যাগ করার প্রয়োজনও আর বোধ করেন না। তাদের মনে এমন ধারণা বদ্ধমূল করা হয় যে, আলেমের কথায় কাজ করে যদি কোন গুনাহ হয়, তবে তার দায় ঐ আলেমেই বহন করবেন- যিনি তাকে বাতলিয়েছেন। সুতরাং তার কোন অস্থিরতার কারণই নেই। এভাবে সমাজ বিদআদ চালু হয়ে যায়। <br /> ৫।দীর্ঘদিন সুন্নাত বর্জনের কারণে: ইসলামী শরীয়াত অনুমোদিত, কুরআন-সুন্নাত সমর্থিত বা নির্দেশিত কোনো কাজ দীর্ঘদিন সমাজের দ্বিনদার পরহেজগার বুজুর্গ, আলেম উলামা,বুজুর্গ ব্যাক্তিগণ আমল করনেনি,বা বহুকাল ধরে তার প্রচারো করেননি, লোকেদর সামনে বহুকাল বলা হয়নি। এমতাবস্থায় সাধারণ মানুষের মনে ধারণা হয় যে,এ কাজ নিশ্চয়ই ভাল নয়। যদি ভালোই হতো তবে অবশ্যই তা পরহেজগার, দ্বিনদার, বুজুর্গানে দ্বীন,উলামায়ে কেরাম করতেন।ভাল কাজ হলে উলামা-মাশায়েখগণকি এতদিন বলতেন না ?এভাবে একটি শরীয়াত সম্মত কাজকে শেষ পর্যন্ত লোকদের শরীয়াত বীরোধী মনে করতে থাকে।সুন্নাতকেই হারাম,বিদাআত ইত্যাদি আখ্যায়িত করে ফেলে।আর করোণীয় কাজকে বর্জনীয় মনে করাও মস্ত বরো বিদআত। যেমন- ইসলামী রাজনীতি,সামাজিক বিভিন্ন কার্যক্রম দীঘদিন উলামায়ে কেরামের মাঝে অনুপস্থিত থাকায় সাধারণের মনে এ ধারণা বদ্ধমূল হয়েছে যে ইসলামে রাজনীতি, সমাজনীতি ইত্যাদি করা হারাম (নাউযুবিল্লাহ) <br />৬। মনস্তাত্বিক কারণঃ কম কষ্টে বেশি লাভ পাওয়া মানুষের একটি সৃষ্টিগত অভ্যাস। মুসলমান স্বাভাবতই চিরন্তণ শান্তি ও সুখের ঠিকানা বেহেশত লাভ করতে অত্যন্ত আগ্রহী।আর এ কারনেই অনেক কষ্ট সহ্য করে পরম সুখের আশায় এবাদত-বন্দেগী করে ধাকেন। তবে সহজ সাধ্য কাজের মাধ্যমে জান্নাত পাওয়া গেলে কষ্টসাধ্য কাজ করতে যাবে কেন?এমনি পরিস্থিতিতে বিদআতিগণ তাদের নব আবিস্কৃতি কাজ গুলোকে আকষর্ণীয় ভাবে বাজার জাত করার জন্য সামান্য কাজের জন্যই জান্নাতে বরাদ্দ দিয়ে দেয়।‌‌‌‌‌‌ বিদআত বিতরনের সময় কিছু ভ্রান্ত ভুয়া দলিল,চ্যালেঞ্জ,অনেকে বিদআত বলে বিভ্রান্ত করতে পারে ইত্যাদি বলে আগামাই ভক্তদের সতর্ক করা হয়।দ্বীন সম্মর্কে অজ্ঞ লোকেরা নিজেদের জন্য নিরাপদ ও সহজএসব কাজ গুলোকে লুফে নেয়। দুশমন শয়তান তো বনি আদমকে বিভ্রান্ত করতে তো সদা তৎপর রয়েছেই।শয়তানে প্রলোভন ও পরম শান্তি ভোগের প্রবল বাসনায় কতক লোক সহজ কাজ করে নিশচতি জান্নাতে যাচ্ছে ভেবে জান্নাতে যাওয়ার সপ্নে বিভোর হয়ে পরে,চোখের পর্দয় শুধু হুর গোলমাল ভাসতে থাকে,প্রাহিত ঝর্ণার কলতান,পাখপাখালির কুহুতান,ফুলে-ফলে শোভিত জান্নাতের অপরূপ শোভা মনকে করে তুলে উৎফুল্ল। এসব কাজ সত্যিকারভাবই নাজাত,জান্নাত দিতে পারবে কিনা? শরীয়াত অনুমোদিত কিনা? তা যাচাই করার ইলম অনেকের কাছে নেই। আবার যাচাই করতে গিয়ে পরম সুখের জান্নাত পাওয়ার স্বপ্ন ভঙ্গের আশংকা তো আছেই। সুতরাং যাচাই-বাছাই প্রয়োজন নেই। একীনে দরিয়া পার। এভাবেই মূলত বিদআত মুসলিম সমাজে বিস্তৃত লাভ করে।<br />৭। অন্ধভক্তি ও আনুগত্য : ইসলাম কখনো অন্ধ আনুগত্য সমর্থন করে না। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নবুওয়াতের দাবি করার পাশাপাশি দলিল-প্রমাণ উপস্থাপন করেছেন। প্রশ্নবাণে রাসূল সাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জর্জরিত করে ঈমান আনার ঘোষনা দিয়েছেন হযরত যিমাম ইবনে ছা’লাবা (বুখারী)। তবে ঈমান আনার পর কেবল কুরআন-সুন্নাহরই অন্ধভুক্তি ও আনুগত্য করা যায়। বজুর্গ,পীর-মাশায়েখ,অলি-আবদাল অন্ধ আনুগত্য পাওয়ার হকদার নন। সত্যিকারের কোন বজুর্গ ব্যক্তি এমনটি দাবিও করেন নি। তাদের আনুগত্য শর্তসাপেক্ষ। কুরআন-সুন্নাহর অনুগামী আদেশ-উপদেশই পালনীয়। কিন্তু কিছু অজ্ঞ লোক ইসলামের এই শাশ্বত বিধানের অনুগত হওয়ার পরিবর্তে অন্ধ আনুগত্যের বহিঃপ্রকাশ ঘটান। আমলের ক্ষেত্রে দলিল-প্রমাণের পরিবর্তে বজুর্গীর দোহাই দেন,অমুক বজুর্গ যদি ‘বিদআত’করতে পারেন- তবে আমিও করব,অমুক পীর যদি ‘বিদআত’ করে জাহান্নামী হন তবে আমিও জান্নাত চাই না ইত্যাদি চরম ধৃষ্টতাপূর্ন কথা বলে ফেলেন। যা মুসলিম সমাজে ‘বিদআতে’র প্রসারে কার্যকর ভূমিকা পালন করছে।<br />বিদআতী কাজের ভিত্তি<br />এ কথা আমাদের জানা উচিত যে, বিদআতী কাজের ভিত্তি কি? বিভিন্ন বিদআতী কাজ সমাজে চারু হওয়ার পেছনে সাধারণ জনসাধারণ কেবল অনুসরণের দোষেরই দোষী। বিদআত সমাজে জন্ম দেয়ার ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের তেমন অবদান নেই। কিছু নামধারী আলেম, কতিপয় ভন্ড পীর সমাজে বিদআতের প্রবর্তন করে। এসব বিদআতগুলোকে <br />সমাজে চালু করার জন্য প্রথমত কোন কোন আলেমের অসাধারণ ও বিস্ময়কর বজুর্গ ও ফজিলত তুলে ধরা হয়। কোন না কোন ভাবে তার বংশ নিয়ে টেকানো হয় রাসূলে মাকবুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে। দেয়া হয় ‌‌‌‌‌’আওলাদে রাসূলের (!) খেতাব। আবার কেউ নিয়ে বংশ টেকান মোল্লা আলী ক্বারী (র) বা অন্য কোন প্রখ্যাত ইমামের সাথে। অতঃপর ঐ বুজুর্গের বুজুর্গীর দোহাই দিয়ে বিদআত বাজারজাতকরণে প্রয়াস চালায়। বলা হয় অমুক বড় বুজর্গ এ কাজ করেছেন,তিনি অনেক বড় আলিম,অলিয়ে কামেল ছিলেন সুতরাং এ কাজ জায়েজ হওয়ার এটাই বড় আলিম,অলিয়ে কামেল ছিলেন সুতরাং এ কাজ জায়েজ হওয়ার এটাই বড় দলিল (!)। কথিত বুজর্গের বাহারী টাইটলের আবর্তে অবুঝ শিশুর ন্যায় কিছু লোক ব্যাকুল হযে যায়।<br />হে মহান রাব্বুল আলামিন আমাদের সবাইকে বেদআদ হতে হেফাজত করুন। আমিন</p><p><a href="http://www.eliasahmed.com/archives/759" target="_blank"><span style="color: #FF00FF">পুর্বে এখানে প্রকাশিত</span></a></p>]]></description>
			<author><![CDATA[null@example.com (প্রচেষ্টা)]]></author>
			<pubDate>Sat, 29 May 2010 12:27:32 +0000</pubDate>
			<guid>http://rmcforum.com/post1270.html#p1270</guid>
		</item>
	</channel>
</rss>
